
কক্সবাজারের উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’গ্রুপ রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। সংঘর্ষ এখনো চলছে । কুতুপালং ক্যাম্প এলাকায় অভিযান চালিয়ে নয় জন রোহিঙ্গা ডাকাতকে অস্ত্র ও গুলিসহ আটক করে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ ঘটনায় কত জন আহত হয়েছেন তা এখনো জানা যায়নি।
গলায় আটকে যাওয়া কাটার মত রোহিঙ্গা ইস্যু বিধে আছে বাংলাদেশের কণ্ঠে । বাংলাদেশে ইয়াবা মাদক পাচারের প্রধান কারবারি এই রোহিঙ্গা । আমরা খুব জোর দিয়ে চিল্লাতে পারছিনা অন্য ভয়ে । করোনাকালে আরব দেশ হতে প্রায় ৩৫০০০ কর্মী দেশে ফেরত এসেছিল । তাদের ফেরা নিয়ে বাহানা করতে গিয়ে আসল কাহিনী বেরিয়ে এল । ৭৭ সাল থেকে ৫৫০০০ হাজার রোহিঙ্গা আশ্রয় প্রার্থী হিসাবে সৌদি আরবে স্থান পেয়েছিল । কিছুকাল আগ থেকে বাংলা দুতকে সউদরা এই পঞ্চান্ন হাজার একুনে আড়াই লাখ লোককে বাংলাদেশী পাসপোর্ট দিতে বলল । বাংলাদুত অস্বীকার করল এই প্রস্তাব কারন এরা বাংলাদেশের ট্র্যাভেল ডকুমেন্ট নিয়ে সৌদিতে যায়নি । মতলব ভাল না যখন হুমকি এল হয় পাসপোর্ট দাও নাহয় বাইশ লাখ শ্রমিক ফেরত যাবে । ব্লাকমেইলের মর্মান্তিক উদাহরন । আমরা সহ্য করে আছি আমাদের স্বার্থে , সরকারও তাই । আফগানের তালিবান হেরোইন , কোকেন পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে ভারত ,বাংলাদেশে সাপ্লাই দিত যা দেশের পোর্ট দিয়ে পশ্চিমে পৌঁছাত । রোহিঙ্গারা এমফিটামিন এনে বিমানের মাধ্যমে হংকং পউছাচ্ছে। ইয়াবা সস্তা তাই বাংলাদেশই একটা বড়সড় মার্কেট । আমরা চাইলেই এদের সরাতে পারিনা কারন মুসলিম উম্মাহ তখন প্রধান ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে ।
সরকার অসহায় , কিই ই বা করার আছে । আমাদের স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে এবং করবে এই রোহিঙ্গারা । খোজ নিয়ে দেখুন মায়ানমার এদের খেদালো কেন।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


