somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিবাহিত জীবন শুধুমাত্র প্রধান দুইটি ভিত্তির উপর টিকে থাকে...

২৮ শে জানুয়ারি, ২০১৩ দুপুর ২:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিবাহিত জীবন শুধুমাত্র প্রধান দুই (২)টি ভিত্তির উপর টিকে থাকেঃ

১. বিশ্বাস

২. নিরঅহংকার (অহংকারী না হওয়া)

প্রাসঙ্গিক যুক্তি সমুহঃ
বিশ্বাসঃ

বিয়ের ভিডিও কম বেশি দেখা হয়েছে আপনাদের। একটি বিষয় লক্ষ্য করেছেন কি? কাজী সাহেব দোয়া-দুরুদ শেষে বিয়ে পড়ানোর সময় পাত্র-পাত্রীর নাম - বাবার নাম সহ আনুষাঙ্গিক কথা শেষে বলে থাকেন "বলেন কবুল"!

(১) ছেলেটি অনায়াসে শব্দ করেই বলবে "কবুল-কবুল-কবুল"।আর মেয়েকে বার বার বলতে হয় "বলো মা কবুল, বলো..." তিন বার জিজ্ঞেস করার পর যখন মেয়েটি নিরব থাকে তখন ধরে নেয়া হয় "নিরবতা সম্মতির লক্ষন"। আমি এখন পর্যন্ত একটি বিয়েও দেখিনি যেখানে পাত্রী শব্দ করে বলেছে "কবুল"...

(২) এবার আসুন বিয়ে ঢামা-ঢোল ফিটিয়ে কেন হয়। জি হ্যাঁ, সমাজকে জানানোর জন্য। আনুষ্ঠানিক ভাবে বিয়ে হবার পিছনের প্রধান কারন হলো আত্মীয়-পরিজন-সমাজের মানুষকে জানানো যে "এই ছেলেটি এবং এই মেয়েটি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ"।

(৩) কাবিন রেজিষ্ট্রি করা হয় বিপদে কাজে লাগানোর জন্য। বিবাহিত যুগলকে জিজ্ঞেস করে দেখুন তারা কাজীর যে কাগজে সই করেছেন তা পড়ে দেখেছেন কিনা - উত্তর আসবে "না"। শতকরা ৯০ ভাগ মানুষও কাজী অফিস থেকে কাবিন এর কপি আনেন না। নিতান্ত প্রয়োজন কিংবা বিচ্ছেদের বিষয় সামনে আসলেই শুধু কাবিননামা খোজা হয়।

উপরোক্ত বিষয়গুলোর আলোকে আমরা যদি বলি বিবাহিত একটি যুগল শুধুমাত্র "বিশ্বাস" এর বন্ধনে আবদ্ধ তবে আমার মত অনেকেই দ্বিমত করবেন না নিশ্চয়।

আমাদের পাশের গ্রামে একটি ছেলে ছিলো ২/১ বার কারো গাছের ডাব চুরি, কারো মুরগী চুরিতে ধরা খেয়েছিলো। কিছুদিনের মধ্যে এলাকায় চোর হিসেবে তার ভালই পরিচিতি হলো। এখন এলাকায় কারো কিছু খোয়া গেলেই মালিক পক্ষ ঝাছাই-বিবেচনা ছাড়াই সকালে গিয়ে তাকে ধরে আনে এবং উত্তম-মাধ্যম দিয়ে বলে "স্বীকার কর তুই চুরি করছত"। বেচারা গরীবের ছেলে মার খেয়ে যায়। পরবর্তীতে সে অবশ্য সত্যি সত্যি বড় চোরে রুপ নেয়। ছেলেটির বাবা উপায় না দেখে তাকে চট্রগ্রাম গার্মেন্টস এ চাকুরীতে পাঠিয়ে দেয়। এখোনো এলাকায় চুরি হলে তার বাড়িতে গিয়ে দেখে আসে সেই ছেলে বাড়ীতে আসছে কিনা - এমনকি গোয়েন্দাও লাগানো হয় সে রাতে বাড়ীতে এসেছিলো কিনা?
এই কাহীনিটি বলার মুল কারন হলো "এমন কোন কাজ করবেন না যাতে আপনার সঙ্গির সন্দেহ হয় আপনার প্রতি"।

লক্ষ্য করলে দেখবেন, অনেক মানুষ আছেন সঙ্গিকে না জানিয়ে বন্ধুর সাথে লুকিয়ে লুকিয়ে কথা বলেন। অনেকে কথা বলার মাঝখানে স্বামী/স্ত্রীকে আসতে দেখলে ভ্যাবা-ছ্যাকা খেয়ে লাইন কেটে দেন। এই রকম করতে গিয়ে সন্দেহর ছোট ছোট দানা বাঁধতে থাকে। পরবর্তীতে আপনি যখন মা-বাবা কিংবা ভাই/বোনকেও ফোন করছেন তখন আপনার সঙ্গি দূর থেকে অনুমান করবে সে নিশ্চয় অন্য ছেলে/মেয়ের সাথে কথা বলছে। বন্ধু ছাড়া জীবন চলে না। শুধু একজন কাছের মানুষ (স্বামী/স্ত্রী) নিয়ে সুখি থাকার ধারনা অমুলক। আমাদের এমন কিছু বন্ধু আছে যাদের সাথে আমরা এমনসব বিষয় শেয়ার করি যা মা-বাবা-আপনজনের সাথে করতে পারিনা। তাই আমার মতে - বন্ধু থাকবে বন্ধুর মত সচ্ছ সম্পর্কের। এমন কোন সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার কি দরকার যা আমার সংসার জীবন অশান্তির করে তুলবে? (দুষ্ট গরুর চেয়ে শুন্য গোয়াল অনেক ভালো)

