শরত চলে গেল , হেমন্ত কড়া নাড়ছে দ্বারে। শেষরাতের ঘুম গাঢ় হচ্ছে মৃদু শীতল আবহাওয়ায়। গ্রামে হেমন্তের হাতছানিটা প্রবল। আমরা ঢাকার পশ্চিম কিনারে থাকার ফলে উন্মুক্ত হাওয়ার সুবিধা পাই যা মধ্য ঢাকার লোকেরা পায়না। আবহাওয়ার পরিবর্তনে শারীরিক সমস্যা অপরিহার্য বিশেষ করে গলা ব্যাথা, গলা ফোলা , জ্বর ,সর্দি কাশি ইত্যাদি। গলা ব্যাথার জন্য কে যেন কবে আমায় তেজপাতা জালিয়ে তার পানি খেতে দিয়েছিল ছোটবেলায়। কদিন আগে কন্যা বলল আমায় ওই ড্রিংক্স বানিয়ে দাও , গলায় ব্যাথা। ফার্মাটিসট কন্যা আমার উপর বিশ্বাস এনেছে এটাই বড় ব্যাপার। তোঁ শুরু করুন আপনার ওষুধ বানানোর প্রক্রিয়া । তেজপাতা তিনটি, লং চারটি,তিন টুকরা আদা,দারচিনি পাতলা তিন চার টুকরো এক কেজি পানিতে চুলায় দিন ঢাকনা দিয়ে ঢেকে। অল্প আচে চলুক আপনার প্রস্তুতি। ঘণ্টা দেড় দুই পরে দেখুন রং বেরিয়েছে কিনা , লাগলে পানি আরও যোগ করুন । গরম গরম নামিয়ে এককাপ পানিতে একচামচ মধু ঢেলে রাতে ঘুমতে যাবার আগে এবং ভোরে খালি পেটে পান করুন চায়ের মতো করে। রাতের তৈরি তেজপাতার পানি ফ্রিজেই রেখে দেবেন এবং সকালে তা আবার গরম করবেন। ১৮ বছরের বেশি বয়েসিদের জন্য এটি। বয়েস কম হলে মসলার পরিমান কমবে তবে ওদের জন্য তালমিছরি মিলিয়ে দেবেন। মধু শিশুদের সয়না । ডায়াবেটিক রোগীরা মধু ছাড়া পান করবেন। যারা ইন্সুলিন নেন তারা শট নেওয়ার পরে পান করবেন।তিন দিনেই দেখবেন ব্যাথা নেই আর ফোলাও কমে গেছে। যাদের অবস্থা ত্রাহি ত্রাহি তারা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় অ্যানটিবায়ওটিক নেবেন । এই পানীয় যাদের সিজন বদলে গলার সমস্যা করে তারা এখনি কদিন খেয়ে গলাকে সুস্থ রাখুন । এটা আগাম প্রতিরোধ ব্যাবস্থাও বটে। নিচের ছবি অনুসরন করুন ।


একটি বড় ভুল হয়ে গেছে , এলাচ নয় তিন টুকরো আদা দিতে হবে, আমি দুঃখিত এই ভুলের জন্য।
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ রাত ৮:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



