
নেপালের ত্রিশ বছর বয়সী এক যুবক গোবিন্দ গৌতম কাঞ্চনপুর জেলার আনন্দবাজারে ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের গুলিতে মারা গেছেন বৃহস্পতিবার। তার শেষকৃত্য হচ্ছে আজ।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে এরূপ ঘটনা মামুলি ব্যাপার হলেও নেপালে হোলি (ফাগু পুর্ণিমা) উৎসবের মাঝেও এই ঘটনায় তুমুল বিক্ষোভ হয়েছে এবং হচ্ছে।
এর চেয়েও বড় খবর হলো, রাজপথে জনতাকে শান্ত করতে দেশটির সরকার ইতোমধ্যে গৌতমকে #শহীদ হিসেবে ঘোষণা করেছে। পার্লামেন্টে এ নিয়ে উপ-প্রধানমন্ত্রী বিমলেন্দু নিধিকে বিবৃতি দিতে হয়েছে। গৌতমের পরিবারকে ইতোমধ্যে ১০ লাখ রূপি ক্ষতিপূরণ দেয়ার ঘোষণা দেয়া হয়েছে এবং তার সন্তানদের শিক্ষার দায়িত্ব নিয়েছে রাষ্ট্র।
এরপরও আরও অনেক কাহিনী আছে।
নেপালের পরিস্থিতি শান্ত করতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল দুঃখ প্রকাশ করে ফোন করেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রীকে।
আজ গৌতমের মরদেহ নিয়ে যে মিছিল হয়েছে তাতে নেমেছে মানুষের বিপুল ঢল। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১১ বার তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে।
একটাবার চিন্তা করে দেখেন, এক গোবিন্দের হত্যার প্রতীবাদে নেপালের মত একটি ছোট দেশ তোলপাড় করে ফেলতেছে, আর প্রতি সাপ্তাহে ভারতের সীমান্তে গড়ে একজন বাংলাদেশীর লাশ পড়ছে, কিন্তু আমাদের কোন হুঁশ হয় না।
পাঁচ ফুট নেপালিদের শিরদাঁড়া আছে। কিন্তু হায় সাড়ে পাঁচ ফুট বাংলাদেশীদের শিরদাঁড়া নাই।
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৮:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


