somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

সেলিনা জাহান প্রিয়া
আমি সেলিনা জাহান প্রিয়া , জন্ম পুরান ঢাকা, নাজিরা বাজার , নানা বাড়িতে ।বাবার বাড়ি মুন্সী গঞ্জ , বড় হয়েছি ঢাকা ।স্বামীর বাড়ি কিশোরগঞ্জ ।ভাল লাগে ঘুরে বেড়াতে , কবিতা , গল্প , উপন্যাস পড়তে অজানাকে জানতে । ধর্ম বিশ্বাস করি কিন্তু ধর্ম অন্ধ না ।

অনু গল্প @ ফুল ও যুবক

১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :




একদিন এক যুবক একটি মেয়ে দেখে অপলক চোখে তাকিয়ে আছে !
যুবক টি বলল ইস এই মেয়ে টা যদি আমাকে ভালবাসত ?
পাশেই একজন বয়স্ক মানুষ বলল তুমি কি তার ভালবাসা চাও ?
না কি তুমি তাকে ভালবাস ?
যুবক বলল আমি ভালবাসলে কি হবে ? সে যদি আমাকে না ভালবাসে !
বয়স্ক লোকটা বলল তুমি যার ভালবাস
কাছ থেকে ভালবাসা পেতে চাও, তাকে তুমি কেন আগেই ভালবাস না!
যুবক বলল আমি যদি ভালবাসি তাকে আর সে না বাসে তখন আমার এই ভালবাসার কি মুল্য আছে ?
বয়স্ক মানুষটি একটু হেসে বলল তুমি ভালবাসা চাও না?
যুবক খুব রেগে গেল !!! বয়স্ক মানুষটি বলল তুমি রেগে গেলে কি হবে ?
আচ্ছা একটা কাজ কর তুমি ।
ঐ যে আমার বাগান, তুমি ঐ বাগান থেকে একটা ফুল নিয়ে আসো ।
দেখি তুমি ভালবাসা কি জিনিস বুঝ কি না দেখি ?
যুবক বাগানে গেল ফুল আর ফুল । একটার চেয়ে একটা ফুল কম সুন্দর না!!!
বাগান দেখতে দেখতে যুবক চিন্তায় পড়ে গেল কোন ফুল টা সে পছন্দ করবে ।
এক সময় যুবক বেশ কয়টা ফুল গাছ থেকে ফুল ছিরে নিয়ে এলো ।
বয়স্ক লোকটি বলল বাহ তোমার দারুন পছন্দ । মাত্র এই কয়টা ফুল তোমার পছন্দ ।
যুবক বলল আরও পছন্দের ছিল কিন্তু এত ফুল ছেরা ঠিক হবে না।
এমন সময় বয়স্ক মানুষটি অন্য একজন লোক কে ডাক দিয়ে বলল এই তুমি কি কাউকে ভালবাস ?
নতুন যুবকটি বলল হ্যাঁ ।
তখন বয়স্ক লোকটি বলল আচ্ছা যাও তুমি তোমার প্রেমিকার জন্য একটা ফুল পছন্দ করে নিয়ে আসো ।
নতুন যুবক টি ঐ বাগানে গেল এবং অল্প সময়ে একটা সাধারন ফুল নিয়ে ফেরত এলো ।
বয়স্ক মানুষটি বলল এত অল্প সময় এ পছন্দ করলে ।
বাহ চমৎকার !!!
নতুন যুবক বয়স্ক লোকটি কে বলল আপনার চোখে হয়ত ফুলটি সাধারন কিন্তু আমার চোখে তা অপূর্ব ।
বয়স্ক মানুষটি প্রথম যুবকটির কাছ থেকে সব গুলো ফুল নিয়ে তা আকাশের দিকট তুলে পরে মাটিতে ফেলে দিল ।
সব গুলো ফুল একটি একটি করে অপূর্ব রমণী হয়ে গেল।
সব রমণী সেই প্রথম যুবক কে বলিত লাগিল এই যুবক শুধু আমার ।
যুবক কে টানা হেঁচড়া শুরু করল । যুবক তাদের দিকে চেয়ে বলল তোমরা কি শুরু করলে ?
সব কয়টি মেয়ে বলল তুমি এত পছন্দ কেন করলে ?
এখন এই সব পছন্দের মুল্য তোমাকেই দিতে হবে !!!
এই দিকে নতুন যুবক যে ফুলটি তুলে ছিল ।
সেই ফুলটি ও একটি রমণী হল এবং ঐ যুবক কে নিয়ে একটি গাছ তলে বসে ঐ মেয়েটি গান শুনাইতে লাগিল।
তারা নিজেদের মধ্যে হাসি খুশি কথা বলিত লাগিল ।
প্রথম যুবক পরে গেল অনেক বিপদে !!! প্রতিটি রমণী তাকে আমার আমার বলে বিরক্ত করতে লাগলো !!!
কিছু সময়ের মধ্যে যুবক খুবেই অশান্তির মধ্যে পরে গেল এবং বাচাতে চাইল !!!
বয়স্ক লোকটি আবার বলিল হে ফুল তোমরা তোমাদের আগের জায়গায় চলে যাও ।
সব ফুল বাগানে চলে গেল । বয়স্ক লোকটি বলল হে যুবক এই পৃথিবীর সব সব ফুল
তোমার জন্য নয় ।
তুমি সব ফুলের পিছু নিও না।
তুমি যে ফুল কে ভালবাস দেখবে সেই ফুল তোমার জন্য প্রজাপতি হয়ে একদিন উড়ে আসবে ।
না হয় ফুলে ফুলে ঘুরে একদিন তুমি আর তোমার জন্য ফুল পাবে না।
তোমার চোখ ফুলের আসল রুপ থেকে বঞ্চিত হবে ।
যেহেতু তুমি জন্ম নিয়েছ কোন না কোন ফুল তোমার জন্য ফুটেছে ।
তুমি তোমার মনের ভালবাসা দিয়ে তার জন্য অপেক্ষা কর ।
কে কেমন তা না দেখে তুমি কেমন তাই আগে চিন্তা কর ।
ফুলের রুপে নয় ফুলের মাঝে কি গন্ধ আছে মনের গভীরের সেই সুগন্ধ খুজে দেখ ।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ২:৩০
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৮


বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকেলগুলো থমকে থাকে, আজও তোমার পাড়ায়

লিখেছেন চারাগাছ, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:০০






সেদিন বিকেলেও লোকটা জানালার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিল।

পাড়ার মানুষজন তাকে চেনে। চেনার কথাও। গত বাইশ বছর ধরে প্রায় প্রতিদিন বিকেল পাঁচটার দিকে লোকটাকে এই গলিতে দেখা যায়। কখনো হেঁটে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২



আমাদের চারপাশে অনেক কিছু আছে।
যা আমরা দেখতে পাই না। ব্যাকটেরিযয়া, ভাইরাস, ডার্ক ম্যাটার, অণু ও পরমাণুর কথা বলছি না। আমি বলছি, মৃত মানুষের কথা। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দেড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×