পুঁটিমাছের লেজটা কেবল একটু নড়েছিল আর তাকেই উজিরগণ বোয়াল মাছের দাঁড়ি হিসেবে আখ্যায়িত করে দিলেন। মানলাম সমুদ্রকন্যার বয়স হয়েছে, কিন্তু এটুকু তো বোঝা উচিত হাওয়াই মিঠাইয়ের কথাকে এত গুরুত্ব দিয়ে তাকে পবনদেব বানানোর কোন অর্থ হয়না!!!
তারেক রহমান এমন কোন বড় মাপের নেতা হয়ে যাননি, যাকে নিয়ে সরকারের তীব্র মাথা ব্যথা করতে হবে কিংবা তার সামান্য দু চার লাইনের কথার জন্য তাকে দেশে ফেরত আনতে ব্যতিব্যস্ত হয়ে উঠতে হবে। কারণ পৃথিবীর ইতিহাসই সাক্ষ্য দেয় রাজনৈতিক কারণে যে যতদিন জেলে থাকে সে ভবিষ্যতে তত বড় নেতা হয়ে ওঠে। তারেক রহমান বহুদিন দেশের বাইরে থাকায় তৃণমূলের অনেক বিএনপি সমর্থকই তাকে একপ্রকার বিস্মৃতই রেখেছেন। কিন্তু এই নির্বাচনের প্রাক্কালে তাকে যদি দেশে ফিরিয়ে এনে কারাবন্দী করা হয় তবে বিএনপির নিকট শুধু একটি নতুন ইস্যুই তৈরি হবে না বরং কারা অভ্যন্তরে জনাব তারেককে নানাবিধ শারীরিক নির্যাতন করা হচ্ছে।এমনকি তার জীবনও হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে এরূপ সংবাদও প্রচার করে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করা হবে। মূলত তারেককে দেশে ফেরত আনা হলে বিএনপির ভোট ব্যাঙ্কই বাড়বে কারণ টিভিতে যখন তার অসহায় চেহারার ছবি বারবার দেখানো হবে তখন আবেগপ্রবণ বাঙালির একটা বিরাট অংশই চোখের জল ফেলে আসছে নির্বাচনে ধানের শীষে ছাপ্পা দিতে আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। তাই সরকারকে বলছি, পবনদেব যাই বলুক না কেন; তাতে খুব বেশি কর্ণপাত না করে দেশসেবায় মন দিন। নতুন ভোট গোছানোর সময় আর খুব বেশি নাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




