somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পরামর্শকেন্দ্র (ছোট গল্প) শেষ পর্ব

০৯ ই এপ্রিল, ২০০৭ রাত ১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

উপদেষ্টার অন্তর ছুঁয়ে যাওয়া বয়ানে অভিনেত্রীর একবারের কৌতুহলী দৃষ্টি ছাড়া অন্য কোন বহি:প্রকাশই প্রায় ছিলই না। তবে এবার উপদেষ্টার তৃষ্ণার্ত ও সম্মতি আকাঙখী জ্বলজ্বলে দৃষ্টির দিকে সরাসরি তাকিয়ে অভিনেত্রী টেবিল থেকে নেমে দাঁড়ালেন এবং দীর্ঘ বিরতির পর শান্ত মার্জিত কন্ঠে উপদেষ্টাকে জানালেন, এবার তিনি উঠতে চান। উপদেষ্টা আর যাই হোক এজাতীয় কোন উত্তর অভিনেত্রীর কাছে আশা করেন নি। আসলে এ ধরণের উত্তর যে কেউ দিতে পারে তা তিনি কল্পনাও করতে পারেন নি। চট করে তাঁর মনে হল হয়ত তাঁরই কোন কথায় অভিনেত্রী তাকে ভুল বুঝেছেন বা অপমানিত বোধ করেছেন। তিনি তড়িঘড়ি করে অভিনেত্রীকে সে বিষয়ে জানাতেই তিনি কিঞ্চিত হেসে উঠলেন এবং উপদেষ্টাকে জানালেন বিষয়টি তেমন কিছুই নয়, তবে তিনি এখনি উঠতে চান। কিন্তু উপদেষ্টা নাছোড়বান্দা, নিজের মোহনীয় হাসিটি ছড়িয়ে তিনি বললেন আমি আপনার মত মানুষদের বিষয়ে খানিকটা অবগত। নিজের স্ত্রীকে তো অনেকদিন ধরে দেখেছি, খুব ছোটখাট বিষয়েই আপনারা ব্যস্ত হয়ে পড়েন অথচ অনেক বড় বড় বিষয়কে কি অনায়াশে সামলে ফেলতে পারেন। আপনি এখনি যাবেন না, দয়া করে একটু বসুন এবং আমাকে আপনার বিরক্তির কারণটি খুলে বলুন। পরামর্শকেন্দ্রে যেসব অপ্রথাগত মানুষের সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়েছিল এবং এদের মধ্যে যারা তাকে চ্যালেঞ্জ করার চেষ্টা করেছিল, তিনি লক্ষ করেছিলেন যে এমন উত্তেজিত মুহুর্তে বিনয়ী স্বরে তাদের সাথে কোমল কিছু কথা বললেই ছোটখাট বিরোধের বিষয়টি আপনা আপনি সমাধান হয়ে যেত। অভিনেত্রীর প্রকৃত মনোভাব জানার তীব্র আকাংখায় এবং নিজের নতুন প্রয়োগকৃত পদ্ধতির সাফল্য বিচার করার জন্য এবার উপদেষ্টা নিজেই মরিয়া হয়ে উঠেছিলেন। দীর্ঘ আলাপের পর আর কিছুক্ষণের দেরীও তাঁর সহ্য হচ্ছিল না। আর তাই উপদেষ্টা নিজের জ্ঞান ভান্ডারের শেষ অস্ত্রটি এবার প্রয়োগ করলেন এবং নিজের ব্যাক্তিত্বের শেষ সীমাটিকে জনগণের কল্যাণে উৎসর্গ করে তিনি বলে উঠলেন, "আমার সঙ্গ অথবা পরামর্শের কোনটিই কি আপনার ভালো লাগেনি?"

