
নওয়াজ শরীফের কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে মারাত্মক আপত্তি থাকার পরও নওয়াজ শরীফ পদত্যাগ করেছেন।নওয়াজ শরীফকে ক্ষমতাচ্যুত করার জন্য পাকিস্তানের নির্বাচন কমিশনকে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয় আদালতের পক্ষ থেকে। এছাড়া, প্রেসিডেন্ট মামনুন হোসেইনকেও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
পানামা পেপারে নাম এসেছে বলে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির তদন্ত হলো। আদালতের বিচারের পর তাকে পদত্যাগ করতে হলো। পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টই পারভেজ মোশারফের মত প্রতাপশালী শাসকের ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছিল...পেরেছিল পিপিপির ইউসূফ রাজা গিলানীর মত প্রধানমন্ত্রীকে অপসারণ করতে...আজ আবার পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফকে বহিষ্কার করে দেখিয়ে দিল পাকিস্তানের বিচার বিভাগের ক্ষমতা।
অথচ আমাদের দেশে একটু মতের বিরোধ হলেই প্রধানবিচারপতিকেও অসন্মান করতে ছাড়েনা সরকার পক্ষের এটার্নী জেনারেল। হত্যাকারী প্রমাণিত হওয়ায় আদালতের রায়ে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত সন্ত্রাসীর ফাঁসির দন্ড মওকুফ করে দেয় আমাদের সরকার। ত্বকী হত্যাকারীদের পরিচয় জানার পরও আইন তাদের ধরে না। সাগর- রুনী হত্যার তদন্ত করে না। তনু হত্যা চাপা দেয়।
ধরা পড়া এবং শাস্তিপ্রাপ্ত আসামী বহু মানুষকে হত্যাকারী শীর্ষ সন্ত্রাসী ,কূখ্যাত ডাকাত,অ্যাসিড মামলার আসামীদের শাস্তি মওকুফের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার আর বিচার বিভাগ বসে আঙ্গুল চুষছে।
এর পরও আমরা দাবী করি আমাদের বিচার বিভাগ স্বাধীন ও সরকারের নিয়ন্ত্রণহীন??
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুলাই, ২০১৭ রাত ১০:০১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




