somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সত্যপথিক শাইয়্যান
অন্যদের সেভাবেই দেখি, নিজেকে যেভাবে দেখতে চাই। যারা জীবনকে উপভোগ করতে চান, আমি তাঁদের একজন। সহজ-সরল চিন্তা-ভাবনা করার চেষ্টা করি। আর, খুব ভালো আইডিয়া দিতে পারি।

বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার আগমনের অপেক্ষায় আমার গ্রামের মানুষ!

১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:৫০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সিলেটে এসেছি এক সপ্তাহ হয়ে গেলো। গত বৃহস্পতিবার আব্বার কবর জিয়ারতে গ্রামের বাড়ি গিয়েছিলাম। যদিও সরকারী চাকুরী সূত্রে আব্বুর জীবনের বেশিরভাগ সময় ঢাকায় কেটেছে, কিন্তু, বছরে আমাদের নিয়ে একবার হলেও গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে যেতেনই। আব্বুর মৃত্যুর পরে তাঁর কবরের মাধ্যমে গ্রামের সাথে যোগসূত্র বেড়েছে।

আব্বু অরাজনৈতিক মানুষ ছিলেন। ধর্মীয় কোন দল করতেন না, এমনকি তাবলীগের সাথে সম্পৃক্ততা ছিলো না। কিন্তু, তারপরেও, কখনো তাঁকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ কাজা করতে দেখি নাই। মাঝে মাঝে ভাবি, সেই বাবার ছেলে হয়ে আমি কীভাবে রাজনৈতিক অঙ্গনে জরিয়ে গিয়েছিলাম!

রাজনীতি বিষয়ে প্রথম হাতেখড়ি হিজবুত তাহরীরের মাধ্যমে। কিন্তু, পার্টির মতাদর্শের সাথে আমার মতে না মিলায় আমি দলটি থেকে বের হয়ে আসি তিন বছর পরেই! এরপর অনেক দিন ইনএকটিভ ছিলাম। এরপরে, থেকে ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলন অর্থাৎ চরমোনাইর পীরের হাতে বায়াত নিয়ে নন একটিভ নীরব সমর্থক হিসেবে রয়ে গিয়েছি। মাঝেখানে, কিছু দিন, ৩৬শে জুলাইয়ের ছাত্রদের সংগঠনে কিছু দিন সময় দিয়েছিলাম।

আমার গ্রামের মানুষ সার্বিক উন্নয়ন পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের উপর সন্তুষ্ট নন। গত এক বছরে গ্রামে কোন উন্নয়ন হয় নাই। স্থানীয় নির্বাচন না হলে উন্নয়ন হবেও না। একই পরিস্থিতি সব জায়গাতে নয়? আমার মতে, প্রায় সব জায়গাতেই একই অবস্থা। আমার গ্রামের বর্তমান চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। গত কয়েক টার্মে তিনি ভালো করছেন। মৃত্যুর আগে আমার চাচা পাঁচ বারের চেয়ারম্যান ছিলেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর অনুসারী ছিলেন।

এবারে গ্রামের বাড়িতে গিয়ে শুনলাম, ডিসেম্বরের জন্যে সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছেন! ছোট থেকে বড় সবাই বঙ্গবন্ধুর কন্যার আগমনের অপেক্ষায়। আমার মনে হয়, বঙ্গবন্ধু কন্যা ঢাকায় না গিয়ে সিলেট, মৌলভীবাজার বা সুনামগঞ্জের কোন গ্রামে অবস্থান নিলে ভালো করবেন। তিনি সেইফ থাকবেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৬
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৮ বছর পর ঋণের খোঁজে সন্তান বনাম হাজার কোটি টাকার খেলাপি: আমাদের ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারের ট্র্যাজেডি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

সংবাদের পাতার দুটি বিপরীতমুখী ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চরম এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

একদিকে আমরা দেখি, ২৮ বছর আগে বাবার নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকার দাদন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×