শাসক দলের অনুকূলে আশ্রিত তথাকথিত, প্রগতিশীল বুদ্ধিরবেশ্যাদের, মুক্তিযুদ্ধকে পুঁজি করে ব্যাবসা বন্ধ করতে হবে । আমাদের বাঙালি সংস্কৃতির পরিপন্থী এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীয় মূল্যবোধের পরিপন্থী, সংস্কৃতি চালু করে এদেশে তারা বিদেশী প্রভুদের, বানিজ্যিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চায় । এই সকল তথাকথিত মুক্তমনার দাবিদার, নিজেদের পরিচয় দেয় মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তি । কিছু কিছু মিডিয়া, এই সকল অপসংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষক । থার্টি ফার্স্ট নাইট, ডিজে পার্টি অপসংস্কৃতির উৎকৃষ্ট উদাহরণ । নাইট ক্লাবে নগ্ন নৃত্য করে, সারারাত মদ গিলে, দিনের বেলা এরা হাজির হয় মুখে, গালে দেশের জাতীয় পতাকা এঁকে, এরা দেশ প্রেমের মিথ্যে অভিনয় করে । তারা জানে কিছু মিডিয়া, গালে দেশের পতাকা আঁকা মুখ প্রচার করে, মুখে আঁকার রঙ বিক্রি করে বাণিজ্য করবে । তাদের উদ্দেশ্য দেশপ্রেম প্রচার নয়, তাদের উদ্দেশ্য বাণিজ্য করা । জামায়ত ইসলামকে গালি দিতে গিয়ে এরা, প্রায়শ ইসলাম ধর্মকেই গালির টার্গেট করে । হাজার বছরের ধর্মীয় সম্প্রীতি তারা ধংস্ব করতে চায়, নিজ প্রভুদের ফায়দা লোটার জন্য । আর তাদের সকল অপকর্মের ঢাল হিসেবে তারা ব্যাবহার করে, মুক্তিযুদ্ধ শব্দটাকে । ধর্মনিরেপেক্ষতার নামে দেশকে ধর্মহীন করার হীন প্রয়াস এরাই করে । অথচ ৭১ কিংবা ৭৫ এর মত পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে, এরাই পশ্চাৎ পলায়ন মোশতাকের দোসর হিসেবে আত্নপ্রকাশ করবে । দেশ যদি কোন কারনে যুদ্ধউদ্ভব পরস্থিতি সৃষ্ট হয়, তাহলে এই সকল চাটুকার, দলকানা, বুদ্ধিরবেশ্যারা নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ব্যাস্ত থাকবে, কিন্তু যুদ্ধের ময়দানে বুক চেতিয়ে লড়ে যাবে, এই দেশের আপামর জনগন, যারা বিএনপি করে না, যারা আওয়ামী লীগ করেনা । যারা এই দুই দলের বাইরে, শুধুমাত্র বাংলাদেশটাকেই ভালোবাসে ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৬ বিকাল ৫:১৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



