বাংলাদেশের রাজনৈতিক কালচারে দুধ দিয়ে গোসল করে নিজ দল ছেড়ে অন্য দলে যোগদান কবে থেকে শুরু ঠিক মনে করতে পারছি না। তবে, ইদানীং তা বেশ অহরহ ঘটছে! আর, প্রতিপক্ষের উপর ডিম ছোড়াটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে দেখা দিয়েছে। তাই, প্রশ্ন করাই যায়, দুধকে 'শুদ্ধ' করার প্রতীক আর ডিমকে 'প্রতিবাদ' অথবা 'হেয়' করার ভাষা হিসেবে সর্বজন মেনে নেওয়ার পিছনে কারণ কি!
দুধ-কে বিশুদ্ধতার অপরনাম হিসেবে গ্রহণ করেছেন শুধু মর্তের মানুষ নন, উর্ধলোকের প্রতিষ্ঠাতা খোদাতায়ালাও। লেখা আছে, বেহেশতবাসীদের দুধ দিয়ে বরন করে নেওয়া হবে। সনাতন ধর্মেও দুধ দিয়ে দেবতাকে স্নান করানোর সংস্কৃতি রয়েছে। বাইবেলে দুধ ঈশ্বরের অনুগ্রহ, প্রাচুর্য এবং আধ্যাত্মিক পুষ্টির প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, ডিম বাঙ্গালিদের অতি প্রিয় বস্তু। বিশেষ করে, পুলিশি ঝামেলায় ডিম থ্যারাপীর কথা শোনা যায়। আর, প্রতিপক্ষের উপরে পচা ডিম ছোঁড়ার কালচার বোধকরি চর্যাপদেও আছে! আর, পরীক্ষায় গোল্লা মেরে 'অশ্বডিম্ব' পাওয়াটা আমাদের আজকালকার ছেলেমেয়েরা সিদ্ধহস্ত।
ইতিহাস যখন এরকম বলছে, তখন, দুধ আর ডিমের এহেন ব্যবহার বাঙ্গালীর উপাদেয় রাজনীতিতেও প্রবেশ করবে না কেন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


