Being Human... Part-2
এ ব্যাপারে আমার ভাবনা একটু ভিন্ন। আমি সুবিধাবঞ্চিত মানুষ নিয়ে ভাবি, কিন্তু তাদের গোটা সংখ্যা নিয়ে ভাবি না, আমার ক্ষমতাই বা কি! নিজের মত করে যা পারি, যতোটা পারি ততোটা যেন ঠিক মত করতে পারি! সবার জীবনে আলো জ্বালাতে হবে এমনতো নয়...বা জ্বালাবো এমন সাধ্য কই...তাই বলে কিছু মূহুর্তের জন্য, কিছু মানুষের মুখে হাসি ফোটাঁবার যে সামর্থ্য আমার আছে, তা সমগ্র সমস্যার কথা ভেবে বা সবার জন্য করতে পারছিনা বলে, দুঃখে কাতর হয়ে বাকীদের বঞ্চিত করব কেন!
কত ভাবেইতো মানুষের মুখে হাসি ফোটাঁনো যায়। আমরা যে মানুষ, মানুষ হিসেবে আমাদের যে একটা দ্বায়িত্ব আছে এটা মাথায় রেখে একটু দাগের বাইরে পা ফেলতে হবে, ভাবতে হবে নিজেকে অন্যের জায়গায় বসিয়ে। মুখ বাঁকিয়ে চললে চলবে না, মানুষকে আপন করে নিতে হবে, ভাবতে দিতে হবে যে আমি তোমাদেরই একজন। আর কিছুনা হোক শুধু একটু আন্তরিক আচরণ, একটু উষ্ণ দুটো কথা...এও কিন্তু অনেকের মুখে হাসি ফোঁটাতে পারে, তাইনা?
আমি যে পাচঁতারা হোটেলে কাজ করি, সেখানে সৌদি এরাবিয়া এয়ারলাইন্সের ক্রুরা প্রতিদিন দুই গ্রুপে থাকতে আসেন। তো স্বভাবতই সৌদি থেকে বাঙ্গালিরা এদের মাধ্যমে দেশে স্বজনদের জিনিসপত্র পাঠান। আর এই জিনিসপত্র যারা নিতে আসেন, তারা বেশীর ভাগই নিতান্তই সাধারণ মানুষ, কাপড়ে চমক নেই...নেই ইংরেজীতে কথা বলার জ্ঞান, শুধু ওদের হাতে থাকে একটুকরো কাগজ, যাতে লেখা থাকে ক্রু’র নাম বা আইডি নাম্বার। আমাদের ব্যস্তদিনে এরা সেই কাগজ হাতে বারবার জানতে চায় যে সেই ক্রু এসছে কিণা বা এসে থাকলে একটু কথা বলে দেয়ার জন্য। কিন্তু আমার বেশ কিছু কলিগই ওদের রুম নাম্বার দিয়ে হাউস ফোন দেখিয়ে দেয়। তখন সেই লোকগুলোর চেহারায় দেখা যায় অসহায়ত্বের ছায়া...কারন ও যে ইংরেজী জানে না, পাঁচতারায় পা দিয়ে এমনিতেই তো হীনমণ্যতায় ভোগে, তার ওপর এই ইংরেজীর যন্ত্রণা! আমি সামনে থাকলে প্রথমেই কলিগকে ইংরেজীতে জিজ্ঞেস করি লোকটা স্যুট পরে এলেও কি ও একই আচরণ করতো? তারপর এগিয়ে যাই ফোনে ওদের মধ্যে যোগাযোগ করাতে। দেখতে পাই আমার এই হীনমণ্যতায় ভোগা দেশী মানুষটার চোখে কৃতজ্ঞতার ছায়া!
এতো গেলো একটা উদাহরণ...এমনি ঠিক অনেক ছোট ছোট কথা, চিন্তা, ইচ্ছা বা ঘটনা দিয়ে আমরা অন্য মানুষদের খুশী করতে পারি, পারি দাড়াঁতে অন্য মানুষের পাশে। আরও যেটা পারি সেটা হচ্ছে, আমারা যে মানুষ সেটা বাকীদের জানান দিতে। কে জানে হয়তো যারা মানুষের ঘরে জন্মে আজও মানুষ হয়ে উঠতে পারেনি, তাদেরও মানুষ হয়ে ওঠার ইচ্ছে জাগতে পারে!
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন
ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।
শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন
মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪
মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।
মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।