somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভিন্নতা ( তীব্রভাবে ১৮++)

০৮ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কলিংবেল দিয়ে অপেক্ষা করছে টুটুল ।
দরজা খুলে দিল রোমানা আপা । সালাম দিল টুটুল, কেমন আছেন জানতে চাইল । লোপা কে দেখছেনা, আপাই বললেন সে চা বানাতে গেছে । আপনি বসেন , আমি ফ্রেশ হয়ে নিই বলে ভেতরের রুমে চলে গেল সে ।
রোমানা আপাকে দেখে অবশ্য সে মোটেই অবাক হয়না, আপা তার বাসার নিয়মিত অতিথি, কিংবা লোপার ও নিয়মিত যাবার একমাত্র জায়গা আপার বাসা । পাঁচ মিনিট দুরত্বের মাঝে তাদের বাসা । এই রোমানা আপার মাঝে যে কি আছে, টুটুল খুজে পায়না। তাদের এ্যারেঞ্জড ম্যারেজ । দুজন থাকত মেসে আর ছাত্রী হোস্টেলে । একই শহরে তাদের বাড়ি , সেখান থেকেই এই বিয়ের আয়োজন । পরিচয় পর্ব শেষে যখন বিয়ে মোটামুটি পাকা তখন টুটুল লোপা কে বলে বাসা কোথায় নিতে চাও, কোথাই নিলে ভাল হবে ।

একথা ও কথার পর লোপা জানায় রোমানা আপা যেখানে থাকে তার কাছাকাছি নিলে ভাল হবে । আপার অফিস আর তার অফিস ও কাছাকাছি, কাজেই দুজন একসাথে যাওয়া আসা করতে পারবে, আর বিপদে আপদেও আপাকে কাছে পাওয়া যাবে । ঢাকা শহরে এমনিতেই কেউ কাউকে চেনেনা, কাছাকাছি অন্তত কেউ একজন থাকলে মন্দ না । টুটুল ও সম্মতি জানায়, চেনা জানা কেউ কাছাকাছি থাকলে সেটা ভালই । দুজন একদিন আপার বাসায় যায় । ভাই আপা দুজনই অমায়িক মানুষ । তারাও খুশি মনে আমন্ত্রন জানায় তাদের কাছাকাছি থাকার জন্য । তাদের ও তেমন পরিচিত কেউ নেই ঢাকা শহরে । টুটুল জানতে পারে ছুটির দিনগুলোতে মাঝে মাঝে লোপা সেখানে গিয়ে থাকে, সারারাত আড্ডা দেয়, মুভি দেখে । রোমানা আপার স্বামী জানায়, ভালই হবে তোমরা কাছাকাছি চলে আসলে, একসাথে মুভী দেখা , কিংবা ঘুরতে যাওয়ার ও নানা প্ল্যান করা যাবে ।

সপ্তাহখানেক এর মাঝে আপা বেশ কয়েকটি বাসা দেখে তাদেরকে খবর দেয় । তারা দুজনে গিয়ে এই বাসাটি পছন্দ করে । রোমানা আপাকে ধন্যবাদ দেয় টুটুল, বাসা খোজাখুজি খুব একটা আরামের কাজ না, সে জানে। আপা মোটামুটি বলতে গেলে তাদের কস্ট থেকে উদ্ধার করেছেন । আপা আর ভাই তাদের বিয়েতেও এটেন্ড করে, ঢাকায় আসার পর প্রথম দুদিনের সব খাবার আপাই রান্না করে দিয়ে গিয়েছিলেন । সবসময় একটা কৃতজ্ঞতা বোধ ও কাজ করে তার । এখনও জরুরি কাজে ঢাকার বাইরে যেতে হলে লোপা কে আপার বাসাতেই রেখে আসে, আপাও মাঝে মাঝে তাদের বাসায় এসে থাকেন ভাই না থাকলে । মোটামুটি পারিবারিক একটা সম্পর্কই দাঁড়িয়ে গেছে এখন তাদের ।
তবে একটা জিনিস টুটুল কিছুতেই বুঝেনা, আপা আসলে কিংবা লোপা আপার বাসা থেকে আসলে ব্যাপক ফুরফুরে মেজাজে থাকে । সে নিজে নিজে হাসে কি এমন আড্ডা যে তারা দেয় এটা জানতে পারলে ভাল হত, একদম ফুরফুরে হয়ে যায় দুজনই । যায় হউক ভাল থাকা নিয়ে কথা, এটা নিয়ে সে মোটেই মাথা ঘামায়না ।


