somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বেহুলার বাসর ঘর তারপর বগুড়ার দই - দেখে & খেয়ে আমরা প্রীত হই !!!

১৮ ই আগস্ট, ২০০৯ রাত ৯:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




পাহাড়পুর(Click This Link) থাকব না ফিরে যাব- এই নিয়ে সবাই দ্বিধান্বিত। থাকলে কোথায়- নওগাঁ , জয়পুরহাট নাকি বগুড়ায়। বগুড়ায় জয়ী হল। যাবার সময় যে পথ আড়াই ঘন্টা লাগল তা এবার পাড়ি দিলাম এক ঘন্টায় জয়পুরহাট জেলা সদর হয়ে ফিরতি পাথে।

আজ আমার মন ভাল নেই-মন বসছেনা কোন কাজেতেই" এই পন করে সূর্য মামা আর দেখাই দিলনা। বিলাস ভুল রাত্রি যাপন শেষে গুঁড়িগুঁড়ি বৃষ্টি মাথায় নিয়ে আমাদের গন্তব্য বেহুলার বাসর ঘর।

পদ্মা দেবীর অভিশাপে চাঁদ সওদাগরের ছয় পুত্রের (যাদের স্ত্রীরাও পরষ্পর বোন ছিল ) মৃত্যু হলে বহু দেনদরবারের পর ঐ বোনদেরই সর্বশেষ বোন বেহুলার সাথে সওদাগরের শেষ পুত্র লক্ষিন্দরের সাথে বিবাহ ঠিক হল। তারা আবার প্রমিক-প্রমিকাও ছিল। পদ্মা দেবীর আদেশে মা মনষা সাপ কালানাগকে পাঠাল লক্ষিন্দরকে মারার জন্য। পূজা না করায় অভিশপ্ত সওদাগর পুত্রকে বাঁচানোর জন্য তাই লোহার বাসর ঘর তৈরী করল ।

দেবীর আদেশে কর্মকার একটি ছিদ্র রেখে দিল কালনাগের প্রবেশের জন্য । সর্পদংশন এবং অতঃপর স্বামীকে নিয়ে বেহুলার ভেলায় করে নিরুদ্দেশ যাত্রা । পদ্মাদেবীর দর্শন, ক্ষমা লাভ , অতঃপর স্বামী শ ভাসুরদের নিয়ে গৃহে প্রত্যাবর্তন । সওদাগরের সন্দেহে বেহুলার সতীত্ব পরীক্ষায় জয়ী হয়ে স্বামীর সম্মুখে গমনের পর " সেই সবকিছু পাইলাম কিন্তু আমাদের মিলন মর্ত্যের বাসর ঘরে হইবেনা- হইবে স্বর্গে" বলিয়া শূণ্যে মিলিয়া গেল ।

এই লোক কথা লাহিড়ীপাড়ার কবি জীবন মিত্রের "ভাসানযাত্রা " কাব্যের একটি কাহিনী - এটাই আমার কাছে মনপুতঃ ব্যাখ্যা বলে মনে হল। ময়মনসিংহ গীতিকায় বাসরঘর নিয়ে এমন আরও কাহিনীর বর্ণনা পাওয়া যায়।

অতঃপর মহাস্হানগড় দর্শন শেষে বগুড়ার বিখ্যাত আকবরীয়া হোটেলে কাচ্চী ভোজ। ডেজার্ট এর জন্য এশিয়া সুইটস এ গমন। দই কেনার প্রতিযোগীতা আর নানা রকমের মিষ্টির মিষ্টতা পরীক্ষা শেষে ঢাকার পথে যাত্রা।
পথে পড়া সিরাজগঞ্জ (Click This Link)দেখার ইচ্ছাটা দমন করা গেলনা । যমুনার হার্ড পয়েন্ট ঘুরে অবশেষে আবারও প্রিয় ঢাকাতে। ;)

নওগাঁয় কি দেখতে গেছি এই নিয়ে আক্ষেপ করা ড্রাইভার সিরাজ ভাই নামার আগে বলল -আপনারা এর পর থেকে কোথাও গেলে আমারে খবর দিয়েন B-)

পথে হল দেখা :

















৩৪টি মন্তব্য ৩৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কিছুই ভাল্লাগে না আজ তবু সময় বয়ে যায়

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৭:০৮


কিছুই ভাল্লাগে না আজ
মানুষের মুখে মানুষেরই রক্তের গন্ধ লেগে আছে
শিশুর কান্না আকাশ ছুঁয়েও
কোনো ক্ষমতার প্রাসাদের জানালা কাঁপে না।

বাংলাদেশ জেগে থাকে
গ্যাসের অপ্রতুলতা, দ্রব্যমূল্যের দীর্ঘশ্বাস,
বেকার যুবকের অনিদ্রা,
আর প্রতিদিনের অগণিত অসমাপ্ত প্রতিশ্রুতির পাশে।
সংবাদপত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১০:৩৬



ফেসবুক মেমোরিঃ
৩২ জুলাই এই পোস্ট লিখেছিলাম.....

"জাগো বাহে কোনঠে সবাই"....

ভালো থাকার চেষ্টা সবসময় করি, বেঁচে থাকার উপাদান খুঁজে নিতে চেষ্টা করি- পুঞ্জিভূত ক্ষোভ আর কিছু করতে না পারার আফসোস... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা সীমানা পেরিয়ে - বালির দাগে রাজনীতি

লিখেছেন রাজসোহান, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সকাল ১১:০২



১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর রাতে পৃথিবীর ইতিহাসে রেকর্ড হওয়া সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানে। ভোলা সাইক্লোন। দশ মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস উঠে আসে ব-দ্বীপের নিচু চরে। মৃতের সংখ্যা তিন থেকে পাঁচ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরি - ১৯৫

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১২



আজ সকালে হোটেলে নাস্তা করেছি।
ইচ্ছা ছিলো ঘুম থেকে উঠবো ১২ টায়। কিন্তু এক ছাগলে অকারণে ফোন করে ঘুমটা নষ্ট করে দিয়েছে। রাতে যে মোবাইলের সাউন্ড বন্ধ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

দেশ ভ্রমনঃ মেহেন্দীগঞ্জ উলানিয়া_জমিদার বাড়ি

লিখেছেন মৌন পাঠক, ০২ রা আগস্ট, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আপনি যদি ঢাকায় থাকেন, তবে কোনো এক বিকেল কিংবা সন্ধ্যায় চলে যান সদরঘাটে। সেখান থেকে উলানিয়াগামী কোনো একটি লঞ্চে উঠে পড়ুন। লঞ্চের ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলে এক পাশের একটি কেবিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×