উত্তরটি এল ধীরে এবং স্বভাবসুলভ আত্মবিশ্বাসী কন্ঠে। না। একটি ক্ষুদ্র শব্দ অথচ অভিনেত্রীর উচ্চারণে সেটিই যেন হয়ে উঠল একটি মূর্তিমান বজ্রপাত। যার প্রকম্পিত প্রতিধ্বনি উপদেষ্টাকে একেবারে নিশ্চুপ করিয়ে দিল। তিনি খেয়াল করলেন দেয়ালে রং কেমন যেন কালচে বর্ণ ধারণ করেছে। কিছুক্ষণ নিস্তব্ধ থাকার পর; যদিও সময়টিকে উপদেষ্টার অনন্তকাল বলেই মনে হচ্ছিল, অভিনেত্রী আবারো বলে উঠলেন, তবে এবার থেমে থেমে, প্রতিটা শব্দকে আলাদা আলাদভাবে উচ্চারণ করলেন, "আপনি, আপনার পরামর্শ কেন্দ্র এই কক্ষ সবই একটি ভাওতা"। পুরো ব্যবস্থাটিকেই আমি হয়ত বড় ধরণের প্রতারণা বলেই মনে করতাম, কিন্তু ব্যবস্থাটিকে সরাসরি দেখার পর এখন হয়ত সেরকম কিছু বলব না। কিন্তু পরিশেষে ফলাফল একই, যদি এটি প্রতারণা না হয়ে থাকে তবে নিশ্চিতভাবেই তা আত্মপ্রতারণা। কিছুক্ষণ আগ পর্যন্ত আমি নিশ্চিত ছিলাম না বিষয়টি সম্পর্কে আপনি সচেতন কিনা। তবে এখন মনে হচ্ছে যে আপনি হয়ত সচেতন নন।

এবার উপদেষ্টা বড় রকমের একটি ধাক্কা খেলেন; ক্রমবর্ধমান উদ্বেগ ও শংকা তাঁর সমস্ত অস্তিত্ব্ত জুড়ে ছুটে বেড়াতে লাগল। দাঁড়ানো অবস্থা থেকে তিনি চেয়ারে বসে পড়লেন। আজকের সাক্ষাৎকার পর্বটিতে তিনি ঠিক কোথায় ভুল করেছেন বা তাঁর বিশ্লেষণে কোথায় ঘাটতি ছিল সেটিকে জানার জন্য তার মগজ আগ্রাসী হয়ে উঠল। নিজের স্মৃতির মধ্যে তিনি সেই হারিয়ে যাওয়া দিকচিহ্নটিকে খুঁজে পাবার জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেন। এরই মধ্যে তাঁর দীর্ঘদিনের ভারসাম্যময় বুদ্ধিমত্তা পরিত্রাণের একটি সঠিক পথ খোঁজার চেষ্টা করল এবং বোধকরি আংশিক সফলও হল। অভিনেত্রীর দিকে তাকিয়ে কাতর স্বরে তিনি জানতে চাইলেন, তাহলে আপনার সমস্যাটি কি ছিল দার্শনিক? এবার অভিনেত্রী কিছুটা নরম কন্ঠে জানালেন, খানিকটা দার্শনিক, খানিকটা বাস্তবিক হয়ত খানিকটা মানবিক। উপদেষ্টা অভিনেত্রীকে নতুন কোন প্রশ্ন করতে সাহস করলেন না, শুধু কাতর দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলেন। অভিনেত্রী মঞ্চে সংলাপ বলছেন এমন ভঙ্গিতে উচ্চারণ করে চললেন, 'আসলে আপনার কাছে আমার পরামর্শ চাইতে আসার কোন প্রয়োজন ছিল না। কেননা আপনি আর আমি আসলে একই ধরণের মানুষ। হয়ত আমি আমার সমস্যাটি খানিকটা বুঝতে পারছি আর আপনি নিজের সমস্যাটিকে কখনো অনুধাবনই করতে পারেন নি। অথচ দীর্ঘদিন যাবৎ সেই সমস্যাটিকেই মোকাবিলা করার চেষ্টা করে চলেছেন। যেমন মনে করুন এই মুহুর্তে আমার কাছে সবচেয়ে অধিকারবোধ গ্রস্ত মানুষটি হলেন আপনি। নিজের একমাত্র গোপন অধিকারবোধটিকে লালন করার জন্য আপনি পালিয়ে বেড়িয়েছেন সবার কাছ থেকে। আপনার সেই একান্ত অধিকার বোধটি হল সবসময় একটি ভারসাম্য রাখার তাগিদ। কিন্তু সরল যুক্তি দিয়ে যদি আমার দেখি তাহলে সহজেই বুঝতে পারব যে সকলের জীবনে ভারসাম্য আনয়নের কাজটি যিনি অনবরত করে চলেছেন অর্থাৎ আপনি নিজেই আসলে ভারসাম্যহীন। কিন্তু মনে করে দেখুন আপনাকে এই তাগিদটি যুগিয়ে চলেছে অন্য কেউ নয় আপনারই নিজস্ব স্বভাব। আপনি নিজেই যদি খুব ভারসাম্যময় মানুষ হতেন তাহলে নিশ্চিতভাবেই
সন্তান গ্রহণ নিয়ে বাতিক গ্রস্থতা আপনার হোত না। কিন্তু যে সামাজিক জ্ঞানকে আপনি সবসময় সমালোচনা করে এসেছেন, সেই সামাজিক জ্ঞান থেকেই আপনি অনুমান করেছেন যে সন্তান হয়ত আপনার ভারসাম্যময় বিচারবোধকে এলোমেলো করে দিতে পারে। আপনি এক্ষেত্রে কতটা শক্তিহীন তা কি আপনার কখনো মনে হয়েছে?

