somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"আরব দেশগুলো পরাজিত হতে যাচ্ছে"!!!

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আরব দেশগুলো নিজেদেরকে নিয়ে স্টাডি করে না। তারা ইতিহাস থেকেও শিক্ষা নেয়নি। তারা আত্মগ্লানিতে ভোগে। এটাই সবচেয়ে বড় দুঃখের বিষয়। একটা সময় আসবে যখন আরব দেশগুলোকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়া হবে। তারা এ বিষয়টি আজও অনুধাবন করতে পারছে না। কারণ বিশ্ব রাজনীতি এমন একটা পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াবে যখন আরব দেশগুলো পুরোপুরি ছিটকে পড়বে।

রেডিও তেহরানের সাথে সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ও বিশিষ্ট রাজনৈতিক ভাষ্যকার মুহা. রুহুল আমীন।

অধ্যাপক রুহুল আমীন বলেন, আরব দেশগুলো ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয়নি। তাদের যে প্রবণতা এখনও দেখা যাচ্ছে তাতে তারা পরাজিত হতে যাচ্ছে। পুরো সাক্ষাৎকারটি উপস্থাপন করা হলো।

রেডিও তেহরান: জনাব, অধ্যাপক মুহা. রুহুল আমীন- ফিলিস্তিনের ইন্তিফাদা বা গণজাগরণের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি জানানোর জন্য ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে এ সম্মেলনের গুরুত্ব কতটা?

অধ্যাপক রুহুল আমীন: দেখুন, ফিলিস্তিনের ইন্তিফাদা বা গণজাগরণের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি জানানোর জন্য ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি যে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে সেটি বর্তমান প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নয়া প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মিডিয়া এবং সাংবাদিকদেরকে বিশেষ সন্দেহের চোখে দেখছেন।

তিনি মানুষের জাগরণ, অধিকার ও স্বাধীনতা- এ তিনটি বিষয়কে অবজ্ঞা করছেন। আর এ প্রেক্ষাপটকে বর্তমান পরিস্থিতিকে মানব ইতিহাসের সবচেয়ে সংকটাপন্ন সময় বলে মনে হচ্ছে আমার কাছে। আর সেই সংকটাপন্ন মুহূর্তে ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মানুষের পক্ষে সংহতি জানানোর জন্য তেহরানে যে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হলো সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফিলিস্তিনের নির্যাতিত মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার, স্বাধীনতা ফিরিয়ে দিতে হলে এবং তাদের নিজ ভূমি ফিরিয়ে দিতে হলে অবশ্যই বিশ্ব জনমতের সংহতি প্রকাশের বিষয় রয়েছে।

আমেরিকার সদ্য বিদায়ী প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা যদিও চেয়েছিলেন ফিলিস্তিনের মুক্তি এবং স্বাধীনতার প্রশ্নে দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের দিকে যেতে কিন্তু বর্তমান প্রেসিডেন্ট সে বিষয়ে অনীহা প্রকাশ করেছেন। শুধু তাই নয় ফিলিস্তিনের ভূমি জবরদখল করে ইসরাইলিরা সেখানে নিত্যনতুন বসতি গড়ে তুলছে এবং ডোনল্ড ট্রাম্প তাদেরকে প্রতিনিয়ত সমর্থন দিয়ে যাচ্ছে।

এ পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মদদে ফিলিস্তিনি জাতিকে সমূলে বিনাশ করার ইসরাইলি ষড়যন্ত্রের হাত থেকে রক্ষা করতে যেসব রাষ্ট্র গণতন্ত্রে ও মানবাধিকারে বিশ্বাসী তাদের এগিয়ে আসা উচিত। আর সেলক্ষ্যে ফিলিস্তিনের ইন্তিফাদা বা গণজাগরণের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি জানানোর জন্য ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান যে সম্মেলনের আয়োজন করেছিল তা অত্যন্ত সঠিক। ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি ফিরিয়ে দেয়া এবং তাদের অধিকার আদায়ের জন্য বিশ্ব সংহতি প্রকাশের জন্য ওই সম্মেলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

রেডিও তেহরান: সম্মেলন শেষ হয়েছে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদারিত্বের অবসান ঘটানোর আহ্বান জানানোর মধ্যদিয়ে। এর আগেও এ ধরনের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে- এই আহ্বান বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে মুসলিম বিশ্বের সামনে বাধা কী?