রোমানা আপা লোপার দুবছরের সিনিয়র । হলের কমন রুমে একবছর পার করার পর তাকে ডাবলিং করার জন্য রোমানা আপার সাথে সিট দেয়া হল । আগে থেকে দুজনের তেমন কোন পরিচয় ছিলনা, হলের মাঝে মুখ চেনা বলতে যা বোঝায় অতটুকুই । লোপা কিছুটা টেনশনে ছিল, সিনিয়র এক আপু সাথে বেড শেয়ার, আদৌ আপু তার সাথে শেয়ার করবেন কিনা সে ছিল দ্বিধান্বিত । হল গুলাতে সিনিয়ররা এমনিতেই ভাবের উপর থাকে, তার উপর বেড শেয়ার এর কথা শুনলেত তাদের মেজাজ বিগড়ে যাবার কথা । ফল অফিস থেকে জানার পর লোপা ভয়ে ভয়ে রোমানার সাথে দেখা করতে যায় ।

রোমানাও একসময় কমন রুমে ছিল, সেখান থেকে সে ডাবলিং করে থেকেছে । তার আগের পার্টনার ফাইনাল ইয়ার এ উঠায় সিংগেল সিট পেয়ে অন্য রুমে চলে গেছে । সে ও জানত তার সাথে কোন একজনকে দেয়া হবে । এই নিয়ে নেগেটিভ কিছুই সে ভাবেনি, কেবল আশা করেছিল মেয়েটা যেন ভাল হয় ।

লোপাকে দেখে রোমানা ভাল ব্যবহার ই করেছিল, লোপা ও তাতে বেশ খুশি হয়েছিল । এরপর একদিন বইপত্র নিয়ে উঠে আসে । রুমে আটজন থাকত তারা । সবার সাথেই সবার মোটামুটি ভাল সম্পর্ক । লোপা রোমানার শেয়ার করা জীবন ভালই চলছিল । কখনোই কোন ঝামেলা তাদের হয়নি, সিনিয়র হিসেবে রোমানাকে সে যথেস্ট সন্মানই করত । রোমানাও লোপাকে অনেক স্নেহ করত ।
একদিন সন্ধ্যায় লোপা একা রুমে বসেছিল, এমন সময় কান্নাভেজা চোখে রোমানার আগমন । তাকে দেখ লোপাও থতমত খেয়ে যায়, কি হয়েছে জানতে চায় । লোপাকে জড়িয়ে ধরে রোমানার সেকি কান্না । সে কোন কারন ই বুঝতে পারছিলনা, রোমানাও কিছু বলছিলনা, কেবল কাঁদছিল । পরে অন্যরা একে একে রুমে আসতে শুরু করায় রোমানা কান্না থামিয়ে দিয়েছিল । বাকিরা কেউ তেমন কিছু বুঝতে পারেনি । রাতে ডিনার শেষে তারা দুজন হলের সামনে গাছের নিচে বসে ।

রোমানা ছলছল চোখে জানায় তার ব্রেকআপ হয়ে গেছে । লোপা অবাক হয় । কারন আপু কখনো শেয়ার করেনি যে সে প্রেম করছে । একটা ছেলের সাথে প্রায়ই কথা বলত। মাঝে মাঝে দেখা সাক্ষাৎ ও করত , কিন্তু সেটা যে প্রেম হয়ে গেছে এমনটা কখনো স্বীকার করেনি, আবার তার ব্রেক আপও, লোপা মেলাতে পারেনা । রোমানা জানায় তারা বছর খানেক ধরে রিলেশনে ছিল, এমন না যে সেটা সুগভীর প্রেম, দুজন দুজনকে বুঝত, সময় দিত কিন্তু কখনো মুখ ফুটে কেউ কাউকে বলেনি ভালবাসার কথা । সে ও দরকার মনে করেনি, ভেবেছে সময় হলে এমনিতেই বলা হয়ে যাবে । এভাবেই চলছিল । গত সপ্তাহে সে যখন বসুন্ধরা সিটিতে যায় তখন দেখে ঐ ছেলে অন্য একটা মেয়ের সাথে ফুডকোর্টে বসে আছে । রোমানা আড়াল থেকে তাদের ফলো করে । খাওয়াদাওয়া শেষে তারা খুব ক্লোজলি ঘুরে বেড়ায় হাত ধরাধরি করে । অনেকক্ষন সময় কাটায় সেখানে, সে দূর থেকে সব দেখছিল ।

পরে রাতে যখন সে ফোন করে ঐ বিষয়ে কোন কথায় বলেনি । খু স্বাভাবিক ভাবেই তারা কথা বলে, যোগাযোগ থাকে । আজকে যখন তারা দেখা করে তখন সে ঐ দিনের কথা তোলে । প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে স্বীকার করে নেয় সেটা সেই ছিল এবং সে ঐ মেয়েকে ভালবাসে । তাহলে রোমানার সাথে কেন কথা বলে, ঘুরে বেড়াই এই কথা জানতে চাওয়ায় সে বলে এটা তার ভাল লাগে তাই করে কিন্তু সে রোমানাকে ভালবাসেনা । রোমানা সেখান থেকে সোজা উঠে চলে এসেছে ।

