somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পরামর্শকেন্দ্র (ছোট গল্প) পর্ব 4

২৪ শে মার্চ, ২০০৭ রাত ১২:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এদিকে সম্ভাব্য সাক্ষাৎকারটির কথা ভাবতে যেয়ে উপদেষ্টার মনে হল, হয়ত এই কাজটা তেমন চ্যালেঞ্জিং কিছু হবে না তবে তাঁর উপস্থিতি যদি এককালের জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে খানিকটা আশ্বস্ত করতে পারে তবে তাঁর ভালোই লাগবে। অফিস সহকারী তরূনীটিকে তিনি তাঁর সিদ্ধান্তের কথা জানালেন এবং অভিনেত্রীকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে উপস্থিত হবার বিষয়ে অবগত করার বিষয়ে নির্দেশ দিলেন। একটা সহজ হাসি দিয়ে তরূণীটি সবকিছু ঠিকঠাক বুঝতে পেরেছে এমন একটি আত্মবিশ্বাসী ভঙ্গি করে, কেবল তার মাথাটা ঈষৎ নাড়ল। উপদেষ্টা তরূণীটির চমৎকার প্রতিউত্তরে মুগ্ধ হলেন। তাঁর মনে হল সবাই যদি সবকিছু এমন চট করে বুঝে ফেলতে পারত, তাহলে জগতে কোন সমস্যাই থাকতো না। হয়ত পরামর্শ কেন্দ্রেরও কোন প্রয়োজন হোত না।

