কখনও কখনও চারপাশটা বড্ড বেশি ঘোলাটে লাগে। শূন্য একা মনে হয় নিজেকে। মনে হয় পৃথিবীতে দুঃখী মানুষের তালিকাটা শুধু নিজেকে দিয়েই পূর্ণ। চারপাশে অনেক আনন্দ হাসি সবই পর মনে হয়। মনে হয় ওগুলো শুধু গোটা কয়েক মানুষের জন্য। সময়টাকে একটু সামনে এগিয়ে নিতে. বা একটু পিছিয়ে নিতে ইচ্ছা করে। অন্তত এই সময়টা থেকে মুক্তি পেতে ইচ্ছা করে। কি করে সব দুঃখ কষ্ট একটা মানুষের হতে পারে? সবাই কত সুখী।ভাবনাগুলো যখন এমন এলোমেলো ঘোলাটে হয়ে যায় .তখনও পাশে কাউকে পাওয়া যায়। ভাল থাকতে অনেক কিছুর দরকার নেই। নিজে তো আছে নিজের সাথে। একটু ভাবলেই হয় পৃথিবীটা অনেক সুন্দর। মন থেকে চাইলেই ভাল থাকা থাকা যায়। অকারনে হাসলে , অকারনে ভাল থাকলে ক্ষতি কি? যেখানে মন খারাপ করে থাকাটা শুধু কষ্টের পাল্লাটাই ভারি করে .সেখানে মন খারাপ জিনিসটা জীবনে আনার কি দরকার? একটু চারপাশে তাকিয়ে রঙিন সুখগুলো .গায়ে মাখিয়ে নিলে কিইবা ক্ষতি হয়? জীবনটা সাদা কালো করে রাখার কি দরকার? খুব কষ্ট লাগলে কেঁদে ফেললেই হয় প্রাণ ভরে। পরের সময়টা অনেক ভাল থাকা যায় তাতে। মনের মধ্যে কষ্ট চেপে রেখে নিজেকে শাস্তি দেবার কি দরকার? কষ্টগুলোকে মুক্ত করে দিলেই হয়। সবার মাঝে ভালবাসা বিলিয়ে দিতে পারলে কষ্টটাও পারা যায়। যে ভালবাসার সঙ্গি হতে পারে, সে কষ্টের সঙ্গিও হতে পারে। হাত বাড়িয়ে সুখগুলো ধরলে কেউ মানা করবে না। কেন সুখের আসার অপেক্ষা করতে হবে? চারপাশে যে আনন্দ আছে তা থেকে একটু খানি নিলে দুঃখ লাগবে না। বরং কষ্ট গুলো অদৃশ্য হয়ে যাবে। কারণ ছাড়া মন খারাপ করে যারা থাকেন .তারা একটু দেখুন না কারণ ছাড়া ভাল থেকে। দুঃখ গুলো কমে যাবে। যা ঘটে গেছে তা নিয়ে হাঁ হুতাশ না করে সামনে এগিয়ে গেলেই হয়। "যায় দিন ভাল" চিন্তা থেকে বেরিয়ে এসে এখন যা আছে সাথে .বা ভবিষ্যতে যা আসবে সেটাকে ভাল ভাবতে শিখলে জীবনটা অনেক সুন্দর হবে। টেনশন , মন খারাপ এসবে যদি কোন লাভ থাকত। তাহলে পৃথিবী সুদ্ধ মানুষ সারাদিন বসে বসে টেনশন করত আর মন খারাপ করে থাকত। মন খারাপ করার মত কিছু ঘটলে .একটু সময় formality দেখিয়ে মন খারাপ করুন। তার মানে এই না সেই জিনিসটা নিয়ে সারাদিন, সারা সপ্তাহ, সারা মাস , সারা বছর মন খারাপ করে থাকতে হবে। জীবনটা অনেক সুন্দর। শুধু শুধু ঘোলাটে বানানোর দরকার নেই।" হাসলে আয়ু বাড়ে " সত্যি বাড়ে কিনা আমার জানা নেই। তবে হাসলে ভাল থাকা যায়। কষ্টের স্মৃতি গুলো সামনে না এনে ভাললাগার কথা গুলো চিন্তা করলে খুব খারাপ হয় না। এমন মানুষ নেই যার জীবনে ভাল কিছু ঘটেনি। তবুও আমরা নিজেদেরকে দুঃখী ভাবতে পছন্দ করি। নিজের কষ্টটা অন্যের থেকে বড় বেশি বেদনাদায়ক .প্রমাণ করার চেষ্টায় ব্যস্ত থাকি। কিন্তু একটা বারের জন্যও নিজের সুখটাকে বড় করে দেখি না। যে জীবনটাকে এক নিমিশেই কষ্টের বানিয়ে ফেলতে পারি শুধু একটু ভাবনার কারণে।সেই জীবনটাকে কেন এক নিমিশেই সুখের ভাবতে পারছি না। ভাবলেই ভাবা যায়। মন থেকে চাইলেই ভাল থাকা যায়। প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে কষ্ট আছে। ঠিক তেমনি সুখও আছে। হাসি আছে, কান্না আছে। থাকবে। তবে কেন শুধু দুঃখ নিয়ে ভাবনা? সুখের কথা চিন্তা করলে সমস্যা কি? স্মৃতি তো স্মৃতিই। যা ঘটে যায় তাই স্মৃতি। দুঃখের জিনিস না ভেবে সুখের গুলো ভেবে একটু ভাল থাকি সবাই। কষ্ট আসলে গ্রহণ করে বলতে হবে, না এমন হয়েই থাকে। নিজেকে অভিশাপ না, নিজের প্রতি বিশ্বাস রাখতে হবে। ভাল থাকা, ভাল কিছু করা নিজেকে দিয়ে সম্ভব। সব কিছু নিয়ে possitive চিন্তা করা উচিৎ। যা হারিয়েছে তা খারাপ ছিল, যা আসছে তাই ভাল। যা ঘটবে তাও ভাল। যদি দুর্ঘটনা ঘটে তবে ভেবে নিতে হবে ওটা স্বাভাবিক ছিল। হবার কথা তাই হয়েছে। be possitive and be happy.ভাল থাকা নিজের ভাল লাগার উপর নির্ভর করে। আর ভাল লাগাটা পুরপুরি মনের উপর। সারাদিন হতাশ হয়ে না থেকে , ভাল থাকার চেষ্টা করলেই ভাল থাকা যাবে। যেই মুহূর্তে হতাশা মন থেকে চলে যাবে সেই মুহূর্ত থেকে আপনি সুখী, আমি সুখী, আমরা সুখী। নিজেক সবসময় দুঃখী ভাবা একটা মানসিক রোগ। সব কিছু নিয়ে খারাপ ভাবা তাদের ভিতরই আসে। নিজেকে সুখী ভাবলে , সব কিছু নিয়ে ভালভাবে চিন্তা করলেই ভাল থাকা যায়। একটা দিন করে দেখুন কাজটা। যদি ভাল না থাকেন তবে আগের অবস্থানে ফিরে আসবেন। হতাশ হবার মানসিকতা থেকে বের আসলে পৃথিবীটা সুন্দর লাগবে।
আলোচিত ব্লগ
সব হারিয়েও বেঁচে থাকা: একজন রোকসানা রুমার নিঃসঙ্গ গল্প