এতটুকু বলেই রোমানা আবার কান্না শুরু করে । লোপা তাকে কোন মতে শান্ত করার চেস্টা করে, পরিচিত কোন মেয়ে দেখে ফেললে ব্যাপারটা নিয়ে শুধুশুধু কানাকানি হবে , এ কথা বলে রোমানাকে শান্ত করার চেস্টা করে সে । চুপচাপ বসে থাকে অনেকক্ষন তারা, মাঝে মাঝে টুকটাক কথা বলে । লোপা বোঝানোর চেস্টা করে, যে হয়েছে ভাল হয়েছে , তুমি দেখে ফেলায় বেঁচে গেছ। না হলে আরো গভীর সম্পর্কে জড়িয়ে পরলে কস্ট আরো বাড়ত । এখন ঐ ছেলের চিন্তা বাদ দাও, সামনের দিকে তাকাও । বেশ দেরি করেই তারা রুমে ফিরে । ততক্ষনে সবাই শোয়ার প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে ।

সবাই মনে হয় ঘুমিয়ে পড়েছে । লোপার ও ঘুম আসে আসে অবস্হা । এমন সময় সে টের পায় রোমানা নিঃশব্দে ফুফিয়ে ফুফিয়ে কাঁদছে । দুজন দুদিকে ফিরে ছিল । লোপা পাশ ফিয়ে রোমানা কে ঘুরিয়ে নিজের দিকে টেনে নেয়। তাকে আলতো ভাবে জড়িয়ে স্বান্তনা দেয়ার চেস্টা করে । কেউ কোন কথা বলছেনা তাতে না আবার রুমের বাকিরা জেগে উঠে । লোপা কাছে টেনে নেয়ায় রোমানার কান্নার বেগ আরো বাড়তে থাকে । শব্দহীন ভাবে কাঁদাও বেশ কস্টের । রোমানাকে একই সাথে নিঃশব্দ থেকে কান্না করার কস্ট করতে হচ্ছে । লোপা তার পিঠে হাত বুলিয়ে দেয় ।

অনেকটা সময় পেরিয়ে যায়, তারা দুজনের কেউ ঘুমায়নি এখনো । রোমানার কান্না কিছুটা কমেছে বুঝতে পারে লোপা । মাঝে মাঝে কেবল ফুপিয়ে উঠছে এখন । হঠাৎ রোমানা আরো শক্ত করে লোপাকে জড়িয়ে ধরে , কান্নার বেগ আবার বাড়ছে মনে হচ্ছে । লোপার বুকের মাঝখানে নিজের মুখ গুজে দিয়ে ফোফাতে থাকে সে । লোপার কেমন জানি লাগে । পাতলা টিশার্ট পড়ে আছে সে, অন্তর্বাস ও নেই গায়ে, রোমানার ভারী তপ্ত নিঃশ্বাস সরাসরি তার বুকে লাগছে । শরীরে কেমন জানি একটা শিহরণ টের পাচ্ছে লোপা । রোমানা আরো শক্ত করে লোপাকে ধরে, লোপার টিশার্ট পিঠের উপরে উঠে আসায় রোমানার হাত সরাসরি লোপার পিঠে , সেখানেও কেমন জানি লাগছে লোপার । রোমানার মুখের স্পর্শে লোপার বুকে কেমন একটা আন্দোলন হচ্ছে, সে হালকা উত্তেজনা ফিল করতে থাকে, এমনটা আগে কখনো হয়নি ।

শরীরি উত্তেজনা সে যে আগে কখনো ফিল করেনি এমনটা নয়, তবে সেটা কেবল অনুভবে ছিল । আজ অন্য একটা শরীরের ছোয়ায় তার শরীরে হঠাৎ করে কেমন একটা উত্তেজনা চলে এসেছে । রোমানার স্পর্শে তার স্তন জেগে উঠেছে, সে টের পাচ্ছে তার স্তনবৃন্ত কেমন যেন শক্ত হয়ে যাচ্ছে । ব্যাপারটা ভেবে কিছুটা লজ্জা পেল লোপা । এমন সময় রোমানা আরো শক্ত করে চেপে আসে লোপার কাছে, পিঠে আরো জোরে চেপে ধরে হাত, যদিও তার ফোপানো কান্না চলছে । লোপার অনুভূতিটাকে সে ভাল লাগা বলবে কিনা বুঝতে পারেনা, আবার ভাবছে এমন হচ্ছে কেন, একটা মেয়েরইত স্পর্শ ! লোপা বুঝতে পারে তার ভাল লাগছে । সারা শরীর জুড়ে একটা অনুভব টের পায় সে ।
কাঁদতে কাঁদতে রোমানা যখন লোপার বুখে মুখ গুজে দিয়েছিল, তার কিছুক্ষন পর সে ও টের পায় , লোপার শরীরের বেড়ে যাওয়া হার্টবিট । তার ও সত্যি বলতে কেমন জানি ভাল লাগে লোপার বুকে মুখ ঘষতে , পিঠে সরাসরি হাত দিয়ে জড়িয়ে ধরতে । সেও একসময় লোপাকে আরো শক্তভাবে জড়িয়ে ধরে । লোপার শক্ত হয়ে যাওয়া স্তনবৃন্ত সে টের পায় । তার মুখ অনেকটা কাছে পৌছে যায় , কাছাকাছি মুখ ঘষতে থাকে । কান্নার ফাঁকে ফাঁকে রোমানার শরীর ও কেমন জানি হয়ে উঠে । তার লোপাকে আরো ঘনিষ্ঠ ভাবে জড়িয়ে ধরার ইচ্ছা জাগে । কিন্তু ব্যাপারটায় লোপার কি প্রতিক্রিয়া হবে সে বুঝতে পারেনা , তাই যে অবস্হায় আছে সেভাবেই থাকে ।