অন্য একটি প্রচলিত গল্প আছে - ভোর রাতে পুকুরের এক পাড়ে এক চোর চুরি শেষে গোসল করতে এসেছে তখন অন্য পাড়ে ফজরের অজু করতে আসা একজন মুসুল্লি মনে করছেন "বাহ্ ওই পাড়েও আমার মত একজন নামজী আছেন" একই সময় অন্য পাড়ের চোর নামাজীকে দেখে ভাবছে "চোরে দেখি দেশটা ভরে গেছে"।হ্যাঁ "যে যেমন - তার চিন্তাও তেমন"। তাই সঙ্গীকে অবিশ্বাসের আগে নিজের বিবেচনাবোধ বিচার করা জরুরী।

সুখী জীবনের ২য় প্রধান বিষয় হচ্ছে "অহংকারী না হওয়া"।আজ আমরা এ বিষয়টি পরিষ্কার করার চেষ্টা করবো।

বেচারী (গায়িকা) ন্যান্সি। ভালবেসে বাবা মায়ের অমতে বছর তিনেক আগে প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন। একটি ফুটফুটে মেয়েও হয়েছে তাদের। কিন্তু বিয়ের দুই বছরের মাথায় বিচ্ছেদ! প্রথম আলো ন্যান্সির ভাষ্য হেডলাইন করলো "তার সাথে কিছু বিষয় মিলছে না তাই আমরা দুইজনে আলোচনা করে ছাড়াছাড়ি করছি।"

তিন্নি-হিল্লেল, পুর্নিমা কিংবা তারিন এসব মানুষগুলোর সংসার ভাঙ্গার মুল কারন হলো "তোমার চেয়ে আমি কম কিসে? আমার চাহনেওয়ালার অভাব আছে নাকি?"নাম গুলো উল্ল্যেখ করছি শুধুমাত্র উদাহরন স্বরুপ। কোন ব্যাক্তিকে ব্যাক্তিগত আক্রমনের জন্য নয়। আর এই নাম গুলো বলার পিছনের কারন হলো আপনারা সবাই তাদেরকে চিনেন - নতুন করে তাদের সম্পর্কে বলতে হবেনা।

আমাদের শবনুর - মাশাআল্লাহ সুন্দরী। ১৯৯৯ সালে ঘোষনা দিয়েছিলেন ২০০৫ এর মধ্যে বিয়ে করবেন। কিন্তু ২০১৩ সালের এই দিনেও শবনুরের বিয়ের দাওয়াত পেলাম না! সালমান খান আমার বর হবে এমন স্বপ্ন এখনো লাখো নারী দেখেন। কিন্তু সালমানদের কপালেও বিয়ে ঝুটছে না। কারন ধরে নিন "অহংকার" - এ আমার যোগ্য নয় ও আমার যোগ্য নয় করতে করতে অহংকারীরা বৃদ্ধ!

প্রবাদঃ অতি বড় সুন্দরী না পায় বর। অতি বড় রাধুনী না পায় ঘর।
এবার একটু বাস্তবধর্মী কথা বলি...

স্বামী-স্ত্রী চলবে পাশা-পাশি। রেল লাইনের মত। দুজনের সমন্বয় থাকলে তবেই জীবন গাড়ী চলবে নিখুত - লাইনচ্যুত হবেনা। আর একটি লাইন তার অবস্থান থেকে সরে গেলেই বিপর্যয়!দুজন হাত ধরে পাশা-পাশি চলার আরো কারনও আছে। একজনের পিছু একজন হাঁটলে জীবনের কোন এক মোড়ে যদি সামনের মানুষটির গতি কমে যায় তবে পিছে থাকা তার সঙ্গী উষ্ঠা (হোঁচট) খেয়ে পড়বে। আর পিছনের জনের গতি কম হলে সামনের জন তার গতিতে হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ পিছু ফিরলে দেখবে পিছনের সঙ্গীটি মানুষের ভিড়ে হারিয়ে গেছে...

যা বলছিলাম - অহংকার।

যুগের পর যুগ থেকে আমাদের মাথার ভেতর খোদাই করে বসানো হয়ে গেছে -

* স্বামীর চেয়ে স্ত্রী খাটো হতে হবে।

* স্ত্রীর শিক্ষাগত যোগ্যতা স্বামীর চেয়ে কম হবে।

* পাত্র পক্ষ অপেক্ষাকৃত ধনী থাকবে পাত্রীদের থেকে। ইত্যাদি ইত্যাদি...

