বয়স বড্ড বেরসিক, আবেগ বড় অবুঝ! কথাটা যে কী নির্মম সত্য, তা মনে করিয়ে দিচ্ছেন ব্রাজিলের কিংবদন্তি স্ট্রাইকার রোনালদো। যা ছিল তাঁর ‘জীবন’, সেই ফুটবলকে বিদায় জানাতে হয়েছে বয়সের কাছে হার মেনে। কিন্তু আবেগকে যে তাড়াতে পারছেন না! তাই আবার ফুটবলে ফিরছেন রোনালদো। সবকিছু ঠিক থাকলে এ সপ্তাহের শেষের দিকেই আবার করিন্থিয়ানসের জার্সিতে মাঠে দেখা যাবে বিশ্বকাপের সবচেয়ে বেশি গোলের মালিককে।
অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৮টি বছর কাটিয়ে এসেছেন ফুটবলে। ২০০৯ সালে ইউরোপ-পর্ব শেষ করে ফেরেন নিজের দেশ ব্রাজিলে। নাম লেখান করিন্থিয়ানসে। মুটিয়ে গিয়েছিলেন অনেক। আর চোট তো তাঁকে কোনো দিনই শান্তি দিতে চায়নি। সবকিছুর পরও ‘ফুটবল আমার জীবন’ বলে খেলেই যাচ্ছিলেন।
কিন্তু করিন্থিয়ানসের এবারের ব্রাজিলিয়ান মৌসুমে আবারও চোট পেয়ে বসে তিনবারের ফিফা বর্ষসেরা খেলোয়াড়কে। বয়স আর চোটের কাছে হার মানতেই হয় ২০০২ সালের বিশ্বকাপ বিজয়ীকে। ফুটবলকে চোখের জলে বিদায় জানান এ বছরের গোড়ায়। ‘ভালোবাসাকে’ ছেড়ে আসার ঘোষণা দেওয়ার সময় হূদয় তাঁর ফেটেই যাচ্ছিল।
কিন্তু চ্যাম্পিয়নরা মনে হয় একটু অবাস্তব ভাবনাই ভাবেন। হয়তো ভাবেন—বয়স হয়েছে তো কী হয়েছে, এখনো ফুটবলকে অনেক কিছু দেওয়ার আছে! এমনটা আগে ভেবেছিলেন ডিয়েগো ম্যারাডোনা, ভেবেছিলেন রোমারিও। এবার বয়সের কথা ভুলে সে রকমটাই ভাবলেন রোনালদো।
রোনালদোই বা এসবের ব্যতিক্রম হবেন কেন! ৩৪ বছর বয়সী রোনালদোর ফেরার খবরটি দিয়েছেন করিন্থিয়ানসের সভাপতি আন্দ্রেস সানচেজ, ‘রোনালদো আবার খেলবে। আমি ঠিক জানি না সে তিনটি, চারটি বা পাঁচটি ম্যাচ খেলবে কিনা। কিন্তু সে আবার খেলবে।’ বার্সেলোনা, রিয়াল মাদ্রিদ, ইন্টার ও এসি মিলানের সাবেক তারকা আবার বুট গলাচ্ছেন তাহলে! কিন্তু পারবেন তো? ওয়েবসাইট।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


