শেষ ট্রেনে ঘরে ফিরে
সেই বিস্মিত সন্ধ্যার লক্ষ্মী পাখিটির
একটি নাম দিবি বলেছিলি
তবু তুই এলি না !
তোর অপেক্ষায় থেকে
ঘাসের আড়ালে ঢাকা কাঁদা মাখা রাজহাঁস
শেষ বিকালে ঘরে ফেরেনি সেদিন
তাই ওকে অনেক করে বকলাম
শাসন করলাম
সন্ধ্যা করে ঘরে ফিরতে নেই !
তুই জানিস !
কেন জানি
আমি আজ নিজেতে নেই!
দেয়ালের হলুদ টিকটিকি কখন যে
ঘুনে ধরা কাঁঠ ঘেঁষে
নীড় খুজে হারিয়েছে
কোথাও দেখছি না !
পালকের সমস্ত ভিজে গায়ে
ঠোঁট গুজে গুজে চড়ুই ঘুমিয়েছে
উঁকি দিয়ে একটুও দেখছে না !
শুধু তোর জন্য বসে থাকা
ধোয়া ভরা ভাত
সজনে ডাটা...!
তবু খুব মনে পড়ছে তোকে
ভাঁঙ্গা সাঁকো পার হতে হতে
চক আর রং পেন্সিল ডুবে গেল মরা ঢেউয়ে
শ্যাওলায় ভেসে থাকা শ্লেঠটি এনে দিতে
কতবার ডিঙি বেয়ে
সাঁতরায়ে...
সাঁতরায়ে...এনে দিলি ।
পাঠশালায় সেদিন ভিজে গায়ে অনেকক্ষন
এক পায়ে দাড়িয়ে রেখেছে অমল স্যার
সবাই হেসেছিল
শুধু তুই কামিনীর ফুল ঝরা ভোরে
চুপিচুপি ফুপিয়ে ফুপিয়ে
অনেকক্ষন কাঁদলি !
আর কিছুই মনে পড়ছে না
কান্না পাচ্ছে...!
আচ্ছা তুই কেমন বলতো !
জঙ্গল বাঁধাল এখন কি আর তোকে ডাকে না ?
নুয়ে ভেজা শুভ্র কাশ এখন কি আর তোকে ছোঁয় না ?
আজ এই আধারের টিএসসি চত্ত্বর কে সাক্ষী রেখে বলছি !
ভার্সিটির প্রতিটি প্রত্ন ঘাসের নির্জন স্বাক্ষরতাকে দিব্যি দিয়ে বলছি !
এখনো তোর জন্য হাত বাড়িয়ে ছুঁই
চক
শ্লেঠ
রংপেন্সিল !
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