এসবের পিছনে একটাই কারন - "স্ত্রীকে ধাবিয়ে রাখা"। যোগ্যতায় বড় হলে চাপে থাকবে না এটাও আমাদের বাল্যকালের পারিবারিক শিক্ষার অংশ।

মজার বিষয় হলো - আমাদের দেশের মেয়েদের মা-বাবারা এটা জানেন এবং নিজেই নিজের মেয়েকে বিপদের দরজায় ঠেলে দিয়ে বলেন, "মেয়েদের এসব সহ্য করতে হয় - তাদের সাথে মানিয়ে চলার চেষ্টা কর"।

ইতোমধ্যে পুরুষ পাঠকগন লুঙ্গিতে কাছা মেরে আমার সাথে ঝগড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন হয়তো। জি, দোষ শুধু ছেলেদের নয় এটা আমিও স্বীকার করি (শত হলেও একজন ছেলে হিসেবে আমি ছেলেদের পক্ষই বেশি টানা স্বাভাবিক)।লম্বা-বেশি শিক্ষিত-ভাল চাকুরি-বাবার বাড়ী পয়সাওয়ালা; এ সবের মাত্র একটি বিষয় যদি কোন স্ত্রীর মধ্যে থাকে তবে তিনার আর মাটিতে পা পড়েনা। ফেয়ার এ্যান্ড লাভলী তাদের বিজ্ঞাপনে মেয়েদের এই অহংকারী ভাবকে রিতীমত স্বীকৃত করে দিয়েছে। তাদের ট্যাগলাইন "সৌন্দর্য্য হলো শক্তি!"আল্লাহ্ পাকের রহমতে তাদের মধ্যে যদি সৌন্দর্য্য শক্তির ছিটেফোটাও থাকে তবে সকাল বিকেল একই বাক্য বলে স্বামীধনের কান পাকিয়ে ছাড়বে "আমার জন্য ডাক্তার-ইঞ্জিনিয়ার আর গ্রীনকার্ড ওয়ালা ষাড়দের লাইন ছিলো - কপাল মন্দ বলে তোমার মত গাধার স্ত্রী হতে হলো আমায়"। তার উপর বড় বড় নিঃশ্বাস ফেলে বলবে "তুমি আমাকে ভালবাসো না"। এইযে সুন্দরী - একটু থামেন!! ভালবাসার সুযোগ কবে দিয়েছেন শুনি? আপনার গলাবাজীতে বেচারা আড়ষ্ট হয়ে ঘরের এককোনায়-ই পড়ে থাকে সবসময়। নিজকে প্রশ্ন করে দেখুন আপনার প্রতি আগ্রহ দেখাবার সাহস দিয়েছেন কখনো?নারীরা সত্যিকার অর্থে নিজেদের মর্যাদা নিজেরা দেয়না - তবে পুরুষ কি করবে; খাঁক?


আচ্ছা এইযে আপনি (স্ত্রী) হয়তো একটু খাটো কিংবা দুই ক্লাস কম শিক্ষিত হয়ে থাকেন তা নিয়ে কি আপনাকে স্বামী খোটা দেয়? (দু'একজন অস্বাভাবিক স্বভাবের পুরুষকে গননায় না-ই ধরলাম)। যদি একজন পুরুষ তার চেয়ে একটু খাটো এবং একটু কম শিক্ষিত কিংবা অর্থনৈতিক দুর্বল একজনকে স্বাভাবিক ভাবে (প্রায় ৯৫% বিবাহিত যুগলই এরকম) জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহন করতে পারে - তবে নারী হিসেবে আপনি কেন উদার হতে পারবেন না? আপনি কেন তাকে মানসিক চাপে রাখার চেষ্টা করবেন? শুধু নিজের দিক নয় - অন্যের মনের অবস্থারও মর্যাদা দিন।


বিয়ে করেছেন তো সব উচু-নিচ ব্যবধানের চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে দিন। আপনি যদি জজ-ব্যরিষ্টারও হয়ে থাকেন তবুও আপনি একজন স্ত্রী। সমতা বিষয়টি মাথায় রাখুন। ইগো-গামান্ড-অহংকার আপনার সম্পর্ককে রসাতলে নিয়ে যাবে। অন্যকে ছোট দেখানোর চেষ্টা করে থাকলে ধরে নিন আপনি ভালবাসা থেকে বঞ্চিত হবার দলে যোগ দিয়েছেন।


সম্পর্ক হউক আত্মার সাথে আত্মার - উচ্চশিক্ষা,শরীর,সম্পদ,রূপ এসব না হয় তোলা থাক বেশ্যা কিংবা দুশ্চরিত্র পুরুষের জন্য!

আপনি আমি "আম জনতা - দ্য ম্যাংগো পিপল" সম্পর্কগুলোতে আমরা চলি সমানে-সামান...

[আমার সমানে-সমান কোন নারী থাকলে হাত নেড়ে ইশারা করুন - ভেবে হই মর্মাহত; আমি এখনো অবিবাহিত :( ]

by যৌন শিক্ষা (১৬+) [Part 2]
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×