
অন্যান্য জেলার মতোই সিলেটের পঞ্চায়েতগুলো ধীরে ধীরে ইনএকটিভ হয়ে পড়েছে। অথচ, এক সময়ে, সিলেটের গ্রামে-গঞ্জে-শহরে অধিবাসীদের পারস্পরিক বিবাদ মিটাতে তরুণ-যুবা আর মুরুব্বীদের সমন্বয়ে পঞ্চায়েতগুলো কাজ করে যেতো, থানা-পুলিশ আর করতে হতো না। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের বক্তব্য থেকেই জানতে পেরেছি তিনি কীভাবে ভুলে যাওয়া পঞ্চায়েতগুলোকে আবারও একটিভ করতে চান।
সিলেটের উন্নয়ন কীভাবে করা যায় তা নিয়ে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের পডকাস্টগুলো শুনে যাচ্ছি গত কয়েক দিন ধরেই। যত শুনছি ততোই তাঁর ভক্ত হয়ে যাচ্ছি। বিশেষ করে কীভাবে বেকার সমস্যা থেকে বের হয়ে আসতে স্মার্ট কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে তরুণ যুবাদের কৃষি কাজে ফিরিয়ে নিয়ে আসা যায়, তা নিয়ে মুক্তাদির সাহেবের চিন্তাভাবনা আমাকে বিশেষ ভাবে আকর্ষণ করেছে। প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার মান উন্নয়ন নিয়ে তিনি যে ধারনা দিয়েছেন, নির্বাচনের আগে অন্য কোন প্রার্থীকে সেরকম চিন্তাভাবনা করতে আমি দেখি নাই!
আমি মূলতঃ মধ্যমপন্থী ইসলামী ভাবধারায় বিশ্বাসী। তবে, আমি মনে করি, সিলেটের ইসলামী দলগুলোর প্রার্থীদের চেয়ে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে আছেন বহু গুণে। সিলেটের মানুষ হিসেবে মনে করি, সিলেটের ব্লুবার্ড স্কুল থেকে পাস করা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির সামনে এগিয়ে যান, এটাই আমার কামনা করা উচিৎ।
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



