somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কাজী শরিফ
পসিটিভ স্কুলের মাধ্যমে আমরা পুরো বাংলাদেশ এ পসিটিভ মানসিকতা ছড়িয়ে দিতে চাই। বিজ্ঞান এবং পসিটিভ সাইকোলজির জ্ঞানের সাহায্যে, আমরা বাংলাদেশিদের উন্নত মানের সেবা বিলিয়ে দিতে চাই। আধুনিক, বিজ্ঞানসম্মত কিন্তু সেই সাথে আকর্ষণীয় পসিটিভ কনটেন্ট এর মাধ্যমে তরুন বা

ডায়েট না সুষম খাদ্য? – healthy food habit

১৬ ই জুলাই, ২০১৬ রাত ১২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঠিক যেমন ক্যালকুলাস এর অংক জীবনের কোথাও কাজে লাগে না, পাঠ্য বই এর খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে জ্ঞানটুকু আমরা কখনই কাজে লাগাই না। অনেকেই হয়ত জানি কিন্তু ভুলে গেছি। Why we need to know about healthy food habit.




আমরা সবাই জানি এবং বারবার এই কথাটা শুনি যে, দেশের অধিকাংশ মানুষ পুস্টিহীনতায় বা অপুষ্টিতে ভুগছে। কিন্তু কেন পুস্টিহীনতায় বা অপুষ্টিতে ভুগছে? দেশের বেশিরভাগ মানুষ তো না খেয়ে থাকছে না। আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় যেটা দেখেছি যে এই অপুস্টি জনিত সমস্যার জন্য আমাদের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস (proper diet) সম্পর্কিত ধারনার অভাব অন্যতম।

দেশের অনেক সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই অপুস্টিজনিত সমস্যা দূর করার জন্য নানা ভাবে কাজ করছে। সাধারণত এসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে নিম্নআয়ের মানুষদের নিয়ে। কিন্তু আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সঠিক পুষ্টি সরবরাহের পাশাপাশি কিভাবে অল্প আয়ের মধ্যে অধিক পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করা যায় এই জ্ঞান বা নির্দেশনা দেয়া উচিৎ। তাহলে অচিরেই অপুস্টিজনিত নানা সমস্যা থেকে মুক্ত হবার পাশাপাশি, তাদের দেহ ও মন উত্তরোত্তর ভালো হতে থাকবে। সে নিজে, তার পরিবার, সমাজ, সর্বোপরি দেশ এতে উপকৃত হবে।

আমার আজকের লেখা তাদেরকে নিয়ে যারা শিক্ষিত এবং যাদের মোটামুটিভাবে অর্থনৈতিক সমস্যা নেই তাদের নিয়ে। তাদের খাদ্য (diet) এবং পুষ্টি (nutrition) সম্পর্কিত জ্ঞান এবং বিভিন্ন (myth) নিয়ে। মজার ব্যাপার হচ্ছে ঠিক যেমন ক্যালকুলাস এর অংক জীবনের কোথাও কাজে লাগে না, পাঠ্য বই এর খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে জ্ঞানটুকু আমরা কখনই কাজে লাগাই না। অনেকেই হয়ত জানি কিন্তু ভুলে গেছি।



আমরা প্রতিনিয়ত ডায়েট (diet), নিউট্রিশন (nutrition) এই শব্দ গুলো শুনি এবং নিজেরাও ব্যবহার করি। কিন্তু আমাদের সবার কি ডায়েট এবং নিউট্রিশন সম্পর্কে সঠিক ধারনা আছে? ডায়েট (Diet) মানে খাদ্য, পথ্য, আহার বা খাবারের অভ্যস্ততা। কিন্তু খুবই সাধারণভাবে আমরা ডায়েট বলতে না খেয়ে থাকা বা কম খেয়ে থাকাকে বুঝি। ওজন নিয়ন্ত্রন (body weight management) অথবা আমরা নিজেদের দেহের ওজন কমাতে বা বাড়াতে চাই অথবা যেমন আছে তাই ধরে রাখতে চাই – তাহলে আমাদের জন্য দরকার সঠিক খাবারের অভ্যাস বা সুষম খাদ্য (proper Diet)।