অনেকটা সময় পর বলা যায় দুজনই শান্ত হয়, ঘুমিয়ে পড়ে । পরদিন সন্ধ্যায় রোমানা রুমে এসে লোপাকে নিয়ে ক্যান্টিনে যায় নাস্তা করার জন্য । লোপা লক্ষ্য করে গতকালকের সব হারিয়ে ফেলার যন্ত্রনায় থাকা রোমানা আজ নিজেকে বেশ সামলিয়ে নিয়েছে । লোপাকে ধন্যবাদ দেয় রোমানা গতকাল তাকে এভাবে আগলে রাখার জন্য । একফাঁকে জানায় লোপাকে জড়িয়ে শুয়ে থাকতে তার অনেক ভাল লাগছিল । লোপা হাসে ।

রাতে রুমের সবাই একসাথে শুয়ে পড়ে । সবাই ঘুমিয়ে গেছে হয়ত, লোপা রোমানা দুজেনর কারোরই চোখে ঘুম নেই । লোপা গতকালকের কথা ভাবছে, অমন ঘনিষ্ঠ ভাবে রোমানা তাকে জড়িয়ে ধরায় তার ভালই লেগেছে । রোমানাও সে কথা ভেবে ভাবছে সে অনুভূতির কথা । তার এখন ইচ্ছা করছে লোপাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতে । হটাৎ পাশ ফিরে রোমানা লোপার কানে কানে বলে জেগে আছিস । লোপা ও ফিসফিসিয়ে বলে হা । রোমানা বলে আমার খুব তোকে জড়িয়ে ধরে ঘুমাতে ইচ্ছা করছে । লোপা সম্মতি জানায় ।

আজ রোমানার হাত লোপার পুরো পিঠে ঘুরে বেড়ায় । কিছুক্ষন পর লোপার হাত ও ঘুড়ে রোমানার পিঠে । দুজনের কেমন একটা ভাললাগা কাজ করে । রোমানা শক্ত করে লোপাকে জড়িয়ে ধরে, লোপাও । দুজন দুজনের উষ্ণতা টের পায় । এভাবেই কিছু দিন চলতে থেকে তাদের ঘুমানোর আগের বিনোদন ।
একদিন দুপুরের পরে রুমে কেউ নেই, রোমানা একা ছিল । এমন সময় লোপা ক্লাশ শেষে ফেরত আসে। রোমানার সমানেই লোপা ড্রেস চেঞ্জ করে । রোমানা তাকিয়ে দেখে । বিছানা থেকে উঠে সে লোপাকে বলে চল । লোপা জানতে চায় কোথায় । রোমানা লোপাকে নিয়ে হলের শাওয়ার রুমে চলে আসে । এমনিতেই এই অবেলায় খুব বেশি মানুষ গোসালে আসার চান্স নেই । লোপাকে নিয়ে সে একটা কক্ষে ঢুকে যায় । লোপা কিছু একটা বলতে যাবে তার আগেই রোমানা তার মুখে হাত দিয়ে কথা থামিয়ে দিয়ে কানে কানে বলে কোন কথা বলার দরকার নেই ।

টাওয়েল নিয়ে এসেছিল দুজনেই । রোমানা সেগুলা ঝুলিয়ে রাখে । লোপার চোখে চোখে তাকায়, সেখানে বিষ্ময়, সে এখনো বুঝতে পারছেনা কি হতে চলেছে । রোমানা লোপাকে জড়িয়ে ধরে, লোপাও । এরপর লোপাকে অবাক করে দিয়ে রোমানা লোপার ঠোঁট নিজের মুখে নিয়ে নেয় । লোপা অবাক হয় কিন্তু বাঁধা দেয়না । পাল্টাপাল্টি চলে, দুজন দুজনের ঠোঁট মুখে পুরে নেয় বেশ কয়েকবার , দুজনেরই ভাল লাগে । লোপার যেন কেবল অবাক হবার পালা । এরপর রোমানা লোপার টিশার্ট খুলে ফেলে । লোপার যেন বাঁধা দেয়ার কিংবা কিছু বলার শক্তিও চলে গেছে । দুহাতে লোপার স্তন তুলে নেয় রোমানা । একসময় সেগুলা মুখেও পুড়ে নেয় । লোপা শিহরিত, তার ভাল লাগছে । তার সারা শরীর জুড়ে আন্দোলন , নিন্মাঙ্গ ও যে সাড়া দিচ্ছে লোপা বুঝতে পারে, কিন্তু কি করবে সে ভেবে পায়না । এদিকে রোমানা যেন কোথায় হারিয়ে গেছে , তার একটাই মনোযোগ লোপার বুকে ।

