
গ্রাম্য একটি প্রবাদ আছে কাটাকে কাটা দিয়েই উঠাতে হয়। মাছরাঙা টেলিভিশনের সাংবাদিক ঠিক এই কাজটিই করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে মনে করি এটি প্রশংসার দাবিদার। তবে প্রতিবেদনে ১৮ বছরের কম বয়সীদের চেহারা দেখানো হয়তো একটু ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। কিন্তু একটু ভুল কাজ করেও যদি বড় কোনো ক্ষতকে প্রকাশ করা যায় তবে সেটাই কি ভালো নয়?
ফেসবুকে দেখলাম একজন একটি ভিডিও আপলোড করেছেন। সেখানে দেখা যায়, ভিডিও আপলোড করা লোকটি যে ছেলেগুলো প্রতিবেদনে সাক্ষাৎকার দিয়েছে তাদের মধ্যে একজনের বড় ভাইয়ের সাথে কথা বলেছেন। মূলত ভিডিওটি দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন যে প্রতিবেদনটি পুরোটাই সাজানো ছিল। ওকে। গুড জব...। খবরের পেছনের খবর প্রকাশ করে আপনি নিজের স্মার্টনেস ও সচেতনতারই পরিচয় দিয়েছেন। ভিডিওটির শেষে কুরুচিকর কিছু শব্দ ব্যবহার করে সাংবাদিক সমাজকে গালিও দিয়েছেন। শিক্ষা ব্যাবস্থার ১২টা বাজার যে চিত্র প্রতিবেদনটিতে তুলে ধরা হয়েছে সেটি এড়িয়ে গিয়ে একটু কি নিজেকে ক্ষ্যাত হিসেবেই উপস্থাপন করলেন না?
সাধারণ মানুষ হিসেবে সমালোচনা আপনি করতেই পারেন। তবে সে সমালোচনার ধরণটাও মার্জিত হওয়া উচিত বৈকি।
অনেক সিনিয়র সাংবাদিকরাও এথিকস নিয়ে সমালোচনা করেছেন। যিনি প্রতিবেদন করেছেন সেই সাংবাদিক অনেকটাই অপরিচিত। চুনোপুটিও বলা চলে। তবে ওই প্রতিবেদনের এথিকস নিয়ে বুলি আওয়াচ্ছেন যেসব রাঘব বোয়াল সাংবাদিকরা তাদের এথিকস কোথায় থাকে যখন সত্য বলার প্রতিশ্রুতি দিয়েও সত্যকে চেপে যান আর মিথ্যাকে সত্য বানান! মাসের পর মাস একজন প্রতিবেদককে দিয়ে কাজ করিয়ে নিয়ে টাকা পরিশোধের সময় তালবাহানা করেন! দায়সাড়া ভাব দেখান! প্রতিশ্রুতি দিয়ে শ্রম শোষণ করেন!
এটা তো এথিক্যাল। তাই না দাদা?
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা জুন, ২০১৬ দুপুর ২:০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



