
অবাক চোখে তাকিয়ে দেখছি গরুর ভুঁড়িটা নিয়ে গরম পানি চুন দিয়ে ধুয়ে ফেলছে একজন । ওখানে কিছু পোকা ছিল । সেগুলো ধুয়ে ফেলা হল । কেমন একটা অদ্ভুত টেক্সচার গরুর ভুঁড়ির ভিতরে । কোরবানির দিনের ভরা সন্ধ্যায় খুকির মা বসলো সেই ভুঁড়ি কাটতে । ছোট ছোট করে কেটে পাত্রে রাখছে ।
মা ঘেঁষা আমি রাতের বেলা দেখলাম লোহার কড়াইতে কাটা মশলা দিয়ে সেই ভুঁড়ি চুলায় চড়িয়ে দিলেন ।
দুদিন বাদে খেয়াল করলাম সেই ভুঁড়ি ভুনা সবাই খাচ্ছে । মা বললেন ঝাল বেশি তুই খেতে পারবিনা । আমি যে পোকা দেখেছি তাতে আমার খাওয়ার ইচ্ছা একদম নেই ।
আরেকটু বড় হলে এবার মা বললেন পোকা মানে কৃমি আমাদের পেটেও আছে আর ওটা গরম পানি চুন দিয়ে ধুলে কিছুই আর থাকে না । বেশ তিনদিন বাদে আমি সবার সাথে টেস্ট করলাম , বাহ বেশ তো !
পরদিন দেখি মা আর খুকির মা কড়াইএ ভাত ফেলে মুছে তা তুলে আমার দিকে তাকাল । মা আমার মুখে এক লোকমা ভাত তুলে দিলেন । আরে এতো দারুন মজা ।
এই হল শুরু কড়াই মোছা ভাত খাওয়ার শুরু । শীতের দিনে এই যেমন এখন উত্তম সময় ভুঁড়ি ভুনা খাওয়ার । লোহার কড়াইয়ে দুদিন অল্প জ্বালে রেখে কষিয়ে তারপর খেতে হবে । ইচ্ছে হলে ভাত দিয়ে তলানি মুছে আমার মত হাভাতে খাওয়া খাওয়া খেতে পারেন ।
উচ্চরক্ত চাপের রোগীরা সাবধান । আমার খাওয়া দুদশক আগে বন্ধ হয়েছে । এখন বলে বলে আনন্দ পাই , লোভ জাগিয়ে দেওয়া আমার কাজ ।
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০২০ সকাল ১০:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


