আর্কাদি গাইদারের(১৯০৪- ১৯৪১) 'ইশকুল' বইটি সুখপাঠ্য!!
১৫ ই এপ্রিল, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:৩৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বিখ্যাত সোভিয়েত লেখক আর্কাদি গাইদারের(১৯০৪- ১৯৪১) 'ইশকুল' তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা। ১৯২৯ সালে লেখা এই বইটি রাশিয়ার তরুনপ্রজন্মের কাছে এখনও অনেক পছন্দের। ইশকুল আত্মজীবনিধর্মি সাহিত্য। লেখক তার কৈশোরে ১৪ বছর বয়সে লাল ফৌজে যোগ দিয়েছিলেন। এই উপাখ্যানে তিনি তার কৈশোরের সেই যুদ্ধজীবনের ঘটনারই চিত্র এঁকেছেন।
ইশকুলের নায়ক বরিস গোরিকভও তার মতন নিজের ঘরবাড়ি ও পুরোনো ইশকুল ছেড়ে 'সমাজতন্ত্রের উজ্বল রাজ্যের' জন্য লড়াই করতে চলে যায়।
নিজের কৈশোরের সেই সংগ্রামী পর্বের কথাপ্রসঙ্গে গাইদার লিখেছিলেনঃ আমার জীবনকাহিনী যে অসাধারন তা নয়- অসাধারন ছিল আসলে সেই সময়টা। এ হলো অসাধারন সময়ের এক সাধারন জীবনকাহিনী।
- বই থেকে
বইটি সুখপাঠ্য তাই পড়ে দেখার অনুরোধ রইলো। অনেক আগের ‘কলকাতা বাংলার' অনুবাদ কিঞ্চিৎ বিরক্তির কারন হতে পারে!
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির...
...বাকিটুকু পড়ুনএসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার
সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে...
...বাকিটুকু পড়ুন