somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বঙ্গবন্ধু ক্রমাগত নিচের দিকে নামিতেছে।

১৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমার এখনও মনে আছে, ১৯৯৬ তে যখন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসল তার পরদিনই টিভিতে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ প্রচার হচ্ছিল। আমি আমাদের গ্রামের বাজারে রিক্সাওয়ালা, কৃষক মজুর ও সাধারণ মানুষ একসাথে ধাক্কাধাক্কি করে টিভিতে সেই ভাষণ দেখেছিলাম। সেই দিন দেখেছিলাম বঙ্গবন্ধুর ভাষণ ভীষন আগ্রহ নিয়ে আওয়ামী লীগরে প্রতিপক্ষ জামায়াত বিএনপির লোকেরাও দেখছিল। কারণ অনেকেই আওয়ামী লীগকে পছন্দ করতো না ঠিকই কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে তাদের মাঝে ছিল ভীষণ আগ্রহ। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে সেই আগ্রহ মাস কয়েকের মধ্যেই বিভীষিকায় রুপান্তরিত হয়েছি। তখন টিভিতে নাটক বা অন্য জনপ্রিয় অনেক অনুষ্ঠান দেখনো হতো। একটি ধারাবাহিক নাটক সাধারণত সপ্তাহে ১বার দেখানো হতো। অনেক আগ্রহ নিয়ে হয়তো সেই নাটক বা অন্য কোন অনুষ্ঠান দেখতে বসতাম। দেখা যেত ঐ অনুষ্ঠানের সময় বিনা নোটিশে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান শুরু হয়ে গেছে। মেজাজ খারাফ করে বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে কত যে গালি দিয়েছি তার কোন শেষ নাই। যদি সেই গালি খাওয়ার মতো কোন আপরাধ বঙ্গবন্ধু করেন নি।

জাতীয় সঙ্গীত ও জাতীয় পতাকা যখন তখন যত্রতত্র ব্যবহার করা যায় না। আইন করে এটা বন্ধ করা হয়েছে। জিনিসগুলো সব সময় ব্যবহারের জন্য নয়। কেন জানেন? এই মহামূল্যবান সব সময় ব্যবহার হলে এগুলো তার মূল্য হারাবে। এক সময় দেখা যাবে জাতীয় সঙ্গীত বা জাতীয় পতাকা আমাদের মনে আর বিশেষ ভাবে দোলা দেবে না। অতি ব্যবহারে সব কিছুর আবেদন খুব সহজে পুরিয়ে যায়। আওয়ামী লীগ সরকার ও মিডিয়া গুলো যা শুরু করেছে তাতে করে বঙ্গবন্ধু অচিরেই মানুষের কাছে বিরক্তির কারণ হয়ে উঠবে। অতি ব্যবহারে বঙ্গবন্ধুর আবেদনও মানুষের কাছে কমে যাবে।

সুতরাং এটা বলা যায় যে, আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধকে উপরের দিকে তোলার জন্য যা করছে তাতে করে বরং বঙ্গবন্ধু ক্রমাগত নিচের দিকে নামছে। তারা যদি বুঝত যে অতিব্যবহারে সব কিছু আকর্ষণ হারায় তাহলে তারা এই কাজ করত না।

বঙ্গবন্ধু যদি সাধারণ মানুষের কাছে ''সাধারণ মানুষ'' হিসেবে বিবেচিত হয় তাহলে তার জন্য আওয়ামী লীগই দায়ী থাকবে।

আমি মনে করি বঙ্গবন্ধুকে নিচে নামানোর কাজ বিএনপি জামায়াত জোট হাজার চেষ্টা আর অপপ্রচার করেও করতে পারবেনা। বরং আওয়ামী লীগই তা করে দিচ্ছে।
গাধা গুলো যদি তা বুঝত!!!!
১৮টি মন্তব্য ১৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×