আজকের পত্রিকা খুলেই একটা প্রশ্নবোধক সংবাদ। দুদকের প্রধান আইনজীবী নিয়োগ পেয়েছেন মাহবুবুর রহমান। দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে এক দুর্নীতিবাজের সংযুক্তি কি কাঁটা দিয়ে কাঁটা তোলার প্রক্রিয়া কিনা তা এখনো বুঝতে পারা যাচ্ছে না। চাটখিলের এই সাবেক সাংসদ সম্পর্কে ঘনিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায় যে তিনি যদি দলের কোন লোককে ৫০০০০ টাকার কাজ পাইয়ে দিতেন তাহলে কমিশন হিসেবে লাভের অর্ধাংশে ভাগ বসাতেন। এছাড়া নারী ঘটিত অনেক ইতিবৃত্তের এক সফল মহানায়ক হিসেবেও তিনি স্ব এলাকায় প্রতিষ্ঠিত।
গিরগিটির মত খোলশ বদলাতেও তিনি যে পারঙ্গম তা বোঝা যায় তার রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে নজর দিলে। ১৯৮২ তে রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এবং ১৯৯০ এ এরশাদ পতনের পর বিএনপি সরকার তাকে বিশেষ মতা আইনে আটক রাখে। এরপর তাকে বিএনপির একজন সাংসদ হিসেবে দেখা যায়।
এখন দেখছি তিনি দুদকেও নিজের অবস্থান পোক্ত করে ফেলেছেন। ড. কামাল ও অনেক সিনিয়র আইনজীবী এ নিয়োগ নিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন। লক্ষ্যনীয় বিষয় হল সবকিছুর পরও তিনি নিয়োগ পেয়েছেন। আমি দেখতে পাচ্ছি আরেক মওদুদের উত্থানের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি। বাঙলাদেশের ইতিহাস বলে এ ধরণের ধুরন্ধর শেয়াল কয়েকটা স্বৈরাচারী শাসকের চাইতে বেশি ক্ষতিকর। এ ধরণের তথাকথিত শিক্ষিত শেয়ালরা যদি দুদকের কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করে তাহলে দুদকের ছাগলের দুদু খাওয়া ছাড়া যে কোন উপায় থাকবে না তা নিশ্চিত।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুন, ২০০৭ দুপুর ১২:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


