somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

চাঁদে ক্যামেরা ফেলে এসেছেন ইউজিন

৩১ শে ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সর্বশেষ চাঁদের বুকে পা রেখেছেন এপোলো-১৭ এর কমান্ডার ইউজিন কারনান। ১৯৭২ সালের ১৯শে ডিসেম্বর তিনি চাঁদের মাটিতে হেঁটে বেড়ান। এখন চলছে তার সেই অভিযানের ৪০তম বর্ষপূর্তি উদযাপনের।
এমন সময় তিনি স্বীকার করলেন ওই মিশনে তিনি হয়তো একটি ভুল করে এসেছেন। কি সেই ভুল! নিজেই বলেন, ওই অভিযানের সময় তিনি তার ব্যবহৃত হ্যাসেলব্লেড ব্রান্ডের একটি ক্যামেরা ফেলে এসেছেন। এর কারণ আছে। তিনি ভেবেছিলেন তার পরে যদি কোন নভোচারী চন্দ্র অভিযানে যান তাহলে তিনি ফেরত নিয়ে আসবেন ওই ক্যামেরা। এতে ততদিনে চাঁদে কি পরিমাণ তেজস্ক্রিয়তা আছে তা ধরা পড়বে ওই ক্যামেরার লেন্সে। কিন্তু ইউজিনের পর আর কোন নভোচারী চন্দ্র অভিযানে যাননি। ফলে তার সেই ক্যামেরাও আর ফেরত আনা সম্ভব হয়নি। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল। এতে বলা হয়েছে, ইউজিনের বয়স এখন ৭৮ বছর। তিনি সেই ১৯৭২ সালে যে ক্যামেরা চাঁদের গায়ে ফেলে এসেছিলেন তা এখন প্রকাশ করলেন। তিনি বললেন, একটি পরীক্ষা করার জন্যই তিনি এমনটি করেছেন। পরীক্ষাটি হলো চাঁদের গায়ের তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা পরিমাপ করা। তার পরে যদি কোন নভোচারী চাঁদে অভিযানে যান তখন তিনি বা তারা সেটি পৃথিবীর বুকে ফেরত নিয়ে আসবেন এমনই ধারণা ছিল ইউজিনের। তিনি বলেছেন, চাঁদে মানুষ পাঠানো যে এভাবে থেমে যাবে তা তিনি ভাবতেও পারেননি। তাই নিজের ক্যামেরাটি তিনি মহাশূন্যের দিকে লেন্স বসিয়ে চাঁদের গায়ে স্থাপন করে আসেন। কিন্তু সেই বিংশ শতাব্দী এখন কালের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তার সেই ক্যামেরা আর কেউ ফেরত আনেননি। আর কখনও তা ফেরত আনা সম্ভব কি না তা নিয়েও তিনি সন্দিহান। এখনকার অর্থে যদি এপোলো কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে যেতে হয়, তাহলে তাতে মার্কিনিদের দেয়া ট্যাক্সের অর্থ থেকে ১৫০০০ কোটি ডলার খরচ করতে হবে। নাসা বিশাল এই বাজেটের কথা জেনে কয়েক ডজন প্রকল্প বাতিল করেছে। এর মধ্যে এপোলো’র তিনটি মিশন বাতিল হয়েছে।
তথ্যসূত্রঃView this link
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাননীয় "যদি-কিন্তু" সাহেবের বিদায়ী ভাষণ একটি কাল্পনিক রম্য রচনা

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

মাননীয় "যদি-কিন্তু" সাহেবের বিদায়ী ভাষণ
একটি কাল্পনিক রম্য রচনা

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

একদিন সকালবেলা, চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে জাতি খবরের কাগজ খুলে দেখল, দেশের সবচেয়ে বড় পদটির জন্য মনোনীত... ...বাকিটুকু পড়ুন

"ধর্ষক ও চরিত্রহীনদের বাঁচাতেই কি ওয়াজের মঞ্চ? সাধারণ মানুষকে আর কত অন্ধ বানিয়ে রাখবেন!"

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্ষক ও ব্যভিচারীদের পাপ ঢাকা এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রাখার এই ভণ্ডামি আর কতকাল সহ্য করবেন?
পবিত্র ইসলাম আর সাহাবিদের ত্যাগকে কতখানি নামালে এই ভণ্ড মোল্লা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃশব্দ প্রহর

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রিয়েলিটি আপনারা মাইনে নেন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩০



নরেন্দ্র মোদীকে আপনি যতই অপছন্দ করেন না কেন, তার একটা একটা প্রশংসনীয় গুণ আছে। সে বিশেষজ্ঞদের উপদেশ নিতে এবং সেই অনুযায়ী নিজের অপছন্দের কাজটা করতেও পিছপা হয় না।
সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×