“যে ঠিকমত খায়নি; সে ঠিকমত চিন্তা করতে পারে না, ভালবাসতে পারে না, ঘুমাতে পারে না।”
― ভারজিনিয়া ঊলফ

“One cannot think well, love well, sleep well, if one has not dined well.”
― Virginia Woolf, A Room of One’s Own


কিভাবে? খুব সাধারণভাবে আমরা এটাও বুঝি যে যার ওজন বেশি সে যদি দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চায় সে কম খাবে এবং যার ওজন কম সে বেশি বেশি খেয়ে ব্যাল্যান্স করবে। কিন্তু সেই অল্প বা বেশি খাবারটাও যে সঠিক খাবারের সমন্বয়ে হতে হবে সেটি ভুলে যাই। কারন শুধু যেকোনো খাবার কম বা বেশি পরিমানে খেয়ে আর যাইহোক অন্তত সঠিকভাবে ওজন কমানো বা বাড়ানো যায় না। কিছুদিন পর কোন একটি খাবারের উপাদান কমে গেলে সেই উপাদানের ঘাটতি জনিত সমস্যা দেখা দিবে। তাই শুধু কম বা বেশি খেলেই হবে না, সেই কম বা বেশি খাবারে থাকতে হবে পুস্টিগুনের ব্যাল্যান্স।

তাহলে পুষ্টি কি জিনিস? পুষ্টি বলে প্রথমেই আমরা কোন খাবার কে বুঝি। কিন্তু সহজভাবে বলতে পুষ্টি একটি প্রক্রিয়া। যেকোনো খাবার খাওয়ার পর আমাদের দেহ সেই খাবার থেকে বিভিন্ন খাদ্য উপাদান (carbohydrate, protein, vitamins, minerals) তৈরি করে। সেই খাদ্য উপাদানগুলো আমাদের শরীরের সকল কাজে লাগে। যেমন শর্করা (carbohydrate) সাধারণত আমাদের শক্তি যোগায়। প্রোটিন (protein) সাধারনত আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বানাতে বা মেরামতের কাজে লাগে। তাই পুষ্টি নিজে কোন খাবার না কিন্তু একটি খাবারে কি কি উপাদান কি কি পরিমানে আছে তার উপর ভিত্তি করে আমরা নির্ধারণ করতে পারি যে সেই খাবার টি কতটা পুষ্টিকর বা সেই খাবার টি আমাদের শরীরের কতটা কাজে লাগবে।



এত গেল পুস্টির কথা এবার অপুস্টির কথা বলি। আমাদের অনেকের মনে হয় অপুষ্টি নিয়ে জানার কি দরকার, আমরা তো অনেক/পর্যাপ্ত খাবার খাই। এর উপর আবার ওজন নিয়ন্ত্রনের ঝামেলা তো আছেই। আসলে অপুষ্টি বলতে সল্প-পুষ্টি (under-nutrition) এবং অতি পুষ্টি (over-nutrition) উভয়কেই বোঝায়। বিভিন্ন খাদ্য উপাদানের ঘাটতির কারনে যেমন আমাদের শরীরের স্বাভাবিক স্বাস্থ্যে বিঘ্ন ঘটতে পারে ঠিক সেভাবে অনেক বেশি পরিমানে গ্রহন করলেও সেই একই ঝামেলা। অনেকক্ষেত্রেই বেশি পরিমানে খেলে বিষক্রিয়া হতে পারে অথবা খাবারের সাথে জড়িত দেহের অঙ্গ গুলো ঠিকমত কাজ করতে পারে না। ভেবে দেখো ঠিক টানা ৭ দিনের ঈদের দাওয়াতের পর যে অবস্থা হয়। ভরপেট দাওয়াত বা এইরকম ভারী খাবার (rich foods) বা ফাস্টফুড (fast foods) এর ক্ষেত্রে সাধারনত ভিটামিন (vitamins) বা মিনারেলস (minerals) জাতীয় পুষ্টি খুব কম থাকে। তাই এইসব খাবার বেশি পরিমানে খেলে অন্যান্য উপাদান পেলেও ভিটামিন (vitamins) বা মিনারেলস (minerals) এর ঘাটতি রয়ে যায়।