রোমানাও তার টিশার্ট খুলে ফেলে । লোপা অবাক হয়ে দেখে, বাহ কি সুন্দর রোমানা আপুর স্তন । টিশার্ট খোলা দেখেই সে বুঝতে পারে রোমানা কি চাচ্ছে । দ্বিধা ছাড়ায় লোপাও রোমানাকে প্রতিউত্তর দেয়, রোমানার বুকে মুখ গুজে দেয় । রোমানার চেয়েও যত্ন করে সে বুকের মাঝে ঘুড়ে বেড়ায় । মনে হচ্ছে কতদিনের ক্ষুধা তার । উত্তেজনায় রোমানার ইচ্ছে করে শব্দ করতে, নিজেকে সামলায় সে । লোপার আদরে রোমানার শরীরেও বান ডেকেছে । একসময় দুজনের উত্তেজনা কমে আসে । রোমানা আস্তে করে বের হয়ে পাশের আরেকটি শাওয়ার রুমে চলে যায় ।

কেবল শাওয়ার রুমের পানি পড়ার শব্দ আসছে , দুজনের শরীর বেয়ে নেমে পড়ে শীতল জল, আস্তে আস্তে শান্ত হয় দুজনই । প্রতিরাতে হালকা ছোয়ার পাশাপাশি মাঝে মাঝে শরীরের উপরের অংশে এমন এডভেঞ্চার চলতে থাকে তাদের ।

হঠাৎ করে তিন দিনের একটা ছুটি পাওয়ায় রোমানা পরিকল্পনা করে ঢাকার কাছেই তার এক খালার বাড়ি বেড়াতে যাবে, সাথে লোপা কেও নিবে । লোপা না করেনা । সারাদিন হইহুল্লোড় করে দারুন কাটে তাদের । রাতে ঘুমানোর জন্য রুমে ঢুকে দরজা লাগিয়ে সাথে সাথেই রোমানা লোপাকে জড়িয়ে ধরে অনেক গুলো চুমু দেয় । লোপা হাসতে হাসতে বলে তোমার কান্ড দেখে মনে হচ্ছে প্রেমিক প্রেমিকা বিয়ে করেছে, এখন তারা বাসর ঘরে ঢুকল । রোমানা বলে তাইত , কতদিন অপেক্ষা করে আছি তোকে এভাবে পাব বলে, বলে দুজনেই হাসতে থাকে ।

বিছানায় গিয়ে রোমানা বলে আজ তোকে নতুন একটা জিনিস দেখাব , একটা মেয়ে আরেকটা মেয়েকে কিভাবে ভালবাসে । লোপা বলে তুমি কোথায় পেলে এই জিনিস । রোমানা হাসতে হাসতে তার মোবাইল থেকে একটা এডাল্ট সাইটে যায়, সেখান থেকে একটা লেসবিয়ান ভিডিও প্লে করে । লোপার সামনে তার বান্ধবীরা অনেক পর্ণ দেখলেও সে কেন জানি এটার প্রতি কখনো আকর্ষন বোধ করেনি ।

আজ দুজন মিলে দেখতে শুরু করে । শুরুটা ভাল লাগলেও শেষটায় এসে লোপা বলে এসব কেমনে সম্ভব । রোমানা অভয় দিয়ে বলে এইসব কোন ব্যাপারইনা । এই ধরনের সেক্সটয় এখন বাংলাদেশেই এভেইলএবল । অনলাইনেই কিনতে পাওয়া যায় । অনেকেই নাকি এসব ব্যবহার করছে । লোপা বলে তুমি কিভাবে জান । আরে ক্লাশে পোলাপানের কাছ থেকে কত কিছু শুনি, তোরা কি খালি লেখাপড়ার কথা বলিস নাকি ! রোমানা উঠে লাইট বন্ধ করে দিয়ে আসে ।

