somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কেন এমন হয় ??

১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৪ রাত ১:২২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার বয়স খুবই কম , অত বড়দের কথা বলার ট্যালেন্ট আমার নাই। কিন্তু, তবুও আমার দেখা ও শুনা ,আমার আশেপাশে ঘটে যাওয়া একটা গল্প শেয়ার করতে যাচ্ছি । যা অনেকদিন নিজের ভিতর দমে রেখেছিলাম কিন্তু আজ না বলে আর পারলাম না,তবে মানুষগুলোর নাম বলতে পারবো না কনফিডেন্সিয়াল।
গল্পটি একটি মেয়ে কে নিয়ে লিখা, কিন্তু মেয়েটি কে সেইটা আমার পক্ষে বলা সম্ভভ না।
বাবা-মার অনেক আদরের একমাত্র মেয়ে। জন্মো থেকেই মেয়েটির একটা ডিফ্যাক্ট আছে।ছোটবেলা থেকে বড় হতে হতে মেয়েটির তার শারীরিক ডিফ্যাক্টের কারনে,ছোটকাল থেকেই মানুষের কাছে সে ডিফ্যাক্টের জন্য অনেক কথা শুনে আসছে। মানুষ অনেক কথাই বলেছে, বলেছে দেখ মেয়েটি এমন!!! সে কীভাবে কাজ করে?চলবে কীভাবে? আবার অনেকে বলেছে মেয়েটার অপারেশন করলেই তো ঠিক হয়ে যাবে। যাই হোক বিষয়টা অত গভীর না যে্‌ মেয়েটি তার দেহের ওই অঙ্গ ছাড়া বাঁচবে না। একচুয়ালি এটা কোন ম্যাটারই না, অনেকের কাছে সেটা দেখতে অসুন্দর হতে পারে ,কিন্তু যদি ওভারঅল দেখা যায় , ওইটা কোন বিষয়ই না।কারন ,সে সব কিছুই করতে পারে , আমাদের মতই প্রচণ্ডরকম নরমাল ।
Its just that she can't show off.
মেয়েটি দেখতে খুব সুন্দর , অনেক ভদ্র তবে রেগে গেলে মাঝে মাঝে বদমেজাজিও বটে এবং প্রতিভাবান একটি মেয়ে ।সে খুব সুন্দর গানও গায়।
কাহিনীটাকে অনেকটা এগিয়ে দিয়ে বলি......
পরবর্তীতে , তার ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময়ের কথা বলি ,যেহেতু সে দেখতে খুব সুন্দর ও অনেক প্রতিভাবান, তাকে অনেক ছেলেই পছন্দ করতো। তার সেইম ইউনিভার্সিটির একটা ছেলে তাকে খুব পছন্দ করতো। তাদের মধ্যে একটা সম্পর্কের শুরু হয় । ছেলেটি অনেক কমিটমেন্ট করেছিলো, বলেছিল যে ""আমি আমরা ফ্যামিলিকে কনভিন্স করতে পারবো""।মেয়েটিও ছেলেটিকে অনেক বিশ্বাস করলো।
মেয়েটির ভার্সিটি শেষ হবার পর, মেয়েটির বাবা তার বিয়ের জন্য বলল অ্যান্ড জিজ্ঞেস করল তোমার কোন পছন্দ থাকলে সে ছেলের ফ্যামিলিকে প্রপোসাল পাঠাতে বল।
they both have decided that ছেলের ফ্যামিলি মেয়ের ফ্যামিলিকে প্রস্তাব দিবে কিন্তু যখনই ছেলেটি তার মা অ্যান্ড তার হোল ফ্যামিলিকে এই কথা বলল,তার মা "ডিরেক্টলি নো" বলে দিলো এবং ফ্যামিলিও না করে দিলো। তারা এই নিয়ে কোন কথাই বলতে চাইলো না।
কারন !! একটাই!! সেই ছোট্ট একটা ডিফ্যাক্ট !!!
যেইটা আসলে কোন ম্যাটারই ছিল না। মেয়ের পরিবার যখন এই কথাগুলো জানলো যে সুধু মাত্র একটা ছোট্ট ডিফ্যাক্টের জন্য তারা তাদের মেয়েকে এইভাবে অপমান করেছে ।
ভাবুন তো?? একবার ভাবুন !! মেয়ের পরিবার এর জন্য সেইটা ছিল কতো বেদনাদায়ক? আপনারা অনেকেই হয়তো সেটা বুঝবেন না।
সেই ছেলের আবার কতো বড় কথা ,সে মেয়েটিকে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করতে বলল, আর বলল পালালে নাকি তার পরিবারের সবাই মেনে যাবে। কিন্তু মেয়েটির জন্য এটা কখনোই পসিবল ছিল না। আর ছেলেটি জানতো যে মেয়েটি কখনোই পালাবে না, আর মেয়েটির প্যারেন্টস তো রাজিই ছিল।
আমাদের সমাজে এখনও এইরকম মানুষ আছে যারা কিনা চিন্তা করে , এইসকল ছোটখাটো ডিফ্যাক্ট থাকলে তাদের ভবিষ্যৎ জেনারেশনের প্রবলেম হবে। সব ক্রমসমের খেলা ।
যাই হোক, আমাদের উচিত এইসব মানুষদের ইন্সপায়ার করা, আচ্ছা যদি ইন্সপায়ারও না করতে পারি তাহলে নেগেটিভ ইনফ্লুএন্স দেয়া অন্তত কখনোই কাম্য নয় ।যার ফলে ,অনেক প্রান ঝরে পরে যাচ্ছে , অনেক ভাই-বোনকে আমরা হারাচ্ছি এবং তাদের সুন্দর জীবন ধ্বংস করে দিচ্ছি।
আল্লাহ্‌ই তো মেয়েটাকে এভাবেই সৃষ্টি করেছেন, আর যারা আল্লাহর দেয়া সৃষ্টিকে অবজ্ঞা করে। আল্লাহ্‌ কি তাদের ক্ষমা করেবেন?? জানিনা!! তারা কি আল্লাহ্‌কে একটুও ভয় করে না??
কেন এমন হয়??
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাদ্রাসা শিক্ষা একটা কর্মবিমুখ শিক্ষা

