লাখো শহীদের রক্তস্নাত দেশটা আর এভাবে আর চলতে পারে না। যাকে ইচ্ছা ধরে নিয়ে গুলি করবেন তা নজীরবিহীন অসভ্যতা আর শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ কাপুরুষতা। বন্ধুক হাতে ক্ষমতার দাপট দেখানো নোংরামী দেউলিয়াপনা। ক্ষমতার মসনদ কেন্দ্রিক কামড়াকামড়ি আর দেখতে চাই না। রক্তিম রাজনীতির হুলি খেলা অভিলম্বে বন্ধ করতে হবে।জনতার বিস্ফোরন হলে আপনাদের রাজনীতির উদ্ভট ম্যাগাজিন বঙ্গোপসাগরে চুবিয়ে ওপারে পাঠিয়ে ছাড়বে। দেশ জুড়ে হত্যার মাতামাতি আর মেনে নেয়া যায় না।
কটটেলবাজ, পেট্টলবাজ, অগ্নিবাজদের গ্রেফতারের দায়িত্ব নিরাপত্তা বাহিনীর পালন করতে হবে। নতুবা জনতার উর্দি খুলে রাজনৈতিক উর্দি পরে পল্টনে কুস্তিগিরি করার প্রস্তুতি নিন। নিজেদের চরম ব্যর্থতা ঢেকে দলীয় চামচার মতো বক্তব্য দিবেন, তা হবে না। নাশকতার দোহাই দিয়ে একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থীদের মধ্যযুগীয় স্টাইলে নৃশংসভাবে হত্যা করবেন। আর কথিত বন্ধুক যুদ্ধের মতো রূপকথার গল্প সাজাবেন তা অসম্ভব।
নিরপরাধ মেধাবীদের হত্যা করে কি লাভ?? নিজেরা তো থার্ট ক্লাস মার্কা দলীয় সার্টিফিকেট দেখিয়ে চাকরি নিয়েছেন। সেটার কাফ্ফারা স্বরূপ সম্ভবনাময়ী, আদর্শিক ছাত্রনেতাদের উপর গনহত্যা চালাবেন সেটা কল্পনা করাও যেন বোকার স্বর্গে নিয়মিত বাস।একটি আদর্শিক শক্তিকে ধ্বংস করতে হলে আরেকটা আদর্শ লাগে। পেশীশক্তি, পুলিশী শক্তি দিয়ে চেঙ্গিসখান, হিটলার মুসোলিনি টিকতে পারে নি।ফলে রাষ্ট্রীয় মদদে কিলিং মিশনের ইতি টানতে হবে। নতুবা ফলাফল হবে ভয়াবহ।
এই দিন তো আর দিন নয়, আরও দিন আছে। এক মাঘে শীত গেলে তো ঢাকার বস্ত্র ব্যবসায়ীদের ভিক্ষার ঝুলি হাতে নিতে হতো। তাই বার্ন ইউনিটের কান্না আর শুনতে চাই না। স্বজনহারাদের গগনবিদারী আর্তনাদ কি আপনার মসনদে কাঁপন ধরায় না। জনতার মতামতকে তুড়ি মেরে আর কতকাল চেতনা ব্যবসা!!!!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