জীবন আসলে বড় অদ্ভুত এক গোলকধাঁধা। আমরা ভাবি মেধা, ডিগ্রি আর সাফল্য দিয়ে পুরো জীবনটা সাজিয়ে ফেলা যাবে। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম পরিহাস মানুষকে কোথায় এনে দাঁড় করায়, তা কেউ জানে... ...বাকিটুকু পড়ুন
মিটারে টাকা ভরতে গিয়ে এ কি হলো আমার সাথে। না পড়লে চরম মিস।
বিদুৎ মিটার, দুই প্রকার। এক হচ্ছে প্রিপেইড আরেকটি পোস্ট পেইড। আমার কাছে পোস্ট পেইড ভালো লাগে। কারন এখানে বিলের কপি দিয়ে যায়। ও বিলের কপি নিয়ে ব্যাংকে গিয়ে জমা দিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
=নীলাম্বরী সেজে আছি=

এই এসো না কাছে এসো,
নীল শাড়ীতে নীলাম্বরী
ঠায় দাঁড়িয়ে অপেক্ষাতে
এসে ভাসাও প্রেমের তরী।
নীল সমুদ্দুর ডেকেছে আজ
তাই দাঁড়িয়ে আছি একা
এসো তুমি হাওয়ায় উড়ে
এসে করো একটু দেখা।
হাঁটতে ইচ্ছে বালিচরে,
তুমি আমার - পাশে হাঁটবে?
মনের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মূল্যস্ফীতি বাড়লে বা কমলে আমরা টের পাই না কেন ?

গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের কারণে বাংলাদেশে এখন কয়টা ঋতু আছে তা কেউ বলতে পারে না। আমার মনে হয় গ্রীষ্ম আর বর্ষার একটা মিশ্র ঋতু আছে, আর আছে শীত। এই গ্লোবাল ওয়ার্মিংয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন
মুহাম্মদ আলি জিন্না

১৮৭৬ সালে করাচিতে এক দুষ্ট বালকের জন্ম হয়।
এবং ৭৬ বছর বয়সে দীর্ঘদিন যক্ষা রোগে ভূগে- দেশ ভাগের পরের বছর মারা যান। এই দুষ্ট বালক'ই পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা। নাম তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।