তারাই মন্ত্রী, তারাই শ্রমিক- মালিক নেতা। একজন জাসদ থেকে আওয়ামীলীগার হয়েছেন, আরেকজন এখনও স্বৈরাচার এরশাদের অনুসারী, সংসদের বিরোধীদলের এমপি এবং সরকারের মন্ত্রী! সরকারের মন্ত্রীর বাসায় মিটিং করে ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত হয়।
ট্রাক চালককে আদালত ফাঁসির রায় দিয়েছে, তার প্রতিবাদে ধর্মঘট। এই ট্রাক চালক রাস্তায় ট্রাক চালাতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটিয়ে মানুষ হত্যা করেনি। হত্যা করেছে, অন্যের পারিবারিক রাস্তা দিয়ে মাটি ভর্তি ট্রাক চালাতে নিষেধ করা হয়েছিল বলে।
বিচার বিভাগ বা আদালত নয়, কোন আইন কোন ধারায় বিচার হবে, তা বলে দিচ্ছেন মন্ত্রীর শ্রমিক সংগঠন। শুধু শ্রমিকদের দিয়ে তা বলাচ্ছেন না, মন্ত্রীরা নিজেরাও তা বলছেন। মানুষ হত্যা করা যাবে, বিচার বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া যাবে না, এই দাবিতে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ধর্মঘট বৈধ। সরাসরি আদালতকে চ্যালেঞ্চ করছেন। মন্ত্রীত্বে কোনও সমস্যা হচ্ছে না। আদালতে শাস্তি পেয়েও তো মন্ত্রী থাকতে সমস্যা হয় না। আদালত এবং আদালতের বিচারিক ক্ষমতায় তারা বিশ্বাস করেন না ।
ন্যায় দাবি করে লাঠি পেটা খায়, অন্যায় দাবি করে মন্ত্রির সাধুবাদ পায়। এখানে আইন, বিচার, অবমাননা, এগুলো শুধু মুখের বুলিতেই সীমাবদ্ধ।
'দেশ এগিয়ে' যাচ্ছে কোন দিকে? ' দেশ এগিয়ে' অন্ধকার বাঁশের জঙ্গলে ঢুকে পড়েছে। আর বাঁশের কাঞ্চীর আঘাত জনগণকেই সহ্য করতে হচ্ছে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মার্চ, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