তাই অপুষ্টি; হোক সেটি সল্প-পুষ্টি (under-nutrition) বা অতি-পুষ্টি (over-nutrition), দূর করার জন্য দরকার সঠিক খাবারের অভ্যাস। সুষম খাদ্য (Balanced Diet); শুধু খাদ্য (Diet) না।


পরের পর্বে healthy food habit নিয়ে লিখছি আরো বিস্তারিত। তোমার কি মনে হয়? খাবারের অভ্যাস নিয়ে আমাদের আরো জানা উচিৎ? না আমরা যথেষ্টই জানি?


লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় পসিটিভ স্কুলে। তোমার healthy food habit এর কথা কমেন্ট করে জানাতে পারো অথবা আমাদের ইনবক্সে জানাতে পারো। এরকম আরো পসিটিভ স্কুলের গল্প পড়তে পারো অথবা ভিডিও দেখতে পারো।
শুরু হোক তোমার positively awesome হবার পথচলা।





আমরা সবাই জানি এবং বারবার এই কথাটা শুনি যে, দেশের অধিকাংশ মানুষ পুস্টিহীনতায় বা অপুষ্টিতে ভুগছে। কিন্তু কেন পুস্টিহীনতায় বা অপুষ্টিতে ভুগছে? দেশের বেশিরভাগ মানুষ তো না খেয়ে থাকছে না। আমার দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতায় যেটা দেখেছি যে এই অপুস্টি জনিত সমস্যার জন্য আমাদের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস (proper diet) সম্পর্কিত ধারনার অভাব অন্যতম।

দেশের অনেক সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এই অপুস্টিজনিত সমস্যা দূর করার জন্য নানা ভাবে কাজ করছে। সাধারণত এসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে নিম্নআয়ের মানুষদের নিয়ে। কিন্তু আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি সঠিক পুষ্টি সরবরাহের পাশাপাশি কিভাবে অল্প আয়ের মধ্যে অধিক পুষ্টিকর খাবারের ব্যবস্থা করা যায় এই জ্ঞান বা নির্দেশনা দেয়া উচিৎ। তাহলে অচিরেই অপুস্টিজনিত নানা সমস্যা থেকে মুক্ত হবার পাশাপাশি, তাদের দেহ ও মন উত্তরোত্তর ভালো হতে থাকবে। সে নিজে, তার পরিবার, সমাজ, সর্বোপরি দেশ এতে উপকৃত হবে।

আমার আজকের লেখা তাদেরকে নিয়ে যারা শিক্ষিত এবং যাদের মোটামুটিভাবে অর্থনৈতিক সমস্যা নেই তাদের নিয়ে। তাদের খাদ্য (diet) এবং পুষ্টি (nutrition) সম্পর্কিত জ্ঞান এবং বিভিন্ন (myth) নিয়ে। মজার ব্যাপার হচ্ছে ঠিক যেমন ক্যালকুলাস এর অংক জীবনের কোথাও কাজে লাগে না, পাঠ্য বই এর খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে জ্ঞানটুকু আমরা কখনই কাজে লাগাই না। অনেকেই হয়ত জানি কিন্তু ভুলে গেছি।



আমরা প্রতিনিয়ত ডায়েট (diet), নিউট্রিশন (nutrition) এই শব্দ গুলো শুনি এবং নিজেরাও ব্যবহার করি। কিন্তু আমাদের সবার কি ডায়েট এবং নিউট্রিশন সম্পর্কে সঠিক ধারনা আছে? ডায়েট (Diet) মানে খাদ্য, পথ্য, আহার বা খাবারের অভ্যস্ততা। কিন্তু খুবই সাধারণভাবে আমরা ডায়েট বলতে না খেয়ে থাকা বা কম খেয়ে থাকাকে বুঝি। ওজন নিয়ন্ত্রন (body weight management) অথবা আমরা নিজেদের দেহের ওজন কমাতে বা বাড়াতে চাই অথবা যেমন আছে তাই ধরে রাখতে চাই – তাহলে আমাদের জন্য দরকার সঠিক খাবারের অভ্যাস বা সুষম খাদ্য (proper Diet)।



