somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যপথিক শাইয়্যান
অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

প্রধানমন্ত্রীকে বুঝতে হবে খারাপ শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুল ভরলে পরীক্ষার সময় টুকলিফাইং হবেই

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৪১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



মাননীয় শেখ হাসিনা একবার নিজের জনসভায় বলেছিলেন, এখন এত্তো মানুষ। অথচ, বঙ্গবন্ধু মারা যাবার সময়ে এই ভীড় কোথায় ছিলো! কথাটার মর্মার্থ অনেক গভীরে। প্রধানমন্ত্রী মনে হয় আস্তে আস্তে বুঝতে পারছেন, তাঁর চারপাশ একদল হিংস্র, চাটুকার, দূর্নীতিবাজ ঘিরে ধরেছে। এমন পরিস্থিতিতে, শেখ হাসিনা কি খুব একলা বোধ করছেন? এই আতংকজনক অবস্থায়, তিনি কি এখন নিজেকে গুটিয়ে নিবেন, নাকি নিজের কমফোর্ট জোন থেকে বের হয়ে এসে সমস্যার মুখোমুখি হয়ে শক্ত হাতে দেশের হাল ধরবেন? এখানেই, আসল শেখ হাসিনার পরিচয় মিলবে।

আওয়ামী লিগে অনেক ত্যাগী নেতা ছিলেন। এখনো আছেনও। যেমন, আমার চাচা যিনি কি না নিজ এলাকার হাল ধরতে মাল্টি ন্যাশনাল কোম্পানীর চাকরী ছেড়ে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হয়েছিলেন। এরপর থেকে পাঁচ বারই এলাকার মানুষই তাঁকে সেই পদে মনোনিত করে। খুবই অতিথীপরায়ন এই মানুষটি বেশ কড়া প্রকৃতির লোক। কারো কোন ভুল পেলে, সবার সামনে লোকটিকে তিক্ত কথা শুনাতে পিছপা হোন না। তাঁর ভয়ে ইউনিয়ন অফিসের ধারে-পাশে ঘেষতে পারেন না চাটুকাররা। এই কারণেই কি না, দলের ক্ষতি হচ্ছে এই ধুয়া তুলে ইউনিয়ন আওয়ামী লিগ তিন ভাগে বিভক্ত। তবুও, পাঁচ বার তিনি চেয়ারম্যান পদে।

আমার চাচা যত ভালো লোকই হোন, হয়তো দলের হাত শক্ত ভাবে ধরে রাখতে পারেননি বলেই ইউনিয়ন পর্যায়েও তিন ভাগে বিভক্ত হয়ে গিয়েছে। দলের পরবর্তী প্রজন্মকে কাছে টেনে সঠিক ট্রেইনিং দিতে না পারাতেই হয়তো সেইসব তরুণেরা লুকিয়ে-ছাপিয়ে দলের ক্ষতি হবে জেনেও তাঁর বিরুদ্ধে মিটিং করে।

কোথায় যেন শুনেছিলাম, বিরাট অশুত্থ গাছ (নাকি বট গাছ?) যখন মারা যেতে থাকে, তখন বাইরে থেকে কেউ বুঝতে পারে না। কেউ ঠাহর করতে পারে না সেই গাছের তলা ফাঁপা হয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা। একদিন সামান্য হাওয়াতেই সেই গাছ ভেঙ্গে পড়ে। কেউ কি ভেবেছিলো, আওয়ামী-মুসলিম লিগ শুধুই আওয়ামী লিগে পরিণত হয়ে যাবে? সেই আওয়ামী লিগ থেকেই খন্দকার মোস্তাকের মতো মানুষ তৈরী হবে? কেউ কি স্বপ্নেও ভেবেছিলো, এই আওয়ামী লিগেরই কিছু নেতা 'মাইনাস টু' ফর্মুলায় রাজি হয়ে যাবে?

তাই, সাধু সাবধান!



সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:১৯
১০টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০০

আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?



বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মের অবমাননা রুখতে গিয়ে নিজের ধর্মকেই ছোট করছেন না তো?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুন, ২০২৬ রাত ৩:৩৫


সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে ধর্ম অবমাননার আবার একটা ঘটনা ঘটলো। ২৩ জুন ২০২৬। প্রিন্স রায় দীপ্ত নামের পঁচিশ বছরের একটা ছেলে নবীজিকে নিয়ে আপত্তিকর পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ তাকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×