ঝরা পাতার কাব্য গুলো
লকডাউনে বন্দী থেকে
বিবেকের কাঠগড়ায় যেন এসে দাঁড়ায়
মানুষ কদিন বাঁচে প্রশ্ন জাগে মনে
বেঁচে থাকার আশা তবে কী এখন দূরাশা
সুন্দর এই ভূবনে, মরিতে কে চায়!
বলো
তবুও তো থামে না হায় পাপের উপাসনা
তাই অসততার কাব্য গুলো
দিনে দিনে যেন হয় প্রকটতরো !
তবুও তো দেখি বিদ্বেষ হানাহানি রোজ
অদ্ভুত অমানবিক বোধে ভরা খবরের কাগজ।
প্রহসন যেন তাতে ক্রমাগত স্পষ্টতরো
কি হতে পারে মরণের ও পরে
কেউ লইলো না তার খোঁজ
তবুও খুন তবুও ধর্ষণ তবু ও লুট ত্রাণ,
খুবই সন্নিকটে থেকে শুনেও মৃত্যুর আহ্বান
মনে হয় কেউ বাঁচবে না আর।
প্রতিদিন চারহাজার পরীক্ষায় পাঁচশত আক্রান্ত,
বিশ কোটি মানুষের দেশের
এ যেন নিত্য সচিত্র বৃত্তান্ত;
সহজ সরল মানুষ গুলো তাতে রোজ বিভ্রান্ত।
কোভিড নাইনটিন আক্রান্ত যাচাই শেষ হতে হতে
এই মরণ উপত্যকায় থাকিবে ক'জনে বেঁচে
তার নেই কোন সদুত্তর,
প্রহসনী ক্ষমতার মসনদ যেন বিভ্রান্তি ছড়ায়
দলকানাদের লোকদেখানো বিজ্ঞাপনে ছেয়ে
গেছে গোটা দেশ,
তাদের আচরণে তাদের কর্মকাণ্ডে
দেশ প্রেমের নেই কোন লেশ,
এদেশের মানুষের প্রাণে তাঁরা শুধু ছড়ায় বিদ্বেষ।
অসাধুতা এখনও নেই কিন্তু থেমে
বারে বারে মনে হয় এ যেন অনিয়মেরই দেশ।
এখানে রাজনৈতিক স্বার্থ সিদ্ধির
নেই কোন শেষ, এটা দল কানারই দেশ।
চোখ থাকতেও অন্ধ তাদের বিবেক দ্বাররূদ্ধ।
মুখে তাদের শেখানো বুলি যেন তোতাপাখি
পাখির মতো মেধা দিয়ে রোজ ডাকাডাকি
আসলে তারা পরাধীন মৃতদেরই মতো।
কোভিড নাইনটিনের চেয়ে ঢের বেশি
বিষাক্ত ভাইরাসে আজ তারা আক্রান্ত ।
হয়তো তারা এখনো নিজেদের ভাবে অমর
তাদের কাছে হয়তো এখনও পৌঁছে নি
উত্তর কোরিয়ার খবর, শয়তানের অক্ষ থেকে
ঝরে গেছে তাদের মতো বিলাসী এক অবতার,
এখনও সময় আছে তাই সাবধান হুঁশিয়ার!!
একা একা লুটে খাওয়ার লোভ এবার ছাড়ো
ভয়ানক এই দূর্দিনে জাতীয় ঐক্য গড়ে
দূর্নীতির আর বিভেদের লাগাম
এবার টেনে ধরো;
এখনো সময় আছে,
এর অন্যথা হলে রক্ষা নেই আর।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

