
চাঁদেরও অভিমান হয়!!—তা্ই বুঝি অমাবস্যার ঘুটঘুটে আঁধার নামে
অবলা অবনীর বুকে—
সময়ের পরিক্রমায় তবু পূর্ণিমা হয়
নিয়নের আলোর আভা থেকে ক্ষুদ্র চাতক ঠিকই খুঁজে নেয়
চাঁদের রুপোলী আগুন।
চাঁদ কী জানেনা—চাঁদের অভিমান করতে নেই
ক্ষুদ্র চাতকের কাছে; চাঁদ যে তার ভালোবাসার আকাশ হয়ে গেছে।
আর ভালোবাসতে বাসতে ক্ষুদ্র চাতক আজ ধ্রুবতারা হয়ে গেছে আকাশের বুকে।
ভালোবাসার ডাকে অভিমান ভেঙে যায়- অভিমান উবে যায় কর্পূরের মতন।
অভিমান হাওয়ায় ভাসতে থাকে পেজা তুলোর মতো দখিনের বাতায়নে
অভিমানী চাঁদ বধূয়া সাজতে থাকে-সঙ্গম কামনায়
চাতক কী মরে কভু বৃষ্টির জল না পেয়ে
অভিমান ভেঙে আকাশটা কাঁদতে জানে
অভিমানী আকাশ জানে। ক্ষুদ্র চাতক ভিজবে বৃষ্টি জলে
করবে তারে পান; বৃষ্টি তার আকন্ঠ সুমিষ্ট শীতল জল তৃষ্ণা হারাবার।
তুমিতো চাঁদ অথবা আকাশ
অভিমান ভেঙে এসোগো আমার বাহুডোরে.
...নাহলে অভিমান নিয়েই এসো তবে
অমন প্রগাঢ় অভিমান তাঁর থাকে— যে ভালোবাসে ধ্রুবতারার মতো
অমোঘ ভালোবাসার পরিণতি নহে বিচ্ছেদ
ভালোবাসার শক্তিতে—অভিমান খসে পরে তারাখসার মতন
হয় অভিষেক মিলনের।
অবশেষে ভালোবাসা থেকে যায় অপরাজিত
সোনার মেয়ে রুপোর রূপে সান্ধ্য প্রদীপ হয়ে না হয় এসো—হৃদয়ে আমার
চলো লিখি অমর কবিতা!!!!——— তুমি আমি মিলে
চলো করি ভালোবাসা শুধু দু’জনে মিলে.....আকাশের বুকে যেমন ধ্রুবতারা
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা ডিসেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৫:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


