somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খালি 'সংস্কার সংস্কার' করলেই কী আর রাষ্ট্র সংস্কার হয়?

১৭ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



'সংস্কার সংস্কার' বলে জিকির করলেই 'সংস্কার' হয় না, হয় না ' বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন' নামের কোনো সংগঠন।
জুলাই গণঅভ্যূত্থান পরবর্তী সময়ে দেশের সংস্কার অবশ্যই দরকার ছিল। সেটার ম্যান্ডেটও ছিল দেশের দায়িত্ব নেওয়া অন্তর্বর্তী সরকারের। কিন্তু তারপরে কী হলো??

আমর তো সবাই জানি, এই অন্তর্বর্তী সরকার তাঁর উপর অর্পিত প্রায় সকল দায়িত্বেই ফেইল করেছে...তাদের ভয়ানক ব্যর্থতা ও অতি বায়াজড কাজকর্মের কারণে দেশ এক ভয়ানক সংকটময় অবস্থার ভিতর দিয়ে যাচ্ছে...সামনেও এই অবস্থা থেকে উত্তরণ ঘটবে কিনা, তাও চরম অনিশ্চিত! সবদিক দিয়েই দেশের অবস্থা এতই খারাপ যে অনেকেই এমনকি হাসিনা আমলের আওয়ামী সরকারের সাথে এই ইন্টেরিম সরকারের তুলনা করছে।

তো, এমন 'মন্দ ও অতি ব্যর্থ' সরকার যখন 'সংস্কার' করতে চায়, তখন সেই 'সংস্কারের' উপর ভরসা বা বিশ্বাস দেশের বেশিরভাগ মানুষই করে না। করে না দেশের মধ্যপন্থী, লিবারেল ধারার গণতান্ত্রিক ও বাংলাদেশপন্থী রাজনীতির সমর্থকেরাও। একেবারেই না! কেননা, এই সংস্কারে মূল বেনিফিশিয়ারি হওয়ার জোর সম্ভাবনা রয়েছে দেশের বর্তমান ইন্টেরিমের সাইডে থাকা কিছু দল ও লোকজন এবং দেশের ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি পাওয়া ডানপন্থী শক্তিগুলোর, এমন কথা অনেকেই বলছেন!

তো, এই কথিত 'সংস্কার' প্রকল্পে যখন 'বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন' সবগুলো সংস্কার প্রস্তাবেই 'হ্যাঁ' দিয়ে আসে, তখন রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনকে' বাংলাদেশপন্থী বা সত্যিকারভাবে গণতন্ত্রপন্থী কোনো রাজনৈতিক দল কোনোভাবেই বলা যায় কী? আদৌ বলা যায় কী?

এক্ষেত্রে, দেশের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল বিএনপির অবস্থানই আমি মনে করি যথেষ্ট ব্যালেন্সড একটা অবস্থান ছিল। তারা এই সংস্কার প্রকল্পের সাথে স্বাভাবিককেই থাকতে হয়েছে; তবে, গণহারে সব প্রস্তাবে 'হ্যাঁ' দেয়নি, যেমনটা অল্পকিছু দল দিয়েছে 'রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন'সহ!

আর 'রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন' যা করেছে, সেটাকে আমি অতি সুবিধাবাদী বা অতি অপরিণামদর্শী ও অপরিপক্ক অবস্থান বলেই সন্দেহ করি; জোর সন্দেহ! এমন সন্দেহ করেন ও করছেন আরো অনেকেই!

তাই 'বাংলাদেশ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন'-এর 'সংস্কার'-এর কথা কেবল স্রেফ এবং স্রেফ মুখের বুলিই রয়ে গেছে, এ কথা বলাই যায়! :)
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৫১
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

স্বর্গময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩


ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;

১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ‘র’-এর কৌশল, প্রভাব ও গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি , পর্ব ০১

লিখেছেন মেহেদী আনোয়ার, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৭

'র'-এর গুপ্তচরবৃত্তির প্রকৃতি সম্পর্কে আলোচনা করার পূর্বে স্বাধীনতা যুদ্ধকালীন ও তৎপরবর্তী পরিচালিত কয়েক ধরনের স্ট্র্যাটেজি ও বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার বিবরণ দেয়া প্রয়োজন । ১৯৬৮ সালে 'র' গঠিত হয়েছিল মূলত বৈদেশিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×