ও বলে, বৃদ্ধি আমার যতটা হয়েছে ওর ততটা নয়, স্কন্ধ ওর যতটা ঝুকেছে আমার ততটা নয়। দিতে, আমি যতটা পেরেছি ও ততটা নয়। আমি আবার অপার ভালোবাসায় মুগ্ধ হই। ওর অন্ধত্ব আমাকে সবসময় সচেতন থাকার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয়। বুঝতে পারি সবটুকু কৃতজ্ঞতা ওর কাছেই। কিন্তু আমি থেমে থাকিনি, ঠিক যেখানে থেমে যাওয়া বুদ্ধিমানের মত হত। আমি ওকেও থামতে দিতে চাইনি।
দূরত্বের গন্ডিতে স্মরণ করার সময় এখন দিবসগুলোতে, সেটাও অনিয়মিত। ও বলে আমি একটুও পরিবর্তিত হইনি। আমি বিতর্ক শুরু করি। বলি, অবশ্যই পরিবর্তিত হয়েছি ভালোভাবে দেখ আমি এখন লোভী শুকর, চতুর হায়েনা, সতর্ক কাক। ও বলে ধুর সব ফালতু তুই অপরিবর্তিত, একই রকম। আমি ব্যবচ্ছেদ শুরু করি প্রথমে মনোবিশ্লেষণের কাঁচি দিয়ে কেটে দেখাই, এরপর নৃবিজ্ঞানের ছুরি দিয়ে এফোঁড় ও ফোঁড় করি ও কিছুতেই মানতে চায়না। এরপর শ্রেণীর হাতুড়ি দিয়ে বোঝাই, ও বলে ব্যাথা লাগে, পুরোনো প্রেমের সুড়সুড়ি দেই ও েেপ যায় বলে, "তোর জন্যই তো, মেয়েটা কিন্তু ভালো আসিল"। আমি অভিমান দিয়ে দূরে যাই, ও বলে আবার চলে যাবি? আমি বলি যাবই তো, তোর সাথে কথা বলে মজা নাই, তুই একটা নিবের্াধ। ও বলে, আমি নিবের্াধ হতে পারি তবে তুই কিন্তু একটুও বদলাসনি।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



