
কাঠফাটা রোদেও অবশেষে বৃষ্টি নামিলো
কবিতার আহবানে যেন প্রকৃতি সাড়া দানিলো।
প্রিয়তমা তুমি কী দেখনি ভালোবাসার বৃষ্টি ?
এর চেয়ে ঢের মধুর পারে কী হতে কোন দৃষ্টি?
তাই বলি অহংবোধের আভরণ খুলে ফেল
তোমার ঐ দেহ থেকে—
এখনি মুক্ত হও পার্থিব সব ম্যুহ থেকে।
জীবনটা যেন ক্ষুদ্র এক জলবিন্দু পদ্মপাতার বুকে
টলোমলো করিতেছে কখন যে যায় তা ফুরিয়ে।
বুকের বাঁপাশটায় ঢিব ঢিব করে জ্বলে ভালোবাসার বাতি
তুমিহীনা মৃত যেন তা— শত সাধনার নিরব সমাধি।
জানি না কেন যে তোমাকে চাই
তবু তোমাকে কবিতায় বলে যাই
তুমিহীনা পৃথিবীতে বেঁচে থাকাই যেন দায়
যদিও তুমি নাই নয়নের সমুখে
তবু কীভাবে যে গড়ো বসত—আমার এই অবলা বুকে।
কাছে এসে দেখে যাও—সতত মোরে ভালোবেসে যাও।
এই নাও লাল গোলাপ—এই নাও শাদা রজনীগন্ধা
ভালবাসা মোর বুকে নিয়ে কাটাও ওগো প্রতিটি সন্ধ্যা।

জনতার প্রিজমে
আদালত প্রাঙ্গণ হয়ে গেল রণাঙ্গন
মানবাতার লংঘনে লাগিলো সেথা—গনগনে আগুন।
একখানি লড়াকু কলম
স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আছে সতত সোচ্চার
এই ছিল মূলত দোষতার
সঙ্গে তার করা কিছু ভুল ডালপালা ছড়ালো
ব্লগার হত্যার উষ্কানী সেই নাকি দিয়েছিলো।
অবশেষে তাকে এসে ছাত্রলীগ বল্লম আর
পাথরের বৃষ্টিতে —রক্তাক্ত করে দিলো।
কেহ একে বলে দিলো
ব্লগার হত্যার উষ্কানী দাতার
থোতা মুখ ভোঁতা হলো।
কেহ বলে আইনের অপলাপ
আদালত অবমাননার চূড়ান্ত একধাপ।
আদতে স্বৈরাচার অবলীলায় দিলো দেখিয়ে।
পুলিশ নির্বিকার চিত্তে দেখলো দাঁড়িয়ে
বিবেকের ঝান্ডা গেল কোথা হারিয়ে!
যার ফলে রক্তের বৃষ্টি ঝরিলো বাংলার আঙিনায়
এখন আর এখানে মানবতার—লেশমাত্র বাকী নাই।
যে যাহাই ভাবুক —ভিন্নমত থাকতেই পারে
ত্রিমাত্রিক প্রিজমে কতকিছু ধরা পড়ে ।
আমরা মুক্তমনা দাবী মোদের ন্যায় বিচারের
ঘটনার প্রেক্ষিতে উপসংহার হতে পারে একটাই
এই সব জালিমের —এইবার শেষ চাই ।
ওরা নহে কোন মানবের সন্তান
বীর জনতা জাগো হে এইবার দানো গো মুক্তির শ্লোগান।
নিনাদে প্রকম্পিত হোক সারা বিশ্ব
স্বৈরাচারের ক্ষমতার উৎস হয়ে যাক নিঃস্ব।
নব্য রাজাকার রাজাকারী আর করিস না
রাজাকারী করিলে পিঠের চামড়া থাকবেনা।
স্বৈরাচার নব্য রাজাকার এখনই বাংলা ছাড়।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জুলাই, ২০১৮ বিকাল ৫:৫৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