দুজন পাশাপশি শুয়ে । রোমানা আধাশোয়া অবস্হায় লোপার কাছাকাছি আসে । লোপার ঠোঁঠ নিজের মুখে তুলে নেয় । লোপাও রোমানার পিঠে নিজের দুহাত দিয়ে জড়িয়ে ধরে । অল্প সময়ের মাঝেই দুজন শরীর থেকে সব কাপড় খুলে ফেলে । রোমানা লোপার শরীরময় ঘুরতে থাকে । শরীরের নিন্মাঙ্গে যখন চুমু দিতে থাকে লোপার অস্বত্তি লাগে, সে রোমানাকে সরিয়ে দিতে চায়, রোমানা লোপার কানে কানে এসে বলে চরম সুখের সন্ধান পাবি , ভয়ের কিছু নেই । সত্যি সত্যি একসময় অন্যরকম এক ভাললাগার জগতে নিয়ে যায় রোমানা । লোপার সারা শরীর কাঁপতে থাকে, ভালও লাগে একি সাথে । এরপর রোমানা বলে তুই আমাকে আদর করবিনা ! লোপা না করেনা, রোমানার মত করেই সে সারা শরীরময় ঘুরে বেড়ায় । শুরুতে হালকা ক্লান্তি থাকলেও একসময় সে আবার সরব হয়ে উঠে । রোমানার অনুভূতি লোপার চেয়েও তীব্র হয় । পোশাকহীন শরীরে একজন আরেকজনকে জড়িয়ে ধরে শুএ থাকে লম্বা সময়। দুজনই রোমাঞ্চিত, নতুন এক অনুভূতির সাথে তাদের এই পরিচয় এ ।

পরের দুদিন তারা আরো বেশি এডভেঞ্চারাস হয়ে উঠে । একসাথে শাওয়ার নেয়া থেকে শুরু করে মোটামুটি দুজন দুজনকে উত্তেজনার তুঙ্গে নিয়ে যায় বেশ কয়েকবার । ফেরার পথে বাসে লোপা বলে কয়েকটা দিন কি দারুন কাটল , মিস করব সময়টা । আমার কল্পনাতেও ছিলনা এভাবে সম্ভব ।
ফাইনাল ইয়ার এ উঠে যায় রোমানা । রেজাল্ট ভাল থাকায় দুইজনের রুমে সিট পেয়ে যায় রোমানা । রোমানাকে হারিয়ে ব্যাপক মন খারাপ হয় লোপার । প্রথমদিন রাতে ঠিক মত ঘুমাতেই পারেনা । এরপর তার সাথে শেয়ার করার জন্য আরেক জুনিয়র মেয়ের আগমন । ঐ মেয়ে আবার ভিন্ন স্বভাবের, প্রথমদিন ই বলে ফেলে আপু আমার গায়ের সাথে কেউ লাগলে আমি আর ঘুমাতে পারিনা । লোপাও সংযত থাকে । সুযোগ পেলেই সে রোমানার রুমে চলে যায়, রোমানাও যেন অপেক্ষায় থাকে। দুজন একসাথে থাকলেও একধরনের ভাল লাগা কাজ করে তাদের মাঝে । রোমানার রুম মেটের অবর্তমানে তাদের রোমাঞ্চ চলে মাঝে মাঝেই ।

একদিন মাঝ রাতে লোপার ঘুম ভেঙ্গে যায় । কেউ একজন টেবিল লাইট অফ না করেই ঘুমিয়ে পড়েছিল । সে আলোতে লোপা তাকিয়ে থাকে তার বেড মেটের দিকে । ঘুমন্ত মেয়েটির শ্বাস প্রশ্বাসের সাথে সাথে তার বুকের উঠানামা দেখে লোপা কেমন যেন আকর্ষন বোধ করে । অনেক কস্টে নিজেকে সামলায়, ইচ্ছে করে রোমানার কাছে ছুটে যেতে । সকালে ঘুম থেকে উঠেই সে রোমানার রুমে যায় । কথায় কথায় রোমানাকে রাতের কথা জানায়, সে যে রোমানাকে মিস করেছে সেটাও বলতে ভুলেনা । রোমানা তাকে সাবধান করে দেয়, ভুলেও যেন ঐ মেয়ের সাথে এমন কোন আচরন করে না বসে যাতে হলে এই নিয়ে কথা রটে যায়, পরে হলে থাকায় দায় হবে তার ।

ছয়মাস পরেই রোমানার রুমমেট ফাইনাল শেষ করে হল ছেড়ে দেয় । রোমানা কিভাবে কিভাবে যেন হলের এক নেত্রীকে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করে নেয়, সে সিট লোপার জন্য অফিস থেকে বরাদ্দ নিয়ে আসে । এই নিয়ে যদিও হলে হালকা শোরগোল উঠেছিল, কিন্তু ঐ নেত্রীর ভয়ে কেউ তেমন কিছু বলতে সাহস পায়নি, আর লোপার ও রেজাল্ট ভাল হওয়ায় সামনের ফাইনাল দেয়ার পর সে ও এমনিতেই এমন একটা রুমে সিট পেত ।
এরপর যেন শুরু হল তাদের দাম্পত্য জীবন । রোমানা রুমের জানালা গুলোতে ভারী পর্দা লাগিয়ে দিয়েছিল আগেই । প্রতিদিন তারা দুজন এক বিছানাতেই ঘুমায় । একদিন লোপাকে অবাক করে দিয়ে রোমানা কিভাবে যেন জোগাড় করে ফেল সেক্সটয় । তাদের এই যৌন জীবন আরো উদ্দাম হয়ে উঠে ।

