


2015-16 medical admission test question leak proof প্রশ্নপত্র ফাস ও শিক্ষার্থীর স্বীকারুক্তি ভিডিও দেখুন
২০০৬-২০০৭ সালের মত আবার মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হল ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষে। বেসরকারী মেডিকেলের বাণিজ্য ঠিক রাখতে একে তো প্রশ্ন করা হয়েছে অনেক সহজ করে, তারপর হল আবার ফাঁস। আগের দিন রাতেই ফেসবুকে পাওয়া যাচ্ছিল প্রশ্ন। সারারাত শেয়ার হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা। তাও আবার মেডিকেলের মত গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায়???? একবারও কি ভাবতে পারেন এই ফাঁস হওয়া প্রশ্নে চান্স পাওয়া ৬-৭ হাজার ডাক্তার আপনার বা আপনার পরিবারের কি চিকিৎসা করবে?? এরাই করবে আপনার হার্টের চিকিৎসা? কিডনীর চিকিৎসা? ব্রেনের চিকিৎসা?? স্ট্রোক, হার্ট এ্যাটাকের চিকিৎসা এদের কাছ থেকে নিবেন??? হয়ত আপনার নিজের, অথবা ভাই বোনের, অথবা বাবা মায়ের, কিংবা প্রিয় জীবনসঙ্গিনীর, কিংবা জানের টুকরা সন্তানের চিকিৎসা নিতে হবে এদের কাছ থেকেই। ভাবুন। যদি বিবেকে বাধা দেয় তাহলে এই পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে সোচ্চার হোন। অন্য সব সেক্টরের সাথে এই সেক্টরের পার্থক্য হচ্ছে এই ক্ষেত্র আপনার ব্যক্তিস্বার্থের সাথে সরাসরি জড়িত। এবার ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য না হোক, অন্তত আপনার নিজের জন্য আন্দোলনে শরীক হোন। আপনার সচেতন ও সক্রিয় আন্দোলনই পারে আপনার ভবিষ্যৎ বংশধরের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে।
যেদিকে তাকাই শুধু প্রশ্নপত্র ফাঁস! আর প্রশ্নপত্র ফাঁস!!!!! সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাতেই প্রশ্ন ফাঁস হয়ে যাচ্ছে । দেখার যেন কেও নেই। এর চেয়ে মেধাবীদের গলাই ফাঁসি দাও!!!!! কথাগুলো অতি সাধারণ মনে হলেও, প্রশ্ন ফাঁসের কারনে হাজার হাজার মেধাবীর স্বপ্ন অংকুরেই যে বিনষ্ট হচ্ছে। চাকরীর বাজারে প্রবেশের পরে আমি তা হাড়েহাড়ে টের পেয়াছি। সরকার যদি এদিকে একটু নজর দেয় তাহলে তার জনপ্রিয়তা বাড়বে ছাড়া কমবে কি??????????
এই ভুয়া পরীক্ষা বাতিল হওইয়া দরকার...... অযোগ্য কেউ ডাক্তার হলে কি হবে তা না বললেও চলে। যারা যোগ্য তারা আবার পরীক্ষা দিলেও চান্স পাবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