নানামানুষের পদচারণায় পরামর্শ কেন্দ্রের অফিসটি ইতিমধ্যে সরব হতে শুরু করেছিল। অফিসের কর্মচারীবৃন্দ দুদিনের সাপ্তাহিক ছুটি কাটিয়ে নতুন উদ্যমে নিজ নিজ কাজে ব্যাস্ত হয়ে উঠছিল। অফিসের এই কর্মব্যস্ততা উপদেষ্টার মনে একটি প্রশান্ত ভাবের সৃষ্টি করল এবং তিনি পূর্ণ উদ্যমে অভিনেত্রীর সাথে বৈঠকের প্রস্তুতিতে মনোনিবেশ করলেন। প্রথমেই তিনি মনোযোগ দিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রীটি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্যগুলোকে গুছিয়ে নেবার বিষয়ে এবং সবকিছু যদি ঠিকঠাক মত চলে তবে অভিনেত্রীটির এখন থেকে ঠিক পঁচিশ মিনিট পর পরামর্শ কেন্দ্রে উপস্থিত হবার কথা। তাঁর নেতৃত্বে প্রধান পরামর্শকেন্দ্রটি রাষ্ট্রযন্ত্রের এতটাই আস্থাভাজন হয়ে উঠেছিল যে তিনি চাইলে অভিনেত্রীর গোপনতম অভিসারের বিষয়েও বিস্তারিত জানতে পারেন। এমনকি রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো যেসব স্পর্শকাতর তথ্যগুলোকে অতি সনর্্তপণে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আড়াল করে রাখে চাইলে সেসব তথ্যও তিনি ব্যবহার করার ক্ষমতা এরই মধ্যে অর্জন করেছেন। তবে শুরুর দিকে বিষয়টি এমন সরাসরি খোলা প্রস্তাবনার আকারে ছিল না। কিন্তু যে মুহুর্ত থেকে তিনি রাষ্ট্র যন্ত্রকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছেন যে যেকোন বিষয়ে সুক্ষতম তথ্য তা আপাতদৃষ্টিতে যতটাই অপাংতেয় মনে হোক না কেন, কোন জটিল সমস্যা সমাধানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে, মূলত সেদিন থেকেই তিনি ও তাঁর পরামর্শ কেন্দ্রটি ক্রমান্বয়ে সরকারের আস্থাভাজন হতে শুরু করেছেন। তবে পুরো বিষয়টার সাথে বর্তমান সরকারের একজন কর্তাব্যাক্তির ব্যাক্তিগত সমস্যা সমাধানের ঘটনাটি অনিবার্যভাবেই জড়িত ছিল। সেটি ছিল একটি নাটকীয়, যদিও পরিশেষে মিলনাত্মক ঘটনা। সরকারের কর্তা ব্যাক্তিটির একমাত্র সন্তান যখন প্রথম বুঝতে পারে যে তারই সমবয়সী বান্ধবীর সাথে তার পিতার একটি ঘনিষ্ট সম্পর্ক তৈরী হয়েছে এবং সেটিকে তীব্র প্রেম বলে মনে করাই বাঞ্চনীয়। তখন থেকেই তার সবগুলো আচরণে পিতার প্রতি একধরণের তীব্র ঘৃণা স্পষ্ট হয়ে উঠতে শুরু করে। এজন্য আত্মনিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সে বেশ কয়েকবার আত্মহত্যা করার চেষ্টাও করেছিল কিন্তু প্রতিবারই তার আশেপাশের মানুষের সতর্কতায় সে বেঁচে যায়। সরকারের কর্তা ব্যাক্তিটির জন্য সেটি ছিল একটি একান্ত সমস্যা আবার একই সাথে এমন একটি বিষয় যা প্রকাশিত হলে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারও হুমকির সম্মুক্ষীন হতে পারত। এমনি একটি দূর্যোগপূর্ণ সময়ে কর্তা ব্যাক্তিটি উপদেষ্টার স্মরণাপন্ন হন। বিষয়টি নিয়ে নিজের স্ত্রীর সাথেও তিনি আগের মত কথা বলতে পারছিলেন না, কারণ এমনিতেই স্ত্রীটি সন্তানের সামপ্রতিক আত্মহত্যা প্রবণতায় বেশ বিপর্যস্ত ছিলেন। যদিও স্ত্রীর সাথে কথা না বলতে পারার বিষয়টি নৈতিক আচরণ সংশ্লিষ্ট কিছু ছিল না, এমনকি দাম্পত্যের অভিমান বা বিশ্বাসঘাতকতা জাতীয় তুচ্ছ বিষয়ও ছিলনা। তারা উভয়ই পরস্পরের নানান সম্পর্কের বিষয়ে অবহিত ছিলেন। এবং নিজেদের বাইরের অন্য সম্পর্ক বা কোন অনভিপ্রেত ঘটনার দুযের্াগ মুহূর্তে আন্তরিক বন্ধুর মত পরস্পরকে সহযোগীতাও করেছেন। বিষয়টি ছিল সম্পূর্ণভাবে নিজেদের বোঝপড়ার এবং ঐকান্তিক ভালোবাসার। কিন্তু এক্ষেত্রে বিষয়টি ছিল একটু অন্য রকম, নিজের সন্তানের স্বাভাবিকতা ফিরিয়ে আনার জন্য স্ত্রী চাচ্ছিলেন অন্তত এই ক্ষেত্রে তার স্বামী যেন সম্পর্কটি থেকে বেরিয়ে আসে। স্ত্রীর জন্য বিষয়টি ছিল একেবারেই সন্তানের সুখ নিশ্চিত করার মত স্বাভাবিক বিষয় আবার স্বামীর ইচ্ছাকেও তিনি অমর্যাদা করতে পারছিলেন না। সবমিলিয়ে পরিস্থিতিটা ছিল যথেষ্ট ঘোলাটে।

