
১৯৬৯ সালে এভাবেই – ঠিক যেভাবে তুমি চিৎকার করে মুষ্টিবদ্ধ হাতে ক্রোধ উগরে দিচ্ছ আমরাও তোমার মত স্কুল ছেড়ে রাজপথে নেমে পাকিস্তানী জুনটার বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেছিলাম । সেই সময়ে সুখে থাকা – তখনও মায়ের কাছে শুতাম , স্কুলের পড়া ঠিক করে ক্লাসে যেতাম , সেই আমরা - ঠিক আজকে যেমন তোমরা একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে হাত তুলে দিয়েছ তেমনটি হয়নি । তখনতো পাকিস্তানী পুলিশ আর সেনাদের বিরুদ্ধে ৬ দফা আর মুজিবের মুক্তি চেয়েছি । আজ তোমরা দেশী নির্যাতকের বিরুদ্ধে গর্জে উঠেছ । কোন বিদেশি সেনা নেই নেই কোন দাবি নেতার মুক্তিতে , আছে একরাশ ঘৃণা বুক ভরা ধর্ষকের বিরুদ্ধে আর আছে নিরব যাতনা , কান্না রাতের অন্ধকারে বালিশ ভিজিয়ে ।
বালিকা ! তোমার এই ক্রোধ ভরা , চোখ পাকানো তীব্র ঘৃণাহত দৃষ্টি , একধরনের অরাজকতার বিরুদ্ধে – অসাধারন । তুমি জেগে ওঠো বট – পাকুড়ের ছায়ায় , কচি ধানের ক্ষেতে , আসন্ন সরিষার হলদে আবরনে । তুমি এই ঘৃণা নিয়ে জেগে ওঠো রাজপথে শাসকের বিপক্ষে – অক্ষমতার সোনালি কেদারায় আবিষ্ট মূর্তিমালায় , তোমার দ্রোহ দেখে আমার হয় হিংসে কেননা আমি পারিনি তোমার মত উঠতে জ্বলে , বিলিয়ে দিতে সোনালি তারুন্য ।
তোমার জ্বলে ওঠা দৃষ্টির কাছে হোক পরাজিত ধর্ষক ও তাদের পালক , ছাই হয় যেন তাদের চৌদ্দ গোষ্ঠী ।
© শাহ আজিজ ১১/১০/২০
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:১৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