“যে ঠিকমত খায়নি; সে ঠিকমত চিন্তা করতে পারে না, ভালবাসতে পারে না, ঘুমাতে পারে না।”
― ভারজিনিয়া ঊলফ

“One cannot think well, love well, sleep well, if one has not dined well.”
― Virginia Woolf, A Room of One’s Own


কিভাবে? খুব সাধারণভাবে আমরা এটাও বুঝি যে যার ওজন বেশি সে যদি দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চায় সে কম খাবে এবং যার ওজন কম সে বেশি বেশি খেয়ে ব্যাল্যান্স করবে। কিন্তু সেই অল্প বা বেশি খাবারটাও যে সঠিক খাবারের সমন্বয়ে হতে হবে সেটি ভুলে যাই। কারন শুধু যেকোনো খাবার কম বা বেশি পরিমানে খেয়ে আর যাইহোক অন্তত সঠিকভাবে ওজন কমানো বা বাড়ানো যায় না। কিছুদিন পর কোন একটি খাবারের উপাদান কমে গেলে সেই উপাদানের ঘাটতি জনিত সমস্যা দেখা দিবে। তাই শুধু কম বা বেশি খেলেই হবে না, সেই কম বা বেশি খাবারে থাকতে হবে পুস্টিগুনের ব্যাল্যান্স।

তাহলে পুষ্টি কি জিনিস? পুষ্টি বলে প্রথমেই আমরা কোন খাবার কে বুঝি। কিন্তু সহজভাবে বলতে পুষ্টি একটি প্রক্রিয়া। যেকোনো খাবার খাওয়ার পর আমাদের দেহ সেই খাবার থেকে বিভিন্ন খাদ্য উপাদান (carbohydrate, protein, vitamins, minerals) তৈরি করে। সেই খাদ্য উপাদানগুলো আমাদের শরীরের সকল কাজে লাগে। যেমন শর্করা (carbohydrate) সাধারণত আমাদের শক্তি যোগায়। প্রোটিন (protein) সাধারনত আমাদের দেহের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ বানাতে বা মেরামতের কাজে লাগে। তাই পুষ্টি নিজে কোন খাবার না কিন্তু একটি খাবারে কি কি উপাদান কি কি পরিমানে আছে তার উপর ভিত্তি করে আমরা নির্ধারণ করতে পারি যে সেই খাবার টি কতটা পুষ্টিকর বা সেই খাবার টি আমাদের শরীরের কতটা কাজে লাগবে।



এত গেল পুস্টির কথা এবার অপুস্টির কথা বলি। আমাদের অনেকের মনে হয় অপুষ্টি নিয়ে জানার কি দরকার, আমরা তো অনেক/পর্যাপ্ত খাবার খাই। এর উপর আবার ওজন নিয়ন্ত্রনের ঝামেলা তো আছেই। আসলে অপুষ্টি বলতে সল্প-পুষ্টি (under-nutrition) এবং অতি পুষ্টি (over-nutrition) উভয়কেই বোঝায়। বিভিন্ন খাদ্য উপাদানের ঘাটতির কারনে যেমন আমাদের শরীরের স্বাভাবিক স্বাস্থ্যে বিঘ্ন ঘটতে পারে ঠিক সেভাবে অনেক বেশি পরিমানে গ্রহন করলেও সেই একই ঝামেলা। অনেকক্ষেত্রেই বেশি পরিমানে খেলে বিষক্রিয়া হতে পারে অথবা খাবারের সাথে জড়িত দেহের অঙ্গ গুলো ঠিকমত কাজ করতে পারে না। ভেবে দেখো ঠিক টানা ৭ দিনের ঈদের দাওয়াতের পর যে অবস্থা হয়। ভরপেট দাওয়াত বা এইরকম ভারী খাবার (rich foods) বা ফাস্টফুড (fast foods) এর ক্ষেত্রে সাধারনত ভিটামিন (vitamins) বা মিনারেলস (minerals) জাতীয় পুষ্টি খুব কম থাকে। তাই এইসব খাবার বেশি পরিমানে খেলে অন্যান্য উপাদান পেলেও ভিটামিন (vitamins) বা মিনারেলস (minerals) এর ঘাটতি রয়ে যায়।


