
সিনোভ্যাক কোম্পানি তাদের আগের শর্ত থেকে সরে এসে বাংলাদেশের কাছে আর্থিক অংশীদারি চাইছে। এ নিয়ে এখানে তাদের ট্রায়ালই ঝুলে গেছে। এ ছাড়া অন্য দেশগুলোতে চলমান চীনের টিকার ট্রায়াল থেকে প্রয়োজনীয় মাত্রায় সাফল্য পাওয়া গেলে বাংলাদেশে আর ট্রায়াল নাও করতে পারে চীনের কম্পানি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ‘যত দূর শুনেছি, চীনের সিনোভ্যাক কোম্পানি তাদের আগের জায়গা থেকে সরে এসে এখন ট্রায়ালে বাংলাদেশের আর্থিক অংশীদারি চাচ্ছে। এটি যুক্তিযুক্ত হয় না। আমরা তাদের ট্রায়ালের সুযোগ করে দিচ্ছি, সেটিই বড় কথা। এসব নিয়েই হয়তো তাদের ট্রায়ালটি ঝুলে গেছে।’
এটি হচ্ছে ঝোপ বুঝে কোপ মারা । চীনারা দুর্বল ক্রেতার সাথে এরকমই করে থাকে ।
আমার মনে হয় সরকারের উচিত চীনা ট্রায়াল বন্ধ করে দেওয়া । তারা আসলে কি দেবে টিকার মধ্যে এটাই আমার সন্দেহ এখন । রোগ শোক বাড়িয়ে আর মরার দরকার নেই বরং অন্যান্য উৎপাদকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করাই উত্তম । হয়ত আমাদের এক দুলাখ আরও মরবে কিন্তু একটা নিশ্চিত রাস্তায় হাটা বুদ্ধিমানের কাজ হবে ।
ইহুদিদের কিছু বিজনেস এথিকস আছে এই শালাদের কোন এথিকস ই নেই । বাটপাড় ।।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২০ রাত ১১:০৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


