শামিম আর করিম দুই অন্তরঙ বন্ধু। হাফ পেন্ট পরা বয়স থেকে তাদের বন্ঢুত্ব। দুই জন ই এখন প্রতিষ্ঠিত। এক্ই কোম্পানি তে তারা চাকুরি করে। শামিম বিবাহিতো আর করিম বিয়ে করেনি। বৌ আর করিম এই দুই জন ই শামিম এর কাছে দুনিয়ার সব থেকে প্রিয় আর করিম এর কাছে শামিম ও তাই। তাদের সব কিছু ঠিক ঠাক ভাবে চলছিলো। কিন্তু শামিম ইদানিং খেয়াল করল যে তার বৌ এখন আর আগের মত নাই। তার প্রতি যত্ন নেয় না ঠিক ভাবে......সেক্স এর বেপার এ ও উদাসিন। শামিম আরও খেয়াল করল যে ইদানিং করিম অফিস থেকে আগে আগে বের হয়ে যায়। শামিম তখন বেপার টা পাত্তা দিলনা। কিন্তু পরে যখন তার বৌ এর উদাসিনতা আর করিম এর আফিস থেকে আগে বের হওয়া নিয়মিত হয়ে গেলো তখন শামিম সন্দেহ করতে লাগলো দুই জন কেই। এইটা ভেবে শামিম অনুতপ্ত হল যে তার সব থেকে প্রিয় দুই মানুষ কে সন্দেহ করতেছে। কিছু দিন যাওয়ার পর শামিম আর শহ্য করতে না পেরে অতিশ্ঠ হয়ে সিদ্ধান্ত যে বেপার টা ঘুটিয়ে দেখতে হবে। একদিন করিম অফিস থেকে আগে বের হয়ে গেলে শামিম ও কিছুক্ষন পর তার নিজের বাসার উদ্দেশ্শে রওয়ানা দিলো। বাসায় গিয়ে শামিম দরযায় নক করলো। কিছুক্ষন অতিবাহিত হলে শামিম আবার নক করলো। কোনো সাড়া নেই !!! শামিম এর টেনসন বেরে গেলো, সে আবার জোরে জোরে নক করলো। তারপর ও কোনো সারা নেই। শামিম এখন পাগল এর মত নক করতে লাগল। এভাবে শামিম নক করতেই থাকল........... এক সময় তার বৌ দরজা খুলে দেয়, বৌ এর মুখে দুনিয়ার বিরক্তি, বলল "কি হল !!! এত পাগল এর মত নক করতেছ কেন ????"। শামিম তার বৌ এর কথার জবাব না দিয়ে সরাসরি তার বেড রুম এ চলে যায়। গিয়ে দেখল সব সাভাবিক। শামিম সারা ফ্লাট খুজে দেখল, কিন্তু তার বৌ ছারা আর কাউকে পেলো না। বৌ ও আশ্চরয হয়ে বলতে থাকল "কি খুজতেছ ?? আমাকে বল...পাগল হয়ে গেলে নাকি !!!!... "। শামিম না থেমে তার বাসার সব আলমিরা, খাটের নিচে সব যায়গায় খুজল , কিন্তু অনেকক্ষন খুজেও কিছুই পেলো না। সামি পাগল হয়ে গেছে এই ভেবে বৌ কান্নাকাটি শুরু করে দিল। কিছু খুজে না পেয়ে শামিম ও হতাশ আর অনুতপ্ত। সে ভাবল দুনিয়ার সব থেকে প্রিয় দুই জনকে সে একটা বাজে বেপার নিয়ে সন্দেহ করেছে তাই এই দুনিয়ায় তার বেচে থাকার কোনো মানে হয়না। সে আত্নহত্য করল। "আত্নহত্য মহাপাপ" এই সুত্র মতে শামিম এর স্থান হল দোজখ এ। দোজখ এ অনেক কষ্ঠ ..... অনেক শাস্তি দেওয়া হ্য়......কোনো খাবার দাবার ও দেয়ে হ্য়না। সাপ্তাহে ১ দিন দোজখ এ ছুটি। ঐ দিন কোনো শাস্তি দেওয়া হয়না, দোজখ এর এখানে ওখানে কিছু বাসি খাবার ফেলে রাখা হ্য়। ঐ বাসি খাবার গুলা দোজখ বাসিরা কুড়িয়ে কুড়িয়ে খায়। সেই রকম এক ছুটির দিন এ শামিম বাসি খাবার খুজে খুজে খাচ্ছে। খুজতে খুজতে হটাৎ শামিম দেখল তার প্রিয় বন্ধু করিম ও ঐখানে !!!! শামিম দৌড়ে গিয়ে করিম কে জড়িয়ে ধরল। দুই বন্ধু একে অপর কে জড়িয়ে কান্নাকাটি শুরু করল। কান্নাকাটি শেষ করার পর শামিম কেন আত্নহত্য করল তা করিম কে খুলে বলল। সব শুনে করিম মহা খেপে গেলো। রেগে গিয়ে করিম বলল "হারামি তোর একটা ছোট ভুল এর জন্য আমরা দুই জনই এখন দোজখ এ"। শামিম অবাক হয়ে বলল "কেন ভাই আমি আবার কি করলাম???" । করিম বলল "আমরা দুই জনই এখন দুনিয়াতে থাকতাম যদি তুই ঐ দিন বাসায় ঢুকে সাথে সাথে ডিপ ফ্রিজ টা চেক করতি"।
আলোচিত ব্লগ
'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!
প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন
মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন
ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!
সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন
এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে
একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।
গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।