
শোন,
তাদেরও
অধিকার আছে ঢের;
ভালোবাসার অধিকার—অনেকের।
যারা আমাকে দেখবে বলে
আমার সঙ্গে কিছুটা সময় কাটাবে ভেবে
আজো আছে পন্থ চেয়ে —অসীম কৌতুহলে
তাদের হাতে নিষ্কাম ভালোবাসার প্রস্ফুটিত লাল গোলাপ
ওরা কোন বিনিময় চায়নি ওরা নিষ্কাম ভালোবাসা খুঁজে
ওরাও তো স্নেহ খুঁজে ছোট্ট শিশুটির মতন
সেই নিস্বার্থ ভালোবাসা টুকু
আমার কাছ থেকে—
হয়তো ওরা পায় অথবা চায়
আমার কামনা ভালবাসার দ্যুতনা
আমার হাতে তুলে দিতে ওদের চেষ্টার ত্রুটি ছিলনা
ব্যর্থ হয়ে অবশেষে ওদের অনেকে নিজেকেই
সপেছিলো আমার কাছে —আমার
শূন্যতা ঘুচাতে ।
ফুলের মতো নিষ্পাপ ভালোবাসা— এই ললাটে
অনেক জুটেছে, পুঞ্জিভূত মেঘের মতো
আমার বুকে জমেছিল অভিমান—একদিন অনেক পরে
সেই হৃদয়হীনার হৃদয়টাও কেবল আমারই হয়েছিল
আমি তখন লাশকাটা ঘরে হৃদয়ের ব্যবচ্ছেদ করি
আমি তখন কৃষ্ণের মতন রাধার থেকে অনেক দূরে
নিজের বসত গড়ি—সেই শূন্যতা বুকে নিয়ে
হৃদয়হীনা আজ পেতেছে সংসার
পৃথিবীর সব ফুল যদি ফোঁটে
আরো যত পাখি যদিও
ওঠেগো ডেকে
তবু তার ঘর—শূণ্যতার
অতল গহবর —বুঝিতেছে সে ক্ষণে ক্ষণে
জ্বলিতেছে তার তুষের আগুন মনে —আর ঢের বুঝিতেছে
আমি ছাড়া তার হৃদয়ের কী পরিণাম
রাধা যখন কৃষ্ণহারা রাধা যে
পাগলপারা—পৃথিবীটা
তার —মহাশূন্য লাগে
সময় কেবলই আততায়ি ক্ষণ
অতীব মূল্যবান লাগে প্রাণে তাতে
অযতনে হারানো রতন
হারিয়ে শেষে—
রাধা যখন—
কৃষ্ণ হারা
রাধা তখন—
দিশেহারা
সুখ তার—
নেই যে মনে
জীবন নামের—
অনুরণনে ।
ব্যথা তাঁর
ছুঁয়ে যায়
অনন্ত
আকাশ।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে জুলাই, ২০১৮ সকাল ১০:২০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



