
ট্র্যাম্পের তামাশার জবাব হল জর্জিয়ায় ভোট গুনে কোন অনিয়ম পাওয়া যায়নি , বাইডেন জিতেছে ।
আজ খুব হতাশা আর অপমানিত মুখ নিয়ে বাইডেন বললেন আমেরিকার উপর বিশ্বের আস্থা নষ্ট হয়ে গেল ।
জর্জিয়ার ঐতিহাসিক প্রথম রাজ্যজুড়ে নিরীক্ষা পুনরায় নিশ্চিত করেছে যে রাজ্যের নতুন সুরক্ষিত কাগজ ব্যালট ভোটদান পদ্ধতি সঠিকভাবে গণনা করেছে এবং ফলাফলের প্রতিবেদন দিয়েছে। এর কৃতিত্ব আমাদের কাউন্টি ও স্থানীয় নির্বাচন কর্মকর্তাদের। তাঁরা স্বল্প সময়ের মধ্যেই এ বিশাল কাজ শেষ করে ফেলেছেন।
জর্জিয়াতে মোট ইলেক্টোরাল কলেজ ভোটের সংখ্যা ১৬। সিএনএনের খবরে বলা হয়, জর্জিয়ায় বাইডেন ১৬টি ইলেক্টোরাল ভোট পেলেন। এ নিয়ে তাঁর ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা দাঁড়াল ৩০৬। আর ট্রাম্পের ইলেক্টোরাল ভোট ২৩২। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট হতে কোনো প্রার্থীর ২৭০টি ইলেক্টোরাল কলেজ ভোটের দরকার হয়। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল নির্ভর করে মোট ৫৩৮ জন ‘ইলেক্টর’ বা নির্বাচকের ভোটের ওপর। প্রতিটি রাজ্যের জনসংখ্যার ভিত্তিতে এসব নির্বাচকের সংখ্যা নির্ধারিত থাকে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের রিপাবলিকান শিবির আক্ষরিক অর্থেই দ্বিধাবিভক্ত হয়ে আছে। দলের নেতাদের মধ্যে বিভাজনের রেখা সুস্পষ্ট। এই বিভাজনের কেন্দ্রে রয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাঁর প্রতি রিপাবলিকানদের নিবেদন কোন মাত্রার হবে, তা নিয়েই এখন দলটির মধ্যে মূল দ্বন্দ্ব।
নির্বাচনের ফল চুরি করা হয়েছে মর্মে ট্রাম্প যে দাবি করে যাচ্ছেন, তাকে সমর্থন দেওয়া-না দেওয়া নিয়ে এই দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্য হয়ে উঠছে।
মার্কিন জনগণকে বিভক্ত করে নষ্ট স্বভাবে ঠেলে দিল ডোনালড ট্র্যাম্প ।।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ১২:৩৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