দেশ প্রেম ভিত্তিক নাটকগুলোর সংগ্রামী নারী চরিত্রের মত অভিনেত্রী একটানা বলে যেতে থাকলেন, 'আপনি আমার সমস্যাটিকে দেখছেন কেবল অধিকার বোধের বিষয় হিসেবে। অথচ এখানেও কি ভুল আপনি। আপনার একবারও কি মনে হয়নি নিজের আত্মপরিচয় এবং পছন্দমত জীবনকে টিকিয়ে রাখার বিষয়টিকে। মনে হয়নি অভিনয়কে যদি এভাবে যন্ত্রের হাতে তুলে দেয়া হয় তাহলে যন্ত্র আর মানুষের মধ্যে কোন পার্থক্য আর করা হল না। হ্যা একসময় হয়তো সত্যিকার অর্থেই অভিনয়ে আর কোন মানুষ থাকবে না, অভিনয় করবে ত্রিমাত্রিক ইমেজ অথবা রোবট। কিন্তু সেটি কি মানুষের অভিনয় করার ইচ্ছেকে শেষ করে দিতে পারবে বলে আপনি মনে করেন, আপনি কি করে এতটা নিশ্চিত হলেন? নিজের ভারসাম্য নীতি আর পরিবর্তনশীলতার বোধের মধ্য দিয়ে, প্রযুক্তির উৎকর্ষতাকে অবলম্বন করে ? তাহলে আপনি মনে করুন এখন থেকে আপনি আর পরামর্শ কেন্দ্রে নেই, কোন বুদ্ধিমান যন্ত্র সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে। আপনাকেও পরামর্শ দিচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। আপনার সবগুলো তথ্য, মানুষের সকল বিশৃঙখলাকে সে এক নিমিষেই জোগ বিয়োগ করে ফেলছে। হ্যা আমাকে আপনি রক্ষণশীল বলে মনে করে থাকতে পারেন, হয়ত আমি সেটাই। কিন্তু আপনি ভারসাম্য রক্ষা হবে না বলে যেভাবে তীব্রতা থেকে পালিয়ে বেড়িয়েছেন, সম্পর্ক থেকে দূরে সরে গেছেন, অধিকার বোধ থেকে গা বাঁচিয়ে নিজেকে রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন। এর সবই আজ আপনাকে নিজের ভারসাম্যনীতি আর পরামর্শকেন্দ্রের প্রতি কত তীব্রভাবে অধিকারী করে তুলেছে। কতটা যত্ন আর বুদ্ধিমত্তায় আপনি মানুষকে ছকে ফেলার ব্যবস্থা করেছেন। কিন্তু নিজে জড়িয়ে গেছেন এর সবগুলোর চেয়ে জটিল একটি ছকে।

অথচ খেয়াল করে দেখুন আপনি নিজেই বলেছেন কি দারুণভাবে আপনার স্ত্রীর সাথে আমার মিল আপনি খুঁজে পান। এরপর একের পর এক তুলনা করে গেছেন, এমনকি আপনার মত মানুষও আকর্ষণ বোধ করেছেন এবং হাস্যকরভাবে সৃষ্টি করতে চেয়েছেন ভারসাম্য। কিন্তু কেনই বা ভারসসাম্যের প্রতি, বিচারবোধের প্রতি আপনার এত দায়বদ্ধতা। আপনি যদি স্বীকার করতেন যে তুলনা, বিচার এগুলো করতে আপনার ভালো লাগে তাহলে আমি হয়ত এখন যা বলছি তার কিছুই বলতাম না। কিন্তু আপনি বিষয়টিকে মহীরূহের মত বানিয়ে ফেলেছেন। অথচ একবার নিজের বিচারবোধের কথা চিন্তা করুন, আপনি কি করে দুটো ভিন্ন মানুষকে এক নিক্তিতে মাপার দু:সাহস দেখান। কিন্তু তবুও আপনি এটা করেন এবং করতে যেয়েই আদতে ভারসাম্যহীনতার স্তুপ করে ফেলেন।