রোমানা একদিন লোপাকে জিজ্ঞেস করে সে ছেলেদের প্রতি কোন আকর্ষন বোধ করে কিনা । লোপা হা উত্তর দেয় । বলে ছেলেদের প্রতি তার আকর্ষন ঠিকি কাজ করে এবং একি সাথে রোমানার প্রতিও । রোমানাও সেম কথাই জানায় । দুজনে ঠিক করে বিয়ে করলেও তারা চেস্টা করবে দুজনই যেন কাছাকাছি থাকতে পারে , একে অন্যকে তারা মিস করতে চায়না ।

ফাইনাল পরীক্ষার পর রোমানাকে হল ছেড়ে দিতে হয় । লোপার কাছে সেটা স্বজন হারানোর মত হয়ে উঠে , বিষন্নতা ভর করে । রোমানা তাকে বলে আরতো বেশিদিন নেই, লোপার ও পড়ালেখা শেষ হবে । রোমানা কাছাকাছি একটা ছাত্রী হোস্টেলে সিঙ্গেল রুম নেয়, কাজেই লোপার তাকে মিস করার কোন কারন নেই, যখন ইচ্ছা তারা একসাথে থাকতে পারবে । টিউশানির ফাঁকে ফাঁকে সে জব খুজতে থাকে । উইকএন্ডে লোপা চলে আসে তার কাছে । রোমানা হাসতে হাসতে বলে আগের দিনে স্বামীরা যেমন সপ্তাহ শেষে বাড়ি যেত তাদের অবস্হাও এখন সে রকম !

একসময় লোপার ও হল ছাড়ার সময় হয় । দুজনে মিলে একটা হোস্টেলে গিয়ে উঠে একরুমে । তারা তাদের মত করে উপভোগ করতে থাকে, দুজন মিলে বিভিন্ন পর্যটন স্পটে ঘুরতেও চলে যায় । সারাদিন অফিস শেষে তারা যেন সংসারে ফিরে আসে এমন একটা অনুভূতি তাদের কাজ করে । দুজনের ই বাসা থেকে বিয়ের জন্য বলতে থাকে ।
কয়েকমাস পর রোমানার বিয়ে ঠিক হয়ে যায় । বিয়ের কথাবার্তা ফাইনাল হবার পর লোপার সেকি কান্না । দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে তারা সারারত বলতে গেলে কেঁদেই পার করে দিয়েছে । রোমানা বলে আমিত ঢাকাতেই থাকব, তোকেও সময় দিব সুবিধামতন । তুই এই রুমে একাই থাকবি, আমি মাঝে মাঝে আসব । আর তুই ও তাড়াতাড়ি বিয়ে করে ফেল । ছেলে যেন ঢাকায় থাকে এমন হয় । তাহলে তাকে বলে টলে আমার বাসার কাছাকাছি বাসা নিয়ে নিব ।

রোমানার বিয়ে হয়ে যায় । লোপা নিজ হাতে রোমানাকে ধরে বরের গাড়িতে তুলে দেয় । এরপর তার মনে হতে থাকে তার ভালবাসার মানুষটাকে যেন সে অন্যের হাতে তুলে দিয়েছে । ঢাকায় ফিরে নিজেকে বোঝায় এটাই বাস্তবতা কিছু করার নেই, মেনে নিতে হবে । সেও বিয়ে করে ফেলবে ডিসিশান নেয় , এভাবেত তারা সারা জীবন চলতে পারবেনা ।
রোমানার বাসায় যায় লোপা, গভীর আবেগে তাকে জড়িয়ে ধরে , রোমানাও । পাশ থেকে রোমানার স্বামী টিপ্পনি কাটে, ওরে বাবা মনে হচ্ছে প্রেমিক প্রেমিকার কতদিন পরে দেখা হল । রোমানা হাসতে হাসতে বলে প্রেমিক প্রেমিকাইতো, একসাথে আমরা দুজন যতদিন থেকেছি সেটা হিসেব করলে । আর তোমার সাথেতো থাকলাম মাত্র কয়েকদিন । রোমানার স্বামীকে পছন্দ হয় লোপার, বেশ ভাল ছেলে মনে হয় । লোপাকে বাসায় রেখে সে চলে যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে । দরজা লাগিয়ে দেয়ার পরই লোপা রোমানার বুকে ঝাপিয়ে পড়ে, রোমানাও তাকে জড়িয়ে ধরে ।
বাসর রাত থেকে শুরু করে স্বামীর সাথে কাটানো যৌন জীবনের গল্প বলে । লোপা উত্তেজিত হয়ে পড়ে রোমানার গল্প শুনে, কিছুক্ষনের মাঝে তারা দুজন দুজনের মাঝে হারিয়ে যায় । এভাবেই মাঝে মাঝে লোপার আগমন আর তাদের পুরোনো জীবনে ফিরে যাওয়া চলতে থাকে । মাঝে মাঝে রোমানাও হঠাৎ করে অফিস শেষে লোপার রুমে এসে হাজির হয়। লোপাকে জড়িয়ে ধরে বলে তোকে অনেক মিস করছিলাম, তাই না এসে পারলামনা । অফিস আড্ডা শেষে রোমানার স্বামী এসে তাকে নিয়ে যায় ।