অধ্যাপক রুহুল আমীন: দেখুন, আমার কাছে মনে হয়েছে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইহুদিবাদী ইসরাইলের দখলদারিত্বের অবসান ঘটানোর যে আহ্বান এবারের সম্মেলনে জানানো হলো এবং আগেও জানানো হয়েছে তা বাস্তবায়নে বাধার মূল কারণ হচ্ছে- এ আহ্বান ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান কেন জানাচ্ছে। অর্থাৎ তাদের কাছে সমস্যাটা হচ্ছে ইরান। যদি এ আহ্বান ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান না জানিয়ে- ফিদেল কাস্ট্রো জানাতো অথবা মস্কো থেকে পুতিন জানাতো তাহলে বিশ্ব বিষয়টিকে অন্যভাবে নিত। সাম্রাজ্যবাদী দেশগুলোর কাছে ইরান একটি অ্যালার্জীর মতো হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি খুবই দুঃখজনক বিষয়। ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান বর্তমান পৃথিবীর একটি উদীয়মান শক্তি।

ইরান- বিশ্বের অবহেলিত মানুষের অধিকার, মানবতা ও গণতন্ত্রের জন্য প্রতিনিয়ত কাজ করছে। ইরানের যে আভিজাত্য, যে রাষ্ট্রীয় কাঠামো এবং মানবাধিকারবোধ সেটি সত্যিই অনন্য। বিশ্বের অন্যান্য জাতির প্রতি অখণ্ডতা ও অধিকার রক্ষার প্রতি ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের যে সম্মান প্রদর্শন তা থেকে বলা যায় দেশটি অসাধারণ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। আর সেই অন্যতম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রটি ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষার জন্য তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে।

আর আরব দেশগুলো মুসলিম রাষ্ট্র হওয়া সত্ত্বেও তারা ইহুদিদের পক্ষে এবং ফিলিস্তিনিদের বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।

রেডিও তেহরান: ফিলিস্তিন ইস্যুকে মুসলিম বিশ্বের এক নম্বর সমস্যার স্থান থেকে সরিয়ে দিতে কিছু আরব দেশ চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জানতে চাইছি- কেন আরব দেশগুলো এমনটা করছে?

অধ্যাপক রুহুল আমীন: আসলে আরব দেশগুলো নিজেদেরকে নিয়ে স্টাডি করে না। তারা ইতিহাস থেকেও শিক্ষা নেয়নি। তারা আত্মগ্লানিতে ভোগে। এটাই সবচেয়ে বড় দুঃখের বিষয়। একটা সময় আসবে যখন আরব দেশগুলোকে ছুঁড়ে ফেলে দেয়া হবে। তারা এ বিষয়টি আজও অনুধাবন করতে পারছে না। কারণ বিশ্ব রাজনীতি এমন একটা পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়াবে যখন আরব দেশগুলো পুরোপুরি ছিটকে পড়বে।

অবাক হওয়ার বিষয় আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে, সম্প্রতি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানসহ ৭ টি মুসলিম দেশের অধিবাসীদেরকে তার দেশে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিবাদ ও সমালোচনা হয়েছে এবং বিষয়টি আদালতে গড়িয়েছে। অথচ মার্কিনপন্থি কোনো আরব দেশকে এই তালিকায় রাখা হয়নি। আমার ধারনা খুব শিগগিরই মার্কিনপন্থি এসব আরব দেশগুলো নিজেদের ফাঁদে নিজেরা পড়বে এবং বিশ্ব থেকে ছিটকে পড়বে।

রেডিও তেহরান: লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর উপ মহাসচিব শেইখ নায়িম কাসেম বলেছেন, ফিলিস্তিনকে মুক্ত করবে ইরান। আমাদের প্রশ্ন হচ্ছে- তার এই আশা কতটা যৌক্তিক? ফিলিস্তিন ইস্যুতে ইরানের ভূমিকার আলোকে যদি আপনি বিষয়টি আলোচনা করেন।

অধ্যাপক রুহুল আমীন: দেখুন, বলা চলে হিজবুল্লাহ নেতা যথার্থই বলেছেন। লেবাননের ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর সাথে ইরানের আঞ্চলিক রাজনীতির ঐক্য আছে। আঞ্চলিক রাজনীতি এবং মতাদর্শের ক্ষেত্রে হিজবুল্লাহ সবসময় ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে সমর্থন দিচ্ছে। আর সেক্ষেত্রে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার জন্য ইরানের সহযোগিতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ইরান–হিজবুল্লাহ সেখানে একসাথে কাজ করবে।

রেডিও তেহরান: কয়েকবার আরব-ইসরাইল যুদ্ধ হয়েছে অথচ এখন আরব দেশগুলোর বেশিরভাগই ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে এবং অবৈধ এ রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে ব্যস্ত। কেন পরিস্থিতির এমন অবনতি ঘটলো?

