সিলেটে এসেছি এক সপ্তাহ হয়ে গেলো। গত বৃহস্পতিবার আব্বার কবর জিয়ারতে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। যদিও সরকারী চাকুরী সূত্রে আব্বুর জীবনের বেশিরভাগ সময় ঢাকায় কেটেছে, কিন্তু, বছরে আমাদের নিয়ে একবার হলেও গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেতেনই। আব্বুর মৃত্যুর পরে তাঁর কবরের মাধ্যমে গ্রামের সাথে যোগসূত্র বেড়েছে।
আব্বু অরাজনৈতিক মানুষ ছিলেন। ধর্মীয় কোন দল করতেন না, এমনকি তাবলীগের সাথে সম্পৃক্ততা ছিলো না। কিন্তু, তারপরেও, কখনো তাঁকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কাজা করতে দেখি নাই। মাঝে মাঝে ভাবি, সেই বাবার ছেলে হয়ে আমি কীভাবে রাজনৈতিক অঙ্গনে জরিয়ে গিয়েছিলাম!
রাজনীতি বিষয়ে প্রথম হাতেখড়ি হিজবুত তাহরীরের মাধ্যমে। কিন্তু, পার্টির মতাদর্শের সাথে আমার মতে না মিলায় আমি দলটি থেকে বের হয়ে আসি তিন বছর পরেই! এরপর অনেক দিন ইনএকটিভ ছিলাম। এরপরে, থেকে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন অর্থাৎ চরমোনাইর পীরের হাতে বায়াত নিয়ে নন একটিভ নীরব সমর্থক হিসেবে রয়ে গিয়েছি। মাঝেখানে, কিছু দিন, ৩৬শে জুলাইয়ের ছাত্রদের সংগঠনে কিছু দিন সময় দিয়েছিলাম।
আমার গ্রামের মানুষ সার্বিক উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের উপর সন্তুষ্ট নন। গত এক বছরে গ্রামে কোন উন্নয়ন হয় নাই। স্থানীয় নির্বাচন না হলে উন্নয়ন হবেও না। একই পরিস্থিতি সব জায়গাতে নয়? আমার মতে, প্রায় সব জায়গাতেই একই অবস্থা। আমার গ্রামের বর্তমান চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। গত কয়েক টার্মে তিনি ভালো করছেন। মৃত্যুর আগে আমার চাচা পাঁচ বারের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ছিলেন।
এবারে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে শুনলাম, ডিসেম্বরের জন্যে সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছেন! ছোট থেকে বড় সবাই বঙ্গবন্ধুর কন্যার আগমনের অপেক্ষায়। আমার মনে হয়, বঙ্গবন্ধু কন্যা ঢাকায় না গিয়ে সিলেট, মৌলভীবাজার বা সুনামগঞ্জের কোন গ্রামে অবস্থান নিলে ভালো করবেন। তিনি সেইফ থাকবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