এদিকে সরকারের কর্তা ব্যাক্তিটির দৃষ্টিভঙ্গি ছিল একটু ভিন্ন। দীর্ঘকাল পর তিনি সত্যিকার অর্থেই নিজের ছেলের বয়সী মেয়েটির প্রেমে পড়েছিলেন এবং কোনভাবেই সম্পর্কটি থেকে বিযুক্ত হতে চাচ্ছিলেন না; আবার সন্তানের স্বাভাবিকতাকেও তিনি ফিরিয়ে আনতে চাইছিলেন। উপদেষ্টা তাঁর স্বভাবসুলভ বিচক্ষণতায় এমন একটি জটিল পরিস্থিতিকে সম্ভাব্য সমাধানের দিকে নিয়ে গিয়েছিলেন কেবল একটিমাত্র দীর্ঘ বৈঠকের মধ্য দিয়ে। প্রথমে একান্তে তিনি ছেলেটির, পিতার প্রতি অভিযোগগুলোকে খুব মনোযোগ দিয়ে শুনেছিলেন এবং নিজের অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করে ছেলেটিকে বোঝাতে সক্ষম হয়েছিলেন যে বান্ধবীটির প্রতি তার প্রেম নয় বরং অধিকার বোধই পিতাকে তার শত্রু করে তুলেছে। কিভাবে সামাজিকভাবে অধিকারবোধের বিষয়টি মানুষের মধ্যে গড়ে ওঠে সেই বিষয়টি তিনি সেই কমবয়সী বালকটিকে বোঝানোর চেষ্টা করেননি ঠিকই, কেননা উপদেষ্টা খুব ভালভাবেই জানতেন যে কোন কিশোরের জন্য এই পথটি কতটা অকার্যকর হতে পারে। কিন্তু গবেষকের বুদ্ধিমত্তায়; কৌতুহলী যদিও কিছুটা বিভ্রান্ত, ছেলেটির জন্য তিনি প্রত্যক্ষ প্রমাণ হিসেবে হাজির করেছিলেন পৃথিবীর বিভিন্ন সমাজে নানান সম্পর্কের উদাহরণকে। প্রথমে ছেলেটি মানতে না চাইলেও, উপদেষ্টা বুঝতে পেরেছিলেন যে যদি ছেলেটিকে এভাবে আরেকটু এগিয়ে নিয়ে যাওয়া তবে সে নিজেই একটি পরিণত সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়ে উঠবে।

বাস্তবেও সেই ব্যাপারটাই ঘটেছিল। বাবামার বিভিন্ন সম্পর্কগুলোকে ছেলেটির কাছে উন্মোচন করার মধ্য দিয়ে তিনি আকর্ষণবোধের বৈচিত্র্যপূর্ণ ধরণগুলোকে তার কাছে মেলে ধরেছিলেন। আলাপচারিতার এক পর্যায়ে ছেলেটিও স্বীকার করেছিল যে বান্ধবীটির পাশাপাশি তাদের গৃহে কর্মরত বয়স্কা হাউসমেটটির প্রতিও সে একধরণের আকর্ষণ বোধ করে। আর সেই মুহুর্তটি ছিল উপদেষ্টার জন্য সবচেয়ে আনন্দের যখন ছেলেটি নিজেই স্বগত উক্তির মত বলেছিল, 'তাহলে বিষয়টি এমনও হতে পারে যে, বাবার প্রতিও প্রিয় বান্ধবীটি সমানভাবে আকর্ষিত হতে পারে'। বিষয়টিকে এ পর্যন্ত আনতে পেরেই হয়ত অনেকে তৃপ্ত বোধ করতেন, কেননা স্বল্প সময়ের মধ্যে ছেলের এই পরিবর্তন দেখে বাবামার বিষ্ময় প্রকাশের ভাষা ছিল না। কিন্তু তীব্র ভারসাম্য সচেতনতা এবং স্বীয় পদ্ধতির উপর অগাধ আস্থার উপর ভর করে উপদেষ্টা, ছেলেটির একটি সুন্দরী বান্ধবী যাতে অচিরেই নিশ্চিত হয় সেজন্য পিতামাতাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই সাথে তিনি ছেলেটিকেও যে কোন সমস্যায় তাঁর সাথে পরামর্শ করার বিষয়েও আশ্বস্ত করেছিলেন। একজন দক্ষ ম্যাজেশিয়ান যেভাবে সবচেয়ে উত্তেজনাকর ম্যাজিকটি দেখিয়ে অর্থাৎ একজন মানুষকে দ্বি বা ত্রিখন্ডিত করে আবার জুড়ে দেবার পর যেভাবে দর্শকদের বিস্ময়কে উপভোগ করেন উপদেষ্টা ঠিক একই ধরণের আনন্দ পেয়েছিলেন। সরকারী কর্মকর্তার পুরো পরিবার আবার তাদের সৌহার্দ্যপূর্ণ সহবস্থানকে আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিল। ইতিহাস হয়ত স্বাক্ষী দেবে যে তাদের বন্ধন আরো দৃঢ়তর হয়ে উঠেছিল।

