
প্রিয় শাইয়্যান,
মনে পড়ে সেদিনের কথা, যেদিন তুমি নিজ সংগ্রহের কয়েকশো বই কাগজওয়ালাকে আর পাঠাগারের হাজার ক'টা বই আরেকটি লাইব্রেরীতে দিয়ে দিলে? বুকের ভিতরটা কি তোমার খচখচ করে উঠেছিলো? মনে করে দেখো অশ্রু সজল চোখে তোমার বইয়ের সংগ্রহশালা অন্যের হয়ে যাওয়াটা দেখতে দেখতে প্রতিজ্ঞা করেছিলে - আর বই কিনবে না।
তুমি তোমার সেই প্রতিজ্ঞা কি রাখতে পেরেছো? কালের পরিক্রমায় দেশী -বিদেশী লেখকদের আরও ৫০টি বই তোমার বুক শেলফে আবারও জমা হয়ে গিয়েছে! তবে, এটা ভালো যে, তুমি নকল বই না রাখার পণটা রাখতে পেরেছো। খরচ বেশি হোক, তবু, আসল বই কেনার ঝোঁকটা তোমার মধ্যে তৈরী হয়েছে। এধরনের ইচ্ছা জাগিয়ে তোলার জন্যে তোমার বন্ধু প্রফেসর ডঃ সৈয়দ খালেদ রহমানকে উদবাহু ধন্যবাদ।
এখন সমস্যা হচ্ছে, এতো বই পড়বে কীভাবে! মুদ্রিত বই পড়তে গেলে তোমার চোখে সমস্যা হয়। মাথা ভন ভন করে। পুরাই ব্রেইন ডিফেক্ট অবস্থা!!! ব্রেইন ডিফেক্ট বলছি এই কারণে যে, ছোটকালে তোমারই না একটা বইয়ের পাঠাগার করার স্বপ্ন ছিলো, যেখানে তুমি সারা দিন মুখ ডুবিয়ে বই পড়বে ভেবেছিলে!
তুমি ঠিকই একটি বইয়ের পাঠাগার করলে, কিন্তু, গুরু মহামতি শামস তাবরীজী তোমার মাথায় কি যে ঢুকিয়ে দিলেন, আর, তুমি সব বই ফেলে দিলে! এখন ঠেলা সামলাো! বই পড়ার ইচ্ছাটাই এখন চলে গিয়েছে!
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


