কবি সায়েম মুন আর আমি গেলাম বহিরংগন কর্মসূচীর আওতায় সিলেট ও সুনামগঞ্জের পাথর কোয়ারী পরিদর্শনে । সঙ্গে একটা গাড়ি আর সেটার ড্রাইভার । আমি সুপ্রিয় কবি সায়েম মুন এক সঙ্গে থাকি । দারুন ব্যস্ততার মধ্যে সায়েম মুন কে দেখি আরও ব্যস্ত । কি করেন তিনি ?রাতে শোয়ার আগে বসে বসে ব্লগ পড়েন । সেগুলোতে কমেন্ট করেন । এসবে তার মধ্যে একটা স্ফূর্তির ব্যাপার উপভোগের ব্যাপার উপলব্ধি করি। কারো সাতে নেই পাঁচেও নেই এমন একজন মানুষ তিনি । একা থাকতেই দারুন ভাল লাগে তার ।এমন একজন মানুষের সঙ্গে থাকা আর একা থাকা একই ।ওভাবেই থাকছি আর কাজ করছি । কবির কান্ড কীর্তি উপভোগ করছি ।খুব সকালে ঘুম থেকে ওঠে ল্যাপটপে বসে কি যেন করছেন? কাছে গেলে দেখি একটু সংকোচ বোধ করেন । আসলে তিনি তার কবিতায় আসা কমেন্টগুলোর জবাব দিচ্ছেন ।এর মধ্যে সিলেটে বসেই সুপ্রিয় অভিনেতা ফরীদির মৃত্যু সংবাদ ইথারে ভেসে এল । বিশ্বাস করতে পারছিলাম না । মনে মনে আশা করছিলাম ওটা মিথ্যা সংবাদ হোক । এমন হতে পারে তিনি অসুস্থ হাসপিটালে আছেন । আর কত ভাবনা মনের মাঝে । আমি তার অভিনয়ের ভক্ত । তার অভিনীত নাটক গুলো পারতপক্ষে মিস করি না ।
মাস্ট ওয়াচের মত ব্যাপার করে রেখেছি । অন্য প্রোগ্রাম দেখার সময় নেই আমার । এমনিতেই ব্যস্ত থাকি । ফরীদির মৃত্যুতে দারুন শকড হলাম ।
যাই হোক কবি সায়েম মুন ফিল্ডে প্রয়োজনীয় ছবির পাশাপাশি ফুল ফল লতাপাতার ছবিও তুলেন ।তুলে ভীষণ মজা পান ।কয়েকমাস কাজ শেষে ঢাকায় ফিরে এলাম । সরকারী চাকুরী সবকিছুতে বাংলার প্রাধান্য ।বাংলা টা্ইপ শিখতে হবে । আগেই কবিতা লিখার চেষ্টা করতাম । সবমিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম ব্লগিং করবো । সুপ্রিয় কবি সায়েম মুন তো দারুন খুশি । সামহুয়ারইন ব্লগের প্রশংসায় পঞ্চমুখ । তারপর আস্তে আস্তে লিখা শুরু করলাম । তারপর ব্লগিং শুরু হলো ।সংক্ষেপে বলতে গেলে ব্লগিং এর শুরু আমার এভাবেই ।আগামী কাল ফরীদির মৃত্যুবার্ষিকী তাকে শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করি । বিশেষ করে কবি সায়েম মুন তার প্রতিও দারুন কৃতজ্ঞ আমি ।সোজা বাংলায় ওর হাত ধরেই তো আমার ব্লগার হয়ে ওঠা । আবারও কবি সায়েম মুন আগের মত ব্যস্ত হয়ে ওঠবেন ব্লগে এই কামনা থাকলো ।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ দুপুর ১:০৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