অধ্যাপক রুহুল আমীন: আরব দেশগুলোর বেশিরভাগাই ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিতে এবং অবৈধ এ রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করতে ব্যস্ত এর কারণ হচ্ছে পাওয়ার পলিটিক্স বা ক্ষমতার রাজনীতি। আরব দেশগুলো প্রথম থেকেই অসচেতন। বিশ্ব রাজনীতিতে তারা সুপার পাওয়ারকে তেল দেয়ার রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। আর সেই মাইন্ড সেট থেকে তারা বের হয়ে আসতে পারেনি। আরব দেশগুলো ভুল করছে এখনও। এখন আর স্নায়ূযুদ্ধের ঝুঁকি নেই। এখন বিশ্ব রাজনীতি নতুন একটু যুগে প্রবেশ করেছে। সাম্প্রতিক সময় নিশ্চয়ই আপনারা লক্ষ্য করে থাকবেন- এখন পাশ্চাত্যের বাইরে একটা আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার দিকে চলে যাচ্ছে বিশ্ব। অথচ আরব দেশগুলোর প্রধানরা এখনও সেই স্নায়ুযুদ্ধের মাইন্ড সেটে থেকেই তাদের চিন্তাভাবনা এগিয়ে নিচ্ছে। ফলে বর্তমান পরিস্থিতিতে আরবদেশগুলো পরাজিত হতে যাচ্ছে। তাদের এই প্রবণতা যদি অব্যাহত থাকে তাহলে আরো বেশি করে পরাজিত হবে। আপনাদেরকে আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি ফিলিস্তিনিদেরকে কখনই তাদের ভুমি থেকে উৎখাত করা যাবে না। কারণ ফিলিস্তিন ভূখণ্ড তাদের। তারাই এখানকার মূল অধিবাসী এবং এ মাটি তাদের।

পৃথিবী যদি ঠিক থাকে, বাস্তবতা যদি ঠিকপথে এগোয় তাহলে আজ হোক বা কাল হোক–ফিলিস্তিনিরা তাদের ভূমি উদ্ধার করবেই। বিশ্ব রাজনীতি যেভাবেই চলুক না কেন আমি আশাবাদী ফিলিস্তিনিরা তাদের জাতীয় অধিকার ফিরে পাবে। এমন একদিন আসবে যখন আরব দেশগুলো আপসোস করবে। ফলে এখনও সময় আছে আরব দেশগুলোর উচিত তাদের নীতি পর্যালোচনা করা।

ইরান, রাশিয়া, সিরিয়া, মিশর ও তুর্কি মিলে যে নতুন একটা বলয় বিশ্ব রাজনীতিতে তৈরি হচ্ছে তারা তো সামনের দিনগুলোতে থেমে থাকবে না। তারা আমেরিকার বিরুদ্ধে আগামী দিনগুলোতে কঠোর অবস্থানে যাবে সেটাই স্বাভাবিক। আমি আল্লাহর কাছে দুয়া করি ফিলিস্তিনিরা যাতে শিগগিরিই তাদের মাতৃভূমি ফিরে পায়।

কার্টেসিঃ রেডিও তেহরান

সত্য হল গত কয়েক শত বছরের মধ্যে আরবরাষ্ট্রগুলোর জিতবার কোন রেকর্ডই নাই!!! কেননা তারা নিজেদের শক্তিতে বিশ্বাস করে না বরং মোড়লদের চামচামি করে নিজেদের গদি রক্ষায় ব্যাস্ত তাদের কথার সাথে কাজের কোন মিল নাই যাদেরকে মোনাফেক নামে আখ্যায়িত করা যায়, আর যতদিন তাদের এই স্বভাবের পরিবর্তন না হচ্ছে ততদিন জিতবার আশা না করাই শ্রেয়।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৩৪
১০টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেয়ালে রবীন্দ্রনাথ, রাজনীতিতে আতঙ্ক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:৫০


দেশে এখন যারা ক্ষমতায় আছেন, তারা মধ্য ডানপন্থী রাজনৈতিক দলের মানুষজন । সরকারের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ে আছেন প্রবীণ নেতা নিতাই চন্দ্র রায়। এই অবস্থায় শিল্পকলা একাডেমির উদ্যোগে দেয়ালে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×