somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা

০৬ ই মার্চ, ২০১১ রাত ১০:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
[img|http://media.somewhereinblog.net/images/thumbs/shimol_1299430119_2-7821_159697937799_64119542799_2764339_3733526_n.jpg


আমি সাধারণ একজন ব্লগার। দেহ বা টাকা দিয়ে কাউকে জয় করতে পারবো না আর কখনও চেষ্টা করিও না। শুধ মাটির তৈরি একটি মন আর কথা ভাষায় চেষ্টা করি পৃথিবীটা জয় করতে।
আমরা একটি ছোট দেশে বাস করি। তাও একটি গরীব রাষ্ট্র। যে দেশে এক দিনে তিন বেলা ভাত জুটে না, সে দেশে বিলাশিতার কোন অভাব নেই।
এর মধ্যে আমাদের শিক্ষার অভাব। যা সহজে মহাজ্ঞানী ব্যক্তির ছোখে পড়ে।
এক দিকে অভাব অনটনের কারণে দেশের বেশি ভাগ ছাত্র-ছাত্রী স্কুল কলেজ থেকে দুরে সরে যাচ্ছে। হাতে গণা যা কয়েকজন পড়া লেখা করে। তাদেরকে নিয়ে আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ চিন্তা ধারা। আর তার মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীল হলে অসৎ উপায় অবল্ম্ভন করে। অল্প সংখ্যা শিক্ষার্থী ছাড়া বাকী সকলে অসৎ পন্তী পদে।
এই হলো আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা। সরকার বদলের সাথে সাথে সকল শিক্ষামন্ত্রী করে শিক্ষা আইন সংশোধন। বাস্তব ক্ষেত্রে সঠিক শিক্ষা পদ্ধতি ব্যবহার করে না বলে আজ এমন। এতে আমাদের দেখা যায় প্রকৃত শিক্ষার অভাব রয়েছে। যার কারণে আমরা সামন্য টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে থাকি আমাদের মহা মূল্যবান শিক্ষাকে।
দেখা যাক এবার ছাত্র-ছাত্রীদের অবস্থা।
আমাদের সমাজে দেখা যায় কিছু ছাত্র-ছাত্রী আছে যা শ্রেণী ক্ষকে পাঠদানের সময় মনোযোগ না দিয়ে বসে থাকে। শিক্ষকের দেওয়া পড়া বাসায় না শিখে ক্লাশে আসা। বাসায় পিতা-মাতা বললে তা অমান্য করে অন্য কাজে সময় কাটায়। তারা শিক্ষা অর্জনের জন্য টেবিলে সময় ব্যায় করে না, তারা সেলফোন, টেলিভিশন, সিডি-ভিসিডি, অসময় খেলাধুলা, অনিশ্চিত অসম্ভাব প্রেম ভালবাসা ইত্যাদি অকাজে সময় ব্যয় করে থাকে।
তাই তারা প্রতি দিন ক্লাশের পড়া দিতে পারে না। এক সময় ক্লাশে উপস্থিত থাকে না।ধীরে ধীরে তারা হয়ে যায় পড়ার প্রতি অমনোযোগি। এক সময় বাড়ি থেকে স্কুলে এসে ক্লাশ না করে ঘুরে বেড়ায় নানান স্থানে।
অতপরঃ তারা পরীক্ষা আসলে পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে থাকে। যদি কোন ভাল শিক্ষক তাদেরকে পরীক্ষার অংশ গ্রহন করতে নিষেদ করে। তখন তাদের পিতা-মাতার নানার ধরনের ভয় দেখিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহন নিতে বার্ধ্য করে। এতে দেখা যায় পরীক্ষায় পাসের জন্য শিক্ষার্থীগুলো অল্প সময় পড়া না শেষ করতে পারলে তারা নকল করে থাকে। এতে সহযোগিতা করে অসৎ শিক্ষক, অভিভাবকগণ সহ সকলে।
এই ভাবে আমাদের দেশে হাজার হাজার ছাত্র-ছাত্রী প্রতি বছর পাশ করে বাহির হয়ে আসছে। তা কি দেশের উন্নতি হচ্ছে।?
মাঝে মাঝে পত্রিকায় দেখা যায় এই বছর পাসের বা জিপির হার রেকড করেছে। যা এই সরকারে সাফল্য। এই সব, সরকারে সময় বলে থাকে। যদি তাই হয় তাহলে আমি বলবো শিক্ষার সাফল্য আসে নাই, নকলের সাফল্য এসেছে।
যদি নকল করা পাশের হার দেখে আমাদের শিক্ষামন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী খুশি হয়। তাহলে তারাও নকল করে পাশ করেছে।
আসলে আমরা মুখের কথায় রাজা থাকি, আর কাজের বেলা প্রজা থাকি।
যার কারণে এই ভাবে নকল করে ছাত্র-ছাত্রীরা। সহযোগিতা করে অসৎ শিক্ষক সমাজ। তারা পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকের কাছ থেকে টকার বিনিময়ে এই কষ্টের অর্জিত শিক্ষা বিক্রি করে দেয়। চিন্তা করে না শিক্ষা আসলে কি? আমার কাছে এই দেশ জাতি কি আশা বুক ভেধে আছে। আর আমি তাদের চোখে ধুলো দিয়ে টাকা উপার্জন করছি।
এই ভাবে যদি আমাদের শিক্ষা ব্যব্স্থা কলাকৌশল চলতে থাকে তাহলে একদিন দেখা যাবে সার্টিফিকেট আছে। মাথায় কোন শিক্ষা বা জ্ঞান নেই। থাকবে না তাদের চরিত্র গুনা গুন, মুখের আচরণ।
৯টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×