
মধ্যপ্রাচ্য
১৯৩৪ সালে,মধ্যপ্রাচ্যের আর্থিক সহায়তায় জার্মানাস মধ্য প্রাচ্য,মিশর এবং সৌদি আরব দিয়ে ভ্রমণ করেছিলেন। ইংল্যান্ডের পাড়ি দিয়ে তিনি টি.ই.লরেন্সের( ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক,সেনা কর্মকর্তা,কূটনীতিক এবং লেখক)সাথে দেখা করেছিলেন। কায়রোয় অবতরণের পরে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করতে তাকে বাঁধা দেয়া হয়েছিল। তাকে তাঁর মিশরীয় লেখক বন্ধুরা সমর্থন করেছিলেন,তবে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আপোষহীন প্রধান গ্র্যান্ড ‘শেখ শেখ মুহাম্মদ আল-আহমাদী আল-জাওয়াহিরির’ কঠোরতার প্রশংসিত করেছিলেন,যিনি কোন ইউরোপীয়কে তাঁর ইন্সটিটিউটে প্রবেশ করতে দিতে চাননি।
অবশেষে,জার্মানাসকে কয়েক মাসের জন্য ছাত্র হতে দেওয়া হয়েছিল এবং তারপরে কায়রোর কেন্দ্রস্থলে হাজার বছরের পুরানো মসজিদ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মীদের সদস্য হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এ সময় আল-আজহার ছাত্রদের মধ্যে চরম দরিদ্রতা ছিল। তবে জার্মানাসের কাছে এটি ছিল মক্কার মতো,একজন মুসলিম শিক্ষার্থী হওয়ার অনুভূতি,কুরআন অধ্যয়নের অনুপ্রেরণা এবং শিক্ষার্থীদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা অনুভব করতে পেরেছিলেন।
বন্ধুদের মাধ্যমে তিনি সমসাময়িক মিশরীয় সাহিত্যের সর্বাধিক বিখ্যাত সদস্যদের সাথে দেখা করতে পেরেছিলেন। যেমন মাহমুদ তৈমুর। বিশ শতকের সবচেয়ে প্রভাবশালী মিশরীয় লেখক তাহা হুসেন,মুহাম্মদ আবদুল্লাহ এনান,কবি ইব্রাহিম নাজি,নাট্যকার-সুরকার তৌফিক এল-হাকিম, উপন্যাসিক ও দার্শনিক ‘মুহাম্মদ হুসেন হায়কাল’,কায়রোতে একাডেমী অফ সায়েন্সে-সের সেক্রেটারি এবং রোমান্টিক লেখক ‘আব্বাস মাহমুদ আল-আককাদ।‘
মক্কা ও হজ্ব
মিশর ছেড়ে জার্মানাস প্রথমে জেদ্দা এবং তারপরে মক্কায় যাবার জন্য সৌদি আরব-গামী জাহাজে উঠেছিলেন।১৯৩৫ সালে তিনি মক্কায় হজ্ব-কারী প্রথম হাঙ্গেরিয়ান মুসলিম ছিলেন। তিনি আরব উপ-দ্বীপের গোপন অঞ্চলগুলির মধ্য দিয়ে ছদ্মবেশে ভ্রমণ করেছিলেন। তিনি কোরআনের বিধি অনুসারে জীবন-যাপন করার পরও তিনি পদে পদে বিপদের সম্মুখীন হয়েছিলেন!