এতক্ষণ নিরবিচ্ছিন্নভাবে বলার পর অভিনেত্রী একটু থামলেন এবং সেই সুযোগে উপদেষ্টা একরকম শেষ চেষ্টা হিসেবেই অভিনেত্রীকে বললেন এর সবই আমি করতে চেয়েছি মানুষের ভালোর জন্য, কল্যাণের জন্য। হ্যা এটা হয়ত ঠিকই যে সব সময় ভারসাম্য রক্ষা করতে যেয়েও হয়তো করতে পারিনি, কিন্তু এর সবকিছুর একটি মাত্র উদ্দেশ্যই ছিল তা হল মানুষের জন্য কল্যাণকর নতুন কিছু নিয়ে আসা, তাদের সমস্যার সমাধান করা। উপদেষ্টার কথা পুরোপুরি শেষ হতে না হতেই অভিনেত্রী এবার উচ্চকন্ঠে বলে উঠলেন, তাহলে আমার নিজের সমস্যাকে দূর করতে না পারার বিষয়টি আপনি কিভাবে দেখবেন, কেবলই একটি ব্যাতিক্রম নাকি কোন গ্রাহকের সাথে মানসিক শারীরিকভাবে যুক্ততা বোধ করার অপপ্রভাব। যা আপনার সর্বজনবিদিত বিচারবোধ ও ভারসাম্যকে সাময়িকভাবে বাধাগ্রস্ত করেছিল। একথাগুলো বলেই অভিনেত্রী এবার সাক্ষাৎকার কক্ষের দরজাটির দিকে হাঁটা দিলেন। কিন্ত বেশি দূর এগুতে পারলেন না, তার আগেই উপদেষ্টা শক্তভাবে তার একটি হাত ধরে ফেললেন। ঠান্ডা দৃষ্টিতে তিনি উপদেষ্টার দিকে তাকাতেই তাঁর চোখ দুটিতে অনুনয় ঝড়ে পড়ল। তিনি কাতর কন্ঠে অভিনেত্রীর কাছে সময় ভিক্ষা চাইলেন। অভিনেত্রীর কথায় সত্যিকার অর্থেই তিনি বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। এই অভাবিত নতুন বৈচিত্রময়তা তাঁকে চুম্বকের মত টানছিল, তিনি কিছুতেই অভিনেত্রীকে কাছ ছাড়া করতে চাইছিলেন না। অনেক দিন পর তিনি সেই মানুষটিকে খুঁজে পেয়েছিলেন যে একবারেরই তাঁর গোপনতম সমস্যাটিকেও পাঠ করে নিতে পারে। তিনি বুঝতে পারছিলেন নিজের জীবনের ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে অভিনেত্রীকে তাঁর বড় প্রয়োজন। কিন্তু উপদেষ্টার কোন কথাই অভিনেত্রী শুনলো না। এক ঝটকায় নিজের হাত সরিয়ে নিয়ে চূড়ান্ত বিরক্তি নিয়ে সাক্ষাৎকার কক্ষটি থেকে বেরিয়ে গেলেন। উপদেষ্টার অনেক অনুনয় বিনয়ে একটি কথাই অভিনেত্রী সেদিন বলেছিলেন। 'পর্দায় অভিনয় করাটাই আমার কাছে সুখের, কিন্তু আপনার মত নিজের জীবনে যারা ক্রমাগত অভিনয় করে চলেন তাদের সাথে মিশতে এমন কি কথা বলতেও আমি তীব্র, খুবই
আন্তরিকভাবেই বলছি, তীব্র ঘৃণা বোধ করি।'