তাই অপুষ্টি; হোক সেটি সল্প-পুষ্টি (under-nutrition) বা অতি-পুষ্টি (over-nutrition), দূর করার জন্য দরকার সঠিক খাবারের অভ্যাস। সুষম খাদ্য (Balanced Diet); শুধু খাদ্য (Diet) না।


পরের পর্বে healthy food habit নিয়ে লিখছি আরো বিস্তারিত। তোমার কি মনে হয়? খাবারের অভ্যাস নিয়ে আমাদের আরো জানা উচিৎ? না আমরা যথেষ্টই জানি?


তায়েবা
পুষ্টিবিদ ও ওজন নিয়ন্ত্রন বিশেষজ্ঞ। নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে কাজ করছি। নিউট্রিশন ও ফুড সাইন্স এ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা। দেশের সকলের নিউট্রিশন ও ফুড হ্যাবিট নিয়ে সচেতনতা বাড়াতে চাই।

লেখাটি প্রথম প্রকাশিত হয় পসিটিভ স্কুলে। তোমার healthy food habit এর কথা কমেন্ট করে জানাতে পারো অথবা আমাদের ইনবক্সে জানাতে পারো। এরকম আরো পসিটিভ স্কুলের গল্প পড়তে পারো অথবা ভিডিও দেখতে পারো।
শুরু হোক তোমার positively awesome হবার পথচলা।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০১৬ রাত ১২:১৯
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চিরবিদায়ে শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় শায়িত ডা. খায়রুল ইসলাম – Regional Director for South Asian Countries, WaterAid UK

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৪ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৫৪




২০ অগাস্ট ২০২৬, বৃহস্পতিবার রাতে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থেকে ফিরে ঘুমাতে ঘুমাতে কিছুটা দেরি হয়ে গিয়েছিল। ফলে সকালে উঠতেও দেরি। আগের দিন দুপুরে বিদ্যুৎ এক ঘণ্টার জন্য চলে যাবার পর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আন্দোলনের সময় বেকারদের দরকার ছিল, এখন কি আর নেই?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ২:২০


সারজিস আলমকে দেখে একসময় মনে হয়েছিল, বাংলাদেশের রাজনীতিতে হয়তো সত্যিই নতুন কিছু আসতে যাচ্ছে। কোটা আন্দোলনের আইকনিক মুখ, গর্বিত ঢাবিয়ান, এনসিপির বড় নেতা। শেখ হাসিনার আমলে সকাল বিকাল... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ কি মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হবে?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৯:৩২

বাংলাদেশ কি মক্কা চুক্তিতে যুক্ত হবে?

প্রশ্নটি এখন আর নিছক কল্পনা নয়।
গত ৭ আগস্ট সৌদি আরবের মক্কায় সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান Makkah Joint Defence Agreement-এ স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা জানেন না তাদের জন্য! কফি এনিমা (Coffee Enema)!

লিখেছেন সাহাদাত উদরাজী, ২৫ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৩

কফি এনিমা হলো মলদ্বার দিয়ে কোলন বা বৃহদন্ত্রে তরল কফি প্রবেশ করিয়ে পেট পরিষ্কার করার একটি বিকল্প পদ্ধতি। নিচে এটি শরীরে দেওয়ার সাধারণ প্রক্রিয়াটি ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলোঃ

প্রয়োজনীয় উপকরণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×