জার্মানাস তাঁর ইহরামের পোশাকের নীচে তাঁর প্রিয় হাঙ্গেরিয়ান পতাকা এবং একটি পকেট ক্যামেরা লুকিয়ে ছিলেন - যা সেই যুগে অকল্পনীয় ছিল। ফটো সহ তিনি প্রাচীন দিনের শিলালিপি এবং দলিলগুলির বিবরণ লিখেছিলেন, পশ্চিম ইউরোপে এর আগে কখনও দেখেনি। যেহেতু তিনি একসময় ভূতত্ত্বের শীর্ষস্থানীয় শিক্ষার্থী ছিলেন সেহেতু তিনি কালো প্রস্তর বা ‘আসওয়াদ পাথর’ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা করার অনুমতি লাভ করেছিলেন । হজ্ব চলাকালীন রাজা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদের রাজপ্রসাদে তাকে আমন্ত্রণ জানানো হলে জার্মানাস দারুণ সম্মানিত বোধ করেছিলেন।
পবিত্র ভূমি সম্পর্কে একটি বই
পবিত্র ভূমিতে তাঁর ভ্রমণ সম্পর্কে একটি বই প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল- এক বছর পরে (১৯৩৬ সালে),প্রথম হাঙ্গেরিয়ান ভাষায় এবং দুর্দান্ত সাফল্যের পরে এটি জার্মান(আল্লাহ আকবর। ইম বানে দেস ইসলামস)এবং ইতালীয় ভাষায় ‘সুললে ওমে দ্য মাওমেটো’ নামে অনুবাদ করা হয়েছিল।
বার্ষিক তীর্থযাত্রা শেষ করে হাঙ্গেরিয়ান হাজী নবীর সমাধিতে মদিনায় যান। মরুভূমিতে একটি কাফেলার সাথে দু'সপ্তাহের যাত্রা এবং অসহনীয় উত্তাপে তার স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটে এবং তিনি জ্বরে আক্রান্ত হন। তাকে তার বৈজ্ঞানিক গবেষণা কাজ ছেড়ে ইউরোপে ফিরে আসতে হয়েছিল। অসুস্থতা থেকে সেরে তিনি বেশ কয়েকদিন এথেন্সে কাটিয়েছেন।
যেহেতু অসুস্থতার কারণে বাধ্য হয়ে হঠাৎ মদিনা ছাড়তে হয়েছিল- তাই জার্মানাসের ভাবনায় ছিল তার কাজ অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। তিনি ভেবেছিলেন যে, তিনি আরবের সব পবিত্র অঞ্চলে ভ্রমণ করবেন এবং আরও পড়াশোনা শেষ করবেন। অবশেষে ১৯৩৯ সালের ২৩ শে সেপ্টেম্বর তিনি জাহাজে করে তার স্বপ্নের যাত্রা শুরু করেন একজন ‘নাবিক’ হিসাবে। সেবার তিনি বস-ফরাস হয়ে আলেকজান্দ্রিয়ায় গিয়েছিলেন।
এই সময়ে তিনি তার ৫৫তম বছর পূর্ণ করেছেন; তিনি নিজের সম্পর্কে লিখেছেন: "আমি বিশ্বের সবচেয়ে প্রবীণ নাবিক"। জাহাজের অন্য নাবিকেরা আমাকে উচ্চ স্নানে অনিষ্ঠ করেছিল কারণ, তাঁদের সাথে নিয়ে, তিনি একটি ভয়াবহ ঝড়ের কবলে ডুবে যাওয়া থেকে জাহাজটিকে বাঁচাতে সফল হন।
মরুভূমি দিয়ে যাত্রা
তাঁর ভ্রমণকালে তিনি প্রথম ইউরোপীয় যিনি ওয়াদি ধজাদাক (ওমান) এবং ঘুরিয়ার( আবুধাবি- তখন এই অঞ্চলগুলো মূলত যাযাবর অধ্যুষিত ছিল। সম্ভবত; ঘুরিযারের সেই যাযাবরদের পরবর্তী বংশধর দুবাই’য়ের বিখ্যাত ‘আল ঘুরিয়ার গ্রুপে’র মালিক) ) মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন। পরীক্ষামূলক এ ভ্রমণে ২৮ দিন চলার পরে কাফেলাটির খাবার এবং জল ফুরিয়ে যায়। তাদের নিজেদের উট হত্যা করে খেতে হয়েছিল। তিন দিন পানি বিহীন থাকার পরে জার্মানাসের চেতনা হারিয়ে গেল। তাঁর সঙ্গীরা ভেবেছিলেন যে তাঁর বেচে থাকার কোন আশা-ই আর নেই। তবে তাঁর বিশ্বস্ত আরব বন্ধুটি আশা ছাড়েননি তিনি কাফেলার কাউকেই তাকে ফেলে ওই স্থান ত্যাগের অনুমতি দেননি এমনকি জার্মানাসে’র উট’টাকেও হত্যা করতে দেননি।
হামাল্লিয়ে নামক মরূদ্যানে পৌঁছে,অজ্ঞান হওয়ার পাঁচ দিন পর জার্মানাসে’র হুঁশ আসে।
কাফেলাটি রিয়াদে পৌঁছেছিল যেখানে রাজা আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ’- হাঙ্গেরিয়ান পন্ডিতকে সাদরে গ্রহণ করেছিলেন।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়
