somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

যুদ্ধাপরাধীর বিচার চাই, মনে প্রাণে চাই

১৬ ই জুন, ২০১০ ভোর ৪:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

যুদ্ধাপরাধী বিচার চাই, মনে প্রাণে চাই । জানি না আপনাদের কেহ ৭১ যুদ্ধে শহীদ হয়েছে কিনা, কিন্তু আমার আপন মামা শহীদ হয়েছেন । এই বড় মামা মারা যাওয়ার পর, মা যখন কাঁদছিলেন, তখন আমি অনেক ছোট, মা কাঁদছে, আমি এসে মার সাথে কান্না করলাম, আবার কখন যে খেলতে গেছি মনে নাই। আবার এসে দেখি মা এখন কাঁদছে । এক সময় এসে মার চোখের পানি মোচে দিতে গিয়ে মা আমাকে জড়িয়ে আরো কাঁদলেন, সে দিনের সময়টুকু এখন ও মনে পড়ে । সময় পার হয়ে অনেক দিন পার হলে ও মার কান্না আজ ও মনে আছে । উনি ছিলেন সংসারের উপার্জনক্ষম ব্যাত্তি । বর্তমানে তাদের ফ্যামিলিতে করুন অবস্হা । কারণ বড় মামা নাই ।
একদলের বিচার হবে আরেক দল করলে বিচার হবে না, এইটা মানি না। দলা দলির রাজনীতি না করে ব্যাক্তির বিচার চাই । বাংলাদেশের দলা দলির রাজনীতি ভাল লাগে না । এসব করে আজ ও বিচার হয় নাই ।

সবাইকে বলছি যুদ্ধাপরাধীর রাজনীতি না করে বিচার চান, আমরা আছি । রাজনীতির জন্য পোষ্ট দিবেন না ।

এসব করে আজ ও বিচার হয় নাই । শুধু রাজনীতি রাজনীতি রাজনীতি । নিচে এর উদাহরন দিলাম ।

নিচের অংশ টুকু কপি পেষ্ট করা ।

প্রধানমন্ত্রীর নিজ মেয়ে পুতুলের (সায়মা ওয়াজেদ পুতুল) দাদা শ্বশুর এবং বর্তমান জনশক্তি মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর বিয়াই ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফদের বাবা ফরিদপুরের নূরু মিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ উঠলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এধরণের অভিযোগ প্রসঙ্গে সাফাই গাইতে গিয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছেন এভাবে- তার মেয়ের দাদা শ্বশুর নূর মিয়া রাজাকার বা শান্তিকমিটির কর্মকর্তা থাকলেও তিনি মানুষের কোন ক্ষতি করেননি। তিনি যুদ্ধাপরাধীদের সাথে তার পরিবারের গভীর এবং সুদৃঢ় সম্পর্কের কথা তুলে ধরতে গিয়ে ধর্মের ঢোল বাতাসে নড়ের ন্যায় বলে ফেলেছেন তারই ফুফাতো ভাই শেখ সেলিমের বেয়াই প্রখ্যাত রাজাকার মুছা বিন শমশেরের প্রসংঙ্গে। যা অনেকেই জানত না। জাতি জেনেছে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীর মুখ থেকে। প্রধানমন্ত্রী’র এই বক্তব্যের মাধ্যমে প্রমাণ হয় যে, তার দল, এমনকি তার পারিবারিক ঘনিষ্ঠজনদের বিরোদ্ধেও যুদ্ধাপরাধ বা পাকবাহিনীর সাথে কোলাবরেশনের যে অভিযোগ তা সত্য। প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যের মধ্য দিয়ে দুটি সত্য বেরিয়ে এসেছে। সকল রাজাকার বা শান্তি কমিটির সদস্য যুদ্ধাপরাধী নন। তার এই বক্তব্যের সাথে জামায়াতের বক্তব্য মিলে যায়।
---------------------------------
পরিশেষে সবাই কে বলি,

যুদ্ধাপরাধির বিচার চাই, মনে প্রাণে চাই ।
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পরকালে আল্লাহর বন্ধু, দাস নাকি কয়েদী হবেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২২ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:১৪




সূরাঃ ৫১ যারিয়াত, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদের আগের রাতে দুই মোল্লার কথোপকথন ( (কাল্পনিক)

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:২১


এশার নামাজ শেষ হয়েছে বেশিক্ষণ হয়নি। মসজিদের ভেতর রফিকুল্লাহ সাহেব একা বসে আছেন। বয়স বাষট্টি। হাতের তসবিটা নাড়ছেন, কিন্তু গোনা হচ্ছে না আসলে। চোখ গেছে দূরে—বাজারে আলো জ্বলছে, রিকশার ভিড়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুর ঈদ কবে?

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ২২ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৫:০৬




সবাইকে ঈদ মুরাবক!

ঈদ কেমন গেলো? পুরো রমজানের দুআা কতটুকু কাজে লেগেছে? বৃষ্টি ভেজা, বজ্রপাতে কোনো ভোগান্তি হয়েছে : প্রিয়জন সব ঠিকঠাক আছে? আহত বা নিহত হয়েছে?? ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে-৩

লিখেছেন অর্ক, ২২ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:৪৫



সারাজীবন আমি মানবতা, সত্য, শুভ, সুস্থ, সুন্দরের চর্চা করে এসেছি। আমার উপর শতভাগ আস্থা রাখতে পারেন। শতভাগ নিশ্চিত না হয়ে আমি কিছু বলি না বা দাবি করি না। এই... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইহুদীদের ষড়যন্ত এবং আমেরিকার খনিজ সমৃদ্ধ ভূমী দখলের লীলাখেলা।

লিখেছেন রাশিদুল ইসলাম লাবলু, ২৩ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১:৪২



র্দীঘদিন ধরে ইহুদীরা মুসলিমদের সন্ত্রাসী পরিচয় তকমা দিয়ে বিশ্ব দরবারে ঘৃন্য জাতি সত্ত্বাতে পরিনত করার অপেচেষ্টায় রত ছিলো। মুসলমান মানেই সন্ত্রাসী প্রথমেই ধারনা দিতে তৈরি করা হল আল কায়দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×