একসময় লোপার ও বিয়ে হয়ে যায় । রোমানার কাছাকাছি বাসা । এখনো সময় সুযোগ করে তারা দুজন দুজনকে উপভোগ করে ।
টুটুল ফ্রেশ হয়ে চেঞ্জ করে এসে দেখে রোমানা আপা আর লোপা চা খাচ্ছে । তার কাপটা ঢেকে রাখা হয়েছে । দুজনে গল্প করছে , সেও এসে তাদের সাথে যোগ দেয় । লোপার দিকে তাকায় । কি স্নিগ্ধ লাগছে লোপাকে, মনে মনে আকর্ষন বোধ করে সে, লোপাকে কাছে পেতে ইচ্ছা জাগে । লোপাও যেন টুটুলের চোখের ভাষা বুঝতে পারে । কিছুক্ষন পর রোমানার স্বামী ফোন করে জানায় সে বাসার কাছাকাছি, রোমানা যাবার জন্য উঠে দাঁড়ায় ।

রোমানাকে লিফটে তুলে দিয়ে লোপা ফিরে এসে দরজা লাগায় , টুটুল কাছাকাছি ছিল । সে গভীর আবেগে কাছে এসে লোপাকে জড়িয়ে ধরে । লোপাও নিজেকে সপে দেয় টুটুলের কাছে ।

[যৌনতা নিয়ে আমরা যতই লুকোচুরি করি না কেন , নানান ঢং এ সমাজে নিয়ম ভেংগে যৌন কর্মে লিপ্ত হওয়া থেমে নেই । শুধুমাত্র যৌনতার উপর ভর করে এক গুচ্ছ গল্প লেখার একটা প্রজেক্ট হাতে নিয়েছিলাম । তার মাঝের একটা গল্প এটি । ]



সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই নভেম্বর, ২০২২ রাত ১২:৩৯
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কার্ড

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ৯:১৫


তার সাথে আমার যখন দেখা হয়েছিল, তখনও এই শহরে মেট্রোরেল আসে নি। লোকাল বাসে করে যাতায়াত করি মিরপুর-মতিঝিল-মিরপুর। ক্লান্তিকর। সেদিন অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থেকেও সরাসরি মতিঝিলের বাস পাই নি ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইসলাম কখনোই ধন-সম্পদের লোভ দেখিয়ে যুদ্ধের কথা বলে না

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১১:০৪



আমি পুরো কুরআন পড়েছি, এবং এখন পর্যন্ত যত দূর প্রিয় নবীজীর পথ শিখেছি, তা থেকে জানি যে, ইসলাম কখনোই আক্রমণ করার কথা বলে না। ইসলামের শেষ নবী (সাঁ)-এঁর... ...বাকিটুকু পড়ুন

সহজ ভাষায় লিখলে হয় সস্তা-দরের লেখক!

লিখেছেন শেরজা তপন, ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১১:২৭


ওপার বাংলার কথাশিল্পী সমরেশ মজুমজারের সাথে হুমায়ূন আহমেদের বেশ খাতির ছিল।তিনি ব্যক্তিগতভাবে মনে করেন, রবীন্দ্রনাথ ও শরতচন্দ্রের পরে বাংলা ভাষার সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক ‘হুমায়ূন আহমেদ’।
তবে আমার মত ভিন্ন; আমি মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

জনতার উচিৎ মেয়েটির কাছে ক্ষমা চাওয়া

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ রাত ১২:৪৭



কিছু হলেই অনুভূতিতে আঘাত, পান থেকে চুন খসলেই ধর্ম গেলো গেলো; মেরে ফেলো, কেটে ফেলো, পুতে ফেলো এসবই হচ্ছে ধর্মান্ধ জনগোষ্ঠীর মনোভাব। সময় এসেছে এসব সেন্টিমেন্টাল জনগোষ্ঠীর অনুভূতি... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম শেখানোর সুযোগ পেলে কি শিখাবেন?

লিখেছেন শূন্য সারমর্ম, ২৭ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ সকাল ৯:৪০








কিছুদিন আগে নানু মারা যাওয়ায় জানাযারর সময় নিয়ে সমস্যা হলো,তা ছিলো ঐ দিনই বাড়ির খুব পরিচিত মুখও ক্যান্সারে অনেক মাস যুদ্ধ করে মারা যায়।মাঠ যেহেতু একটাই,পরে ঠিক হলো সকাল ১১... ...বাকিটুকু পড়ুন

×