






ঢাকা: ইস্টার্ন ব্যাংকের সাভার শাখা।লেনদেন, টাকা উত্তোলন, জমা দেয়া সবই চলছিলো স্বাভাবিক নিয়মে। হঠাৎ ছন্দপতন। ওরা ঢুকে শুরু করলো অশ্রাব্য গালাগাল। কেউ শরীরের স্পর্শকাতর অংশ অনাবৃত করলো। কেউবা আক্রমণের ভঙ্গীতে তেড়ে গেলো ব্যাংকারদের দিকে। আর ওদের যে সর্দার সে সাফ জানিয়ে দিলো, টাকা দিলেই রক্ষে।
তাণ্ডবে হতভম্ব ব্যাংকার থেকে শুরু করে ব্যাংকে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের সবাই। এক রকম জিম্মি দশার মতো। কাউকে ঢুকতেও দিচ্ছে না, আবার কাউকে ব্যাংক থেকে বেরুতেও দিচ্ছে না। সব মিলিয়ে শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি। সিনেমায় ব্যাংকে ডাকাত পড়লে যেমন হয়- বাংলানিউজের কাছে এভাবেই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির বর্ণনা দিচ্ছিলেন সুমাইয়া নাসরিন নামে একজন গ্রাহক।
এদের সম্পর্কে আমার কিছু কথা ।
এদের অত্যাচার এ রাস্তায় ও আরামে চলাফেরা করা দুস্কর... পরিবারের সামনে অনেক ছোট হইতে হয় ।প্রশাশনের এই দিকে দৃষ্টি দেয়া উচিৎ। রাস্তায় বউ ছেলে মেয়ে নিয়েও চলাচল করা যায় না এদের জন্য।বাংলাদেশের অন্যতম সামাজিক সমস্যা এখন এই হিজড়াদের অত্যাচার। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল সরকার এ বিষয়ে নিরব।এত হিজরা তো কয়েক বছর আগেও ছিলোনা । হঠাত করে এত হিজরা যে কিভাবে হয়ে গেল ? আমার মনে হয় সত্যিকারের হিজরা কম ই আছে । সরকার কোনো পদক্কেপ না নিলে । মানুষের জীবন দুর্বিসহ করে তুলবে । ট্রেন এ বাস এ সব জায়গায় নিয়মিত চাদাবাজি করে চলেছে । কেও কিছু বলছেও না ।ছিনতাইকারী আর এদের মধ্যে এখন কোনো পার্থক্য নাই ........... ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে এরা সঙ্গবদ্ধ হয়ে বাসের মধ্যে এভাবেই ছিনতাই করে ..........এটা ওদের নতুন নয়। ওরা অনেক জায়গায় ছিনতাইও করে। আর ভিক্ষাবৃত্তি তো করেই। এদের নিয়ে ভাবতে হবে। এদরকে কাজে লাগানো যায় কি না তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা উচিত ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