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:১৫

এদেশের মাদ্রাসা শিক্ষারে আপনি একটা স্ক্যাম হিসেবে ধরতে পারেন। মাদ্রাসার বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে যে মাদ্রাসাগুলো আছে সেগুলো বাদ দিয়ে অন্য সব মাদ্রাসাই এই স্ক্যামের ভেতরে। এটা একটা ভিক্ষার সাইকেল, দারিদ্র্য'র দুষ্টু... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঝর্ণা জল

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:২১


আমি ব্যস্তবতা দেখি
পানকৌড়ির সাঁতার-
কল্পনায় শুধু স্বপ্ন আঁকি,
মধ্যবিকাল ঢেউ তোলা সাগর
হতাশা ডিঙিয়ে যায়- নিরিবিলি
রাত দুপুরের বাসর।

উড়ে ধোয়া, নিঃশ্বাসে সাদা বক,
খেলা করে যে, প্রণয়ের চক-
নীল মেঘ ভীর জমায়, বর্ষা কাঁদাময়,
ভোরের ক্লান্তি দেখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিশীথের মুঠোয় - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪



আমি সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়,
হিমশীতল সকালের ভেতর নত চোখে চেয়ে আছি।
হিমার্ত জানালায় জমে ওঠে নিঃশ্বাসের মেঘ—
আঙুল বুলিয়ে মুছে দিই;,
যদিও জানি, আজ সেখানে তোমার পদচিহ্ন নেই।

শরতের বৃক্ষেরা পত্রমোচনের ভাষা জানে;
আমি কেবল তোমার... ...বাকিটুকু পড়ুন

জিম করা কি হারাম?

লিখেছেন চারাগাছ, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৬




জিম করা কি হারাম?

হ্যাঁ, জিম করা হারাম!

যদি জিমে গিয়ে নিজের পেশিবহুল বাহুডোরে কোনো ললনাকে জড়িয়ে ধরেন!

কিন্তু তারপরেও কথা থাকে।

এখানে জড়িয়ে ধরাটা হারাম। জিম করাটা নয়!

অর্থাৎ, জিমে গিয়ে শরীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রচন্ড রোদে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৫ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০০

প্রচন্ড রোদে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

রূপসী এদিক ওদিক কী খুঁজো
মনের মতো কাঙ্ক্ষিত পুরুষ
এভাবে সোনালি কতোদিন বিনষ্ট করবে
আমায় একটু ভেবে দেখো।
শূন্য হৃদয় নিয়ে কেঁদে মরি
কেউ নেই পাশে, গেছে সবাই ছাড়ি।
দরিদ্র বলে জুড়েনি তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

×