somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নাগরিক যন্ত্রনার কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা আর সামান্য আশার আলো

৩০ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৪২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঢাকা শহরে বসবাস করা দিনে দিনে ক্রমেই অসম্ভব হয়ে পড়ছে।বাসা থেকে বাইরে বেরুলেই যানজটের দুঃসহ যন্ত্রনা।আবার সারাদিন পর যখন ক্লান্ত-শ্রান্ত হয়ে ঘরে ফিরি তখন লোডশেডিংয়ের মাত্রাতিরিক্ত অত্যাচার।
পুরো শহরের সবখানে বিঃশৃংখলার ছাপ স্পস্ট। কোথাও কোনো নিয়মের বালাই নেই।যেন অনিয়মি এখানে একমাত্র নিয়ম।জীবিকার তাগিদে প্রতিদিনই বাইরে বেরুতে হয়।গন্তব্যস্থলে পৌঁছাবার একমাত্র ভরসা পাবলিক বাস।কিন্তু যারা নিয়মিত এসব বাসে যাতায়াত করেন একমাত্র তারাই জানেন কতটা সংগ্রাম করে তাদেরকে বাসে উঠতে হয়।মহিলাদের ভোগান্তির কথা আর নাইবা বললাম।টিকেট কেটেও যুদ্ধ করে বাসে উঠতে হয়।তাহলে টিকেটের দরকারটা কি?অনেক সময় দেখা যায় টিকেট কেটে লাইনে দাঁড়াবার পরেও যেই বাস আসলো ওম্নি সবাই লাইন ভেঙ্গে হুড়হুড়ি করে বাসে উঠবার অসম প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হল।বলাই বাহুল্য,বয়স্ক ও মহিলারা সেই অসম যুদ্ধে বরাবরি পরাজিত।তবে এর কিছু ব্যতিক্রমও আছে।সম্প্রতি বনানীর কাকলীতে দেখলাম কিছু বাসে কঠোরভাবে লাইন মেইনটেন করা হচ্ছে।
সবাই কি সুন্দর সারিবদ্ধভাবে লাইন মেনে বাসে উঠছে।উল্টো কেও লাইন ভেঙ্গে উঠতে চাইলে সবাই একসাথে তীব্র প্রতিবাদ করছে।এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে আমরা চাইলেই অনেক ভালোকিছু করতে পারি।সেজন্য প্রয়োজন সদিচ্ছা আর সকলের আন্তরিক সহায়তা।এবার বাস চালকদের সম্পর্কে কিছু কথা।তাদের সবাইকে মনে হয় যেন একেকজন ফরমুলা ওয়ানের চ্যাম্পিয়ন!বাস কে প্লেনের গতিতে উড়িয়ে নেয়াটাই তাদের একমাত্র স্বপ্ন।মাঝে মাঝে এত জোরে হারড-ব্রেক করে যে তখন দাড়ান যাত্রীদের একজন আরেকজনের গায়ে হুমরি খেয়ে পড়তে হয়।ব্রেক করবার সময় ড্রাইভারদের মনেই থাকেনা যে, বাসের অর্ধেক যাত্রী দাঁড়িয়ে যাচ্ছে।বেপরোয়াভাবে বাস চালানই সড়ক দুরঘটনার জন্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে দায়ী।
সময় এসেছে সচেতন হবার। অনিয়ম আর কত?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই নভেম্বর, ২০১০ রাত ২:১০
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×