এই ঘটনার পর কর্তাব্যাক্তিটির প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় সরকারের সাথে তাঁর যোগাযোগটি খুবই নিবিড় হয়ে ওঠে এবং তিনিও পরামর্শকেন্দ্রের সম্ভাব্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা কতৃপক্ষকে বিশদভাবে বোঝাতে সক্ষম হয়ে ওঠেন। একইসাথে তিনি সরকারী কর্তাব্যাক্তির পারিবারিক বন্ধুও হয়ে ওঠেন। ছেলেটিও নিজের কৈশোরের সমস্যা কাটিয়ে বড় হতে থাকে এবং ঘটনাক্রমে এই পরামর্শকেন্দ্রেরই একটি মেয়ের সাথে তার বিয়ে হয়। এদিকে পিতার সাথে তার প্রিয় বান্ধবীর প্রেমও সমানতালে চলতে থাকে। সব মিলিয়ে একটি সুষম ভারসাম্যময় পরিস্থিতি পুরো পরিবার জুড়ে বিরাজ করতে থাকে। তবে পুরো ঘটনার সাথে জড়িত একটি বিষাদময় স্মৃতি তাঁকে কিছুটা অপ্রস্তুত করে তোলে। বিয়ের তিনমাস পরই কৌতুহলী হাস্যোজ্জল ছেলেটি সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যায়। ঘটনাটি দুর্ঘটনা ছিল কিনা এ বিষয়ে যথেষ্ট বিতর্কেরও সৃষ্টি হয়েছিল। কেননা প্রত্যক্ষদর্শীদের সবার বয়ানেই একটি বিষয় স্পষ্ট উল্লেখ ছিল যে, ঘটনার দিন সন্ধ্যায় ব্যাস্ত হাইওয়েতে ছেলেটি নাকি হঠাৎ উন্মাদের মত উন্মত্ব চিৎকার করতে করতে নিজের গাড়ী নিয়ে সরাসরি বিপরীত দিক হতে আসা অন্য একটি গাড়ীর দিকে ছুটে গিয়েছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে মার্চ, ২০০৭ দুপুর ২:৫৬
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা তার সাথে কিছু রুঢ় সত্য যা বদলে দিয়েছিলো দেশের রাজনীতি।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৩৪





২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে আমরা সবাই মোটামুটি জানি। এই হামলায় কারা জড়িত ছিল সেটাও আজকের দিনে অজানা নয় একমাত্র নিতান্ত দলকানা ছাড়া। তৎকালীন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৪৪



ধানমন্ডি ৩২ যারা ভেঙেছিল, আর যারা বিচার চাওয়ার পথ বন্ধ করে দিল- তারা কি একই?

ধানমন্ডি ৩২ ভাঙা হয়েছিল- কে দেখেনি, কে জানে না, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই।,... ...বাকিটুকু পড়ুন

গরীবের বউ সবার ভাবি

লিখেছেন অপলক , ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:০২



৩৬ জুলাই আন্দোলনের পর অনেক আশায় ছিলাম। আশার গুড়ে বালি। তত্বাবধায়ক সরকারের সময় বাংলাদেশ ব্যাঙ্ক গভর্ণর ড. আহসান এইচ মনসুর বুদ্ধিদীপ্ত প্ররিশ্রম করে ২০২৬ জানুয়ারীতে রিজার্ভে রেখে গেছেন ৩৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন থেকে যারা আওয়ামী লীগকে ভালোবাসেন এখন তাদেরকে আওয়ামী লীগের প্রয়োজন

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০



ক্ষমতায় গেলে কোন দল যাদেরকে মনে রাখে না ক্ষমতায় গেলে তাদেরকেই তারা সবচেয়ে বেশী মিস করে। সেই নিখাঁদ দল প্রেমিকদেরকে এখন আওয়ামী লীগ খুঁজছে। তারা লগি বৈঠা নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৫ই আগস্ট ছিলো আরো একটি ১৫/২১শে আগষ্টের অপচেষ্টা।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ২১ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৫২



২১শে আগস্ট পালন করা অর্থে , আমার কাছে মনে হচ্ছে আবারো জঘন্য কোনো ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে। কারন আমরা ঐ নারকীয় হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার সম্পন্ন করতে পারিনি। আমরা যারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×