
আমাদের দু'জনার বাস কেবল বাস্তবের ধরণীতে
তবু কেন অলীক সমীকরণ সৃজ মিথ্যে অজুহাতে?
তুমিতো চন্দ্র- সূর্য নও কোন অসীমের আকাশে!
তুমি এক পশলা বৃষ্টি হতে পারো এ হৃদয় ঘেষে।
মায়াবী ভ্রমে দূরতম নক্ষত্র তুমি — এ মনের উঠুনে
তবু যে হৃদয় ছুঁয়ে যাও ফুলেল অবগাহনে— প্রাণে।
আমি তো দেখি পুঞ্জীভূত মেঘ জমে আছে তোমার প্রাণে —অভিমানে
আছে ভালবাসার অনুদান বিস্তর তোমার ওখানে —উদাসী বাতায়নে।
তুমি তো কোমলমতি তবে কেন দূর থেকে ঢালো মায়া
ভেবে ভেবে এ হৃদয় জুড়ে নামে যেন অমাবস্যার ছায়া।
সময় ছুটে চলে ঝরণার জলের মত অথৈ সমুদ্রে
শিশুরাও যে ওঠে বেড়ে সময়ের ক্রমাগত রৌদ্রে।
যদিও আমাদের দুজনার বাস একই পৃথিবীতে;
আমরা ভেসে বেড়াই একই সময়ের পাখাতে,
তবু কেন আমাদের ঘিরে কেবলই হয় কল্পনা
কি তোমার ব্যস্ততা সদা কি কাব্য করো রচনা?
অসমতার ব্যারোমিটার ভেবে বাড়াও যাতনা ।
যদি তুমি গড় নিবাস ঐ হিমালয়ের দূর শিখরে,
প্রর্থনা করি ভূমিধ্বস হোক তব হৃদয়ের মন্দিরে;
ভেঙে চূর্ণ বিচূর্ণ হয়ে ঢাল বেয়ে নেমে আসুক
এহৃদয়াকাশে শরতের শাদা মেঘ হয়ে ভাসুক ।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ দুপুর ১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