উপদেষ্টার সাথে অভিনেত্রীর এটাই ছিল শেষ কথপোকথন। অভিনেত্রীর আচরণে উপদেষ্টা সত্যিই সত্যিই একেবারে যুবক বয়সের মত দু:খ পেয়েছিলেন। তিনি এতটাই বিপর্যস্ত বোধ করে ছিলেন যে পরিশেষে তাঁকে হসাপাতালে
স্থানান্তর করতে হয়। প্রয়োজনের সময় উপদেষ্টার ইনহেলারটিকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। এজন্য তাঁর কষ্ট কয়েকগুণ বেড়ে গিয়েছিল ঠিকই তবে তিনি মারা যাননি। দীর্ঘ বিশ্রামের পর তাঁর শরীরের নানা প্রয়োজনীয় উপাদানের ভারসাম্য ঠিকই ফিরে এসেছিল। পরামর্শকেন্দ্র থেকে ফেরত আসার পর আরো কিছুদিন অভিনেত্রীর বিরক্তিভাব বজায় ছিল, এনিমেশন ছবির কাজটিও তিনি ছেড়ে দিয়েছিলেন। সর্বজন পরিচিত উপদেষ্টার সাথে অভিনেত্রীকে জড়িয়ে পত্রিকারাও কিছুদিন মাতামাতি করেছিল কিন্তু সেগুলোও অচিরেই ঠান্ডা হয়ে যায়। সবচেয়ে আশ্চর্যজনকভাবে রাষ্ট্রের আইন রক্ষাকারী সংস্থাগুলো পুরো বিষয়টি নিয়ে একেবারে নিশ্চুপ ছিল। হয়ত এ বিষয়ে উপদেষ্টার প্রত্যক্ষ কোন নির্দেশ ছিল। তবে উপদেষ্টার একটি পরামর্শ অভিনেত্রীর সরাসরি কাজে এসেছিল। অভিনয় জীবনকে তিনি একরকম বিদায় জানিয়েছিলেন এবং ছবি পরিচালনার কাজ শুরু করে দিয়েছিলেন। পরিচালক মহলে ইদানিং জোর জনশ্রুতি শোনা যাছে যে, অভিনেত্রীর প্রথম ছবিটি হবে একটি পরামর্শকেন্দ্রেকে নিয়েই। যেখানে মূল চরিত্রটি পরামর্শ কেন্দ্রের নতুন ধারার জনক, জীবন্ত কিংবদন্তী, উপদেষ্টার বাস্তব জীবনের ছায়া অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে। বাজারে এমন গুজবও আছে যে অভিনেত্রী স্বয়ং একটি গুরুত্বপূর্ণ পাশর্্ব চরিত্র অভিনয় করবেন। দেখা যাক কি হয়, সব গুজব যে সত্যি হবে এমনতো কোন কথা নেই।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৯টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভারত খারাপ, তবে নিমন্ত্রণ পত্র ভালো

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৫



দুই ঘণ্টা বিমানবন্দরে বসিয়ে রাখা হয়েছে, প্রবেশও করতে দেয়নি। তারপরও ঘোষণা দিলেন - আবার আমন্ত্রণ পেলে যাবেন।

ভারতবিরোধী কথা বলা ছিলো তার রাজনৈতিক স্ট্যান্ড পয়েণ্ট, কারো কাছে নতি স্বীকার করবো... ...বাকিটুকু পড়ুন

খাম্বা/খাল তারেক কে কিছু উপলব্ধি শেয়ার করছি

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৪২

আজ আর মনের মাধুরী মিশিয়ে বকাঝকা করব না। আজ কিছু ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা শেয়ার করব।



খাল খনন বা ঢাকার বাসস্ট্যান্ড সরানোর চেয়ে কি কি গুরুত্বপূর্ন কাজ এই অর্থবছরে করা যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

গানটি প্রিয় রাজীব নূর ও কবি স্বপ্নের শঙ্খচিলকে উৎসর্গ করছি

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:০৬

আমার খুব প্রিয় একটি কবিতার সাথে ব্লগার স্বপ্নের শঙ্খচিলের কবিতা মিলিয়ে গানটি বুনেছি।
শোনার আমন্ত্রণ রইলো।
============================

এই জল ভালো লাগে;
বৃষ্টির রূপালি জল কত দিন এসে
ধুয়েছে আমার দেহ- বুলায়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: কুয়ালালামপুরের ছায়া সম্রাট

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৭ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৩৫



বালির নীল দিগন্ত
ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের একটি নির্জন পাথুরে সৈকত। ভারত মহাসাগরের বিশাল নীল ঢেউ আছড়ে পড়ছিল তীরে। সমুদ্রের ঠিক ওপরের একটি আধুনিক কাঁচের... ...বাকিটুকু পড়ুন

আহলে হাদিস বিরোধী পোষ্টে ব্লগে লাইক না থাকলেও গ্রুপে লাইক পাঁচ হাজার আটশত

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৭ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০৪



হাদিস প্রেমিক হলো নাস্তিক ও আহলে হাদিস। উভয় দল হাদিস দিয়ে মুসলিমদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। আমি যেহেতু মুসলিমদের হেদায়াতের জন্য কাজ করি সেহেতু আমাকে আহলে হাদিস বিরোধী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×