১৯৪১ সালে তিনি পূর্ব ইন্সটিটিউটের পরিচালক হন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় তিনি বুদাপেস্টে বিরামহীনভাবে এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত দৌড়েছিলেন ছিলেন পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকর্মীদের আড়াল করতে এবং তাদের সুরক্ষিত করতে এবং জীবন ও মালামাল রক্ষার জন্য। তাঁর গ্রন্থাগারটি অলৌকিকভাবে ধ্বংসের হাত থেকে বেঁচে যায়। তার স্ত্রী রোজা হাজনোকজি’ চরম যুদ্ধাতঙ্কে ভুগছিলেন, তাই তিনি তার জন্য একটি গ্রামে একটি শান্ত জায়গা খুঁজে বের করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। বুদাপেস্টে ফিরে এসে তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। তিনি নিজের ও তার স্বামীর জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চরম শঙ্কিত ছিলেন- ধারনা করা হয় তিনি আতংকে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছিলেন, এ জন্যই হয়ত আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছিলেন।
একজন নারী এই ভয়ংকর দিনগুলিতে পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন। ১৯৩৯ সালে ‘কাজরী কাতো’র নামে এক রমণীর সাথে একটি প্রদর্শনীতে পরিচয় হয়েছিল। তিনি একজন ভাল ছাত্রী,সহায়ক সহকর্মী এবং একটি ভাল স্ত্রীকে পেয়েছিলেন।
নতুন জীবন
১৯৪৮ সালে তিনি ইতালীয় সংস্কৃতি এবং অর্থনৈতিক নীতির অধ্যাপক এর পরিচালক হন। তাঁর রচনাগুলি ইতালীয় ভাষায় প্রকাশিত হয়েছিল: "সুললে ওড়মি দি মাওমেটো (মোহাম্মদের পাদদেশে)"বইটি ১৯৩৮ সালে, মিলান এবং "আল্লাহ আকবর" এর অনুবাদ। পূর্বাঞ্চলীয় ইন্সটিটিউট হঠাত বন্ধ হয়ে যায় এবং সব শিক্ষকদের বরখাস্ত করা হয়।
তিনি ‘জিউলা নেমেথে’র নেতৃত্বে ১৯৪৯ সালের নভেম্বর থেকে এটভির লোরান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যাটার পেজমনি বিশ্ববিদ্যালয়, তুর্কি ফিলোলজিক অধ্যাপক হিসাবে কাজ করেছিলেন। ১৯৫৫ সালে তিনি নেমেথের স্থলাভিষিক্ত হন।এই বছরগুলিতে তিনি মহান আরবি কবি ইবনে‘আল রুমির’জীবন সম্পর্কে একটি রচনা প্রস্তুত করেছিলেন।
১৯৫৮ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত তিনি হাঙ্গেরিতে সংসদ সদস্য ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি ছিলেন এবং কমিউনিস্ট পার্টিতে যোগ দেননি। তিনি আরবি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের অধ্যাপক হিসাবে কাজ অব্যাহত রেখেছিলেন। পরে তিনি প্রবীণ প্রভাষক হন। তিনি ৮০ বছর বয়সে শুধুমাত্র ১৯৬৪ সালে দায়িত্ব থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন।
ফিরে দেখা
১৯৫৫ থেকে ১৯৬৫ সালের মধ্যে তিনি ৭১ বছর বয়সে তাঁর স্ত্রী এবং অনুসারী কাতো কাজারীকে সাথে নিয়ে আবার ভ্রমণ করেছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা ইস্টার্ন লাইটস এই অভিজ্ঞতাগুলির সম্পর্কে। তিনি বৈজ্ঞানিক একাডেমী কায়রো,আলেকজান্দ্রিয়া,দামেস্কের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং আটটি ভারতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ও আরবিতে ইসলামিক সাংস্কৃতিক ইতিহাস সম্পর্কে বক্তৃতা দেওয়ার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছিলেন।
১৯৫৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর তিনি কায়রোতে একাডেমী অফ সায়েন্সেসে একটি উদ্বোধনী ভাষণ দেন। তাঁর সম্মানের জন্য তাঁর মিশরীয় সহকর্মীরা একটি বিশেষ 'জার্মানি লেকচার-সপ্তাহ' আয়োজন করেছিলেন। সেই সময়ে তিনি জর্ডানের রানী ডিনা বিনতে আবদুল-হামিদ এবং সৌদের যুবরাজ তালাল ইবনে আবদ-আল-আজিজের সাথে সাক্ষাৎ করেছিলেন।
ফের ভারত
বোম্বাই, দিল্লি, আলীগড়, পাটনা, আগ্রা, হায়দ্রাবাদ, কলকাতা, লখ-নৌ এবং শান্তিনিকেতনের স্মৃতি সতেজ করতে তিনি তার সেই স্মৃতি বিজড়িত ভারতীয় শহরগুলিতে পুনরায় ভ্রমন করেছিলেন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু তাকে দেখার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। এখানে সেই সময়ে তিনি মুসলিম সমাজের বিকাশ ও দ্রুত পরিবর্তন প্রত্যক্ষ করেছিলেন।
১৯৬১ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি ফ্যাস,রাবাত,কাসাব্লাঙ্কা বিশ্ববিদ্যালয় ও মরক্কোতে বক্তৃতা দেন। তিনি ১৯৬২ সালে বাগদাদ একাডেমীতে তার উদ্বোধনি বক্তব্য রেখেছিলেন। বিষয়টি ছিল,’হাঙ্গেরির ইসলামের ইতিহাস।‘ তাঁকে 'বাগদাদের ভিত্তি প্রতিষ্ঠার ১২০০তম বার্ষিকীর উৎসবেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।
১৯৬৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে সংযুক্ত আরব প্রজাতন্ত্রের সরকার (মিশর ও সিরিয়া ইউনিয়ন) তার এক হাজার বছরের পূর্তি উপলক্ষে আল-আজহার মসজিদের সংস্কার-কৃত বিদ্যালয়ে বক্তৃতা দিয়েছিলেন।
মক্কা
১৯৬৫ সালের ১৫ মার্চ সৌদি রাষ্ট্রদূত বুদাপেস্টে জার্মানি সফর করেছিলেন সৌদি আরবের রাজা ফয়সাল তাকে হজ্জে অংশ নিতে (তৃতীয়বারের জন্য) মক্কা সফর করার জন্য আমন্ত্রণ করেছিলেন।৮০ এর দশকের এই মহান পণ্ডিত এবং তাঁর স্ত্রী আয়েশা( তার দ্বিতীয় স্ত্রী ‘কাতো কাজারী’ ততদিনে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে নাম পরিবর্তন করে আয়েশা’ রেখেছিলেন। ) উভয়ের জন্যই এই কাজটি ছিল বিশাল। হজ্জের অর্থ পবিত্র স্থানের (কাবা শরিফ) চারদিকে ঘোর (তওয়াফ করা)এবং সাবা ও মারওয়ার ( পাহাড়ের) মধ্যে সাতবার দৌড়াদৌড়ি করা, প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে একটি উত্তপ্ত মরুভূমিতে(মিনায়)রাত্রিযাপন। তিনি আমন্ত্রণটি গ্রহণ করলেন এবং সফলতার সাথে হজ পালন করলেন।
শেষের দিনগুলি
বুদাপেস্টের ‘ফারকাসরতি’ কবরস্থানে গিউলা জার্মানাসের কবর। তিনি তাঁর শেষ দিন পর্যন্ত কাজ করেছিলেন। তাঁর চূড়ান্ত ইচ্ছা ছিল আরবি সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কে তাঁর বইয়ের তৃতীয় সংস্করণ দেখবেন।তাই তিনি সেই বইখানার প্রিন্ট দ্রুত তার হাতে পেতে চেয়েছিলেন। তাঁর কবরের ‘এপিটাফে’ অঙ্কিত তাঁর শেষ কথাগুলি তার জীবনের সংক্ষিপ্তসার দেয়:
"আমি বিশ্বাস করি যে মহাবিশ্বটি একটি শক্তিশালী নৈতিক শক্তি দ্বারা নির্মিত হয়েছিল, এবং নিঃস্বার্থ ভালবাসা এটি বজায় রাখে। জীবনের অর্থ সৌন্দর্য এবং করুণা এই আত্মবিশ্বাস আমার জীবনের মধ্য দিয়ে আমাকে নেতৃত্ব দিয়েছিল,এবং বড় আত্মার ছায়ায় বিশ্রাম পাওয়ার আকাঙ্ক্ষা ... আমি বিশ্রাম পাব ... কারণ শক্তি মানে নান্দনিকতা,শিল্প এবং মহানুভবতা-ঘৃণা বা লোভ নয় ...হাঙ্গেরি নিঃসঙ্গ হয়ে যাবে...কারণ সে আর কখনও প্রাচ্য থেকে ফিরে আসবেন না। .. November 7, 1979
...শেষ
আগের পর্বের জন্যঃ Click This Link
প্রথম পর্বের জন্যঃ Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০২০ রাত